ঈদ জামাত অনুষ্ঠিত হয়েছে দিনাজপুরের গোর-এ শহীদ ময়দানে। জামাতে ২ লক্ষাধিক মুসল্লির সমাগম হয় বলে জানিয়েছেন আয়োজকরা। বৃহস্পতিবার (২৯ জুন) সকাল সাড়ে ৮টায় অনুষ্ঠিত হওয়া এই জামাতে ইমামতি করেন মাওলানা শামসুল হক কাসেমী।
গোর-এ শহীদ ময়দানে নামাজ আদায় করেন সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের বিচারপতি এম. এনায়েতুর রহিম, জাতীয় সংসদের হুইপ ইকবালুর রহিম এমপি, জেলা প্রশাসক শাকিল আহমেদ প্রমুখ। জামাতে দিনাজপুর জেলার ১৩টি উপজেলা ছাড়াও পঞ্চগড়, ঠাকুরগাঁওসহ আশেপাশের জেলাগুলোতে আসা মুসল্লিরা অংশ নেন।
এবারের ঈদ জামাতে ছিল দুটি স্পেশাল ট্রেন। এর মধ্যে একটি ট্রেন ঠাকুরগাঁও থেকে এবং অপরটি পার্বতীপুর থেকে মুসল্লিদের নিয়ে আসে এবং নামাজ শেষে মুসল্লিদের নিয়ে ফিরে যায়।
সকাল থেকেই দিনাজপুরের আকাশ মেঘাচ্ছন্ন ছিল। সকালের দিকে বৃষ্টি হলেও নামাজ সুষ্ঠুভাবেই সম্পন্ন করতে পেরেছেন মুসল্লিরা।
কঠোর নিরাপত্তার চাদরে ঢাকা ছিল পুরো মাঠ। জামাতে ২ লক্ষাধিক মুসল্লির সমাগম হয়েছে বলে জানিয়েছেন আয়োজকরা।
দিনাজপুরের জেলা প্রশাসক শাকিল আহমেদ বলেন, ‘আমরা ভাগ্যবান যে ঈদের জামাতের সময় বৃষ্টি হয়নি। জামাত সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করা গেছে। বৃহত্তর জনসমাগমে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, ৩০ লাখ শহীদ, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ সবার জন্য দোয়া কামনা করেছি। এই আবহাওয়ার পরও অনেক মানুষের সমাগম হয়েছে।’
জাতীয় সংসদের হুইপ ইকবালুর রহিম বলেন, ‘বৃষ্টির মধ্যেও শান্তিপূর্ণভাবে ঈদের নামাজ আদায় করেছি। শেখ হাসিনার নেতৃত্বে অদম্য গতিতে উন্নয়নের ধারায় এগিয়ে চলছে। এই যাত্রাকে অব্যাহত রাখার জন্য, দেশের শান্তি ও সমৃদ্ধির জন্য আল্লাহর কাছে দোয়া চেয়েছি। সব ষড়যন্ত্রের শেকল ভেঙে আধুনিক ও স্মার্ট বাংলাদেশ হয়ে এগিয়ে যাওয়ার প্রার্থনা করেছি। বৈরী আবহাওয়ার কারণে অনেক মুসল্লিরা আসতে পারেননি। ফলে প্রত্যাশার চেয়ে সমাগম কম হয়েছে। আবহাওয়া ভালো থাকলে অনেক মুসল্লির সমাগম হতো। এরপরেও ২ লক্ষাধিক মুসল্লির সমাগম হয়েছে।’
তিনি বলেন, ‘এবারে প্রধানমন্ত্রীর ঈদকার্ডে একজন বাক প্রতিবন্ধীর আঁকা ছবি সংযুক্ত করেছেন। সেই ছবিটিও গোর-এ শহীদ ময়দানের। দেশবাসী ও বিদেশেও এই কার্ড পৌঁছে গেছে।’









