ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে কুড়িগ্রাম জেনারেল হাসপাতালে চার জন চিকিৎসাধীন রয়েছেন। তারা জেলার বাইরে থেকে বাড়িতে ফিরে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়েছেন। এর মধ্যে পুলিশের এক সদস্য রয়েছেন। বুধবার (৫ জুলাই) হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ ও রোগীদের সঙ্গে কথা বলে এসব তথ্য জানা গেছে।
ডেঙ্গু আক্রান্তরা হলেন—সুলতান বাদশা (২৫), মাহফুজার (২৩), জাহিদ (২৯) ও আব্দুল মতিন (৪৯)। এর মধ্যে সুলতান বাদশা পুলিশ সদস্য। তিনি ঢাকায় ডিবি পুলিশের সাইবার ক্রাইম ইউনিটে কর্মরত। ঈদের তিন দিন আগে ছুটিতে রাজারহাটের বাড়িতে আসেন। পরে জ্বর নিয়ে হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে গেলে ডেঙ্গু ধরা পড়ে। গত চার দিন ধরে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।
মাহফুজারের বাড়ি উলিপুর উপজেলার গুনাইগাছ ইউনিয়নে। তিনিও তিন মাস ধরে ঢাকায় ছিলেন। গত ২৮ জুন বাড়িতে ফেরেন। ১ জুলাই ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হন। ৩ জুলাই থেকে হাসপাতালে ভর্তি হয়ে চিকিৎসা নিচ্ছেন।
জাহিদের বাড়ি নাগেশ্বরী উপজেলায়। তিনিও ঢাকায় একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে কর্মরত। ৩ জুলাই জ্বর নিয়ে ঢাকা থেকে কুড়িগ্রামের বাড়িতে আসেন। ৪ জুলাই হাসপাতালে ভর্তি হন।
আব্দুল মতিন চট্টগ্রামে কর্মরত। কুড়িগ্রাম পৌর এলাকার নাজিরা গ্রামের এই বাসিন্দা গত ২৭ জুন বাড়িতে ফেরেন। ঈদের দিন রাতেই জ্বরে আক্রান্ত হন। পরদিন জ্বর নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হলে ডেঙ্গু ধরা পড়ে। বর্তমানে অনেকটা সুস্থ হলেও এখনও মাঝেমধ্যে তার জ্বর আসে।
এ ছাড়া জ্বর নিয়ে একই ওয়ার্ডে ভর্তি আছেন সাদ্দাম হোসেন (১৮) নামে এক তরুণ। তিনি পেশায় রাজমিস্ত্রি। ঈদের দুই দিন আগে ঢাকা থেকে কুড়িগ্রামে ফিরেছেন। তবে পরীক্ষায় তার ডেঙ্গু ধরা পড়েনি।
কুড়িগ্রাম জেনারেল হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসক (ভারপ্রাপ্ত) ডা. সাদেকুর রহমান বলেন, ‘ডেঙ্গু আক্রান্ত কিংবা ডেঙ্গুর লক্ষণ নিয়ে ভর্তি রোগীদের আলাদা কক্ষে রেখে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। চিকিৎসকরা তাদের নিয়মিত খোঁজখবর রাখছেন।’








