সিলেটের বিয়ানীবাজারে ছয় মাসের শিশু কন্যা তাহিয়া হত্যার দায় স্বীকার করে আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন বাবা উজ্জল হোসেন। সোমবার দুপুরে বিয়ানীবাজারের চতুর্থ জুডিশিয়াল আদালতে আসামির জবানবন্দি গ্রহণ করা হয়। জবানবন্দি গ্রহণ শেষে তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন বিচারক।
উজ্জল হোসেন সিলেটের বিয়ানীবাজারের ঘুঙ্গাদিয়া দরগা এলাকার বাসিন্দা। শুক্রবার (১৮ নভেম্বর) ভোরে বাড়ির পুকুরে ফেলে ছয় মাসের শিশু তাহিয়াকে হত্যা করা হয়। ঘটনাটি জানাজানি হওয়ার পর ওই শিশুর মা রহিমা বেগম বাদী হয়ে বিয়ানীবাজার থানায় স্বামীকে একমাত্র আসামি করে শনিবার হত্যা মামলা করেন। পরবর্তীতে পুলিশ উজ্জলকে গ্রেফতার করে থানায় নিয়ে গেলে সেখানে তাহিয়াকে হত্যার দায় স্বীকার করে প্রাথমিকভাবে বর্ণনা দেন।
মামলার তদন্ত কর্মকর্তা সিলেটের বিয়ানীবাজার থানার পুলিশ পরিদর্শক দেবাশীষ শর্মা বাংলা ট্রিবিউনকে আদালতের বরাত দিয়ে জানান, কয়েকদিন থেকে শিশু তাহিয়া খুব অসুস্থ ছিল। সারাক্ষণ কান্নাকাটি করতো। এজন্য উজ্জল ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠে। কয়েকবার মেয়েকে মারধরও করে। পরবর্তীতে শুক্রবার ভোরে মেয়েকে বিছানা থেকে নিয়ে সবার অগোচরে পুকুরে ফেলে দেয়। ঘটনাটি ধামাচাপা দিতে উজ্জল ওই দিন সকালে বিয়ানীবাজার থানায় এসে একটি অপমৃত্যু মামলা করেন। পরে পুলিশ নিহত তাহিয়ার মার বক্তব্য শুনে ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য সিলেট ওসামানী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে মর্গে পাঠায়। সেখান থেকে প্রাথমিকভাবে জানানো হয় শিশু তাহিয়াকে হত্যা করা হয়েছে।
/বিটি/








