দেশের কয়েকটি স্থানে মন্দির, সনাতন ধর্মাবলম্বীদের বাড়িঘর ভাঙচুর এবং লুটপাটের প্রতিবাদে দিনাজপুরে গণঅবস্থান কর্মসূচি ও বিক্ষোভ সমাবেশ করা হয়েছে। শনিবার (১০ আগস্ট) বেলা ১১টা থেকে দুপুর দেড়টা পর্যন্ত জেলা প্রেসক্লাবের সামনে বাংলাদেশ সচেতন নাগরিক সমাজের আয়োজনে এ কর্মসূচি পালন করা হয়। এ সময় সনাতন ধর্মাবলম্বীদের জানমাল রক্ষাসহ চার দফা দাবি উত্থাপন করা হয়।
কর্মসূচিতে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদ দিনাজপুর জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক উত্তর কুমার রায়, রাজ দেবোত্তর এস্টেটের সদস্য ও চিকিৎসক ডা. ডিসি রায়, সনদ চক্রবর্তী লিটু ও প্রফেসর ড. বিকাশ প্রমুখ। এ সময়, ‘হিন্দু-মুসলিম ভাই ভাই, বৈষম্যের ঠাঁই নাই’, ‘সেভ বাংলাদেশি হিন্দু’সহ বিভিন্ন প্ল্যাকার্ড-ফেস্টুন নিয়ে হাজারো সনাতন ধর্মাবলম্বী মানুষ বিক্ষোভে অংশ নেন।
কর্মসূচিতে বক্তারা বলেন, প্রতিটি লড়াই সংগ্রামে সব সম্প্রদায়ের মানুষ অংশগ্রহণ করে। কিন্তু দেশে কোনও পরিস্থিতির সৃষ্টি হলেই হিন্দু সম্প্রদায়ের বাড়িঘর ও উপাসনালয়ে হামলা-ভাঙচুর চালানো হয়। অগ্নিসংযোগ করা হয়, লুটপাট করা হয়। যেকোনো ধরনের ইস্যু আসলেই আমাদের জানমালের ওপর আঘাত করা হয়। স্বাধীন দেশে আমাদের নিরাপত্তা নেই কেন? সম্প্রতি দেশের বিভিন্ন স্থানে আমাদের ওপর হামলা হয়েছে, বাড়িঘর ভাঙচুর করা হয়েছে এবং লুটপাট হয়েছে। যারা এসবে জড়িত, তাদের কঠোর শাস্তি চাই আমরা।
এ সময় চার দফা দাবি উত্থাপন করা হয়। দাবিগুলো হলো- সংখ্যালঘু মন্ত্রণালয় গঠন, সংখ্যালঘু সুরক্ষা কমিশন গঠন, সংখ্যালঘুদের বিরুদ্ধে সংঘটিত সব প্রকার হামলা প্রতিরোধে কঠোর আইন ও সংখ্যালঘুদের ১০ শতাংশ সংসদীয় আসন বরাদ্দ প্রদান।









