সিলেটে মার্সিডিজ ই-২০০ মডেলের গাড়িতে ই-৫০০ লাগিয়ে বিড়ম্বনায় পড়লেন এক ব্যবসায়ী। এরপর শুল্ক গোয়েন্দাদের হাতে বিষয়টি ধরা পড়ার পর নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ওই ব্যবসায়ী জানালেন, তার ছোট ভাই শখের বশে এই স্টিকারটি গাড়িতে লাগিয়েছেন। তবে, গাড়িটির কাগজপত্র ও ট্যাক্স পরিশোধ থাকায় ওই গাড়িটি সোমবারই ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।
শুল্ক গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদফতরের সিলেট-এর আঞ্চলিক পরিচালক প্রভাত সিংহ বাংলা ট্রিবিউনকে জানান, মার্সিডিজ ই-৫০০ মডেলের গাড়ির সিসি ৫ হাজার, শুল্ক ৮৬১ শতাংশ। এ হিসাবে এ গাড়িটির শুল্ক আসে প্রায় তিন কোটি টাকা। কিন্তু, পরীক্ষায় দেখা যায়, গাড়িটি ই-২০০, ২ হাজার সিসির ও ২০০৬ মডেলের।যার শুল্ক আসে প্রায় ৪০ লাখ টাকা এবং সংশ্লিষ্টরা এ শুল্ক এরই মধ্যে পরিশোধ করেছেন। গাড়ির মালিক ‘স্যরি’ বলে অনুশোচনা প্রকাশ করায় এবং কাগজপত্র ঠিক থাকায় গাড়িটি ছেড়ে দেওয়া হয়েছে বলে জানান প্রভাত সিংহ।
সূত্র জানায়, শুল্ক গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদফতর সম্প্রতি সারাদেশে কার্নেট ডি প্যাসেজ সুবিধার আওতায় আনা গাড়ি জব্দ করা শুরু করেছে। এরই অংশ হিসেবে সিলেট নগরীর ওই তরুণ ব্যবসায়ীর ই-৫০০ মডেলের মার্সিডিজ বেঞ্জকে নজরদারি শুরু করেন শুল্ক গোয়েন্দারা। নেওয়া শুরু করেন কারটির সব তথ্য। বিআরটিএ ও কাস্টমস থেকে শুল্ক গোয়েন্দাদের পাওয়া তথ্য আর গাড়ির মডেলের তথ্যে পাওয়া যায় ব্যাপক গরমিল। অতঃপর গত ২৯ মে ডেকে পাঠানো হয় গাড়ির মালিককে। এরপর সোমবার বেরিয়ে আসে গাড়িটির মূল রহস্য।
আরও পড়ুন: শিশু বায়েজিদকে ঢাকায় আনা হবে
/টিএন/আপ-এনএস/








