সিলেটের দক্ষিণ সুরমার শিববাড়ির জঙ্গি আস্তানা আতিয়া মহলে আর কোনও উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন বিস্ফোরক আছে কিনা তা খুঁজে দেখছে বোম্ব ডিসপোজাল ইউনিট ও সিলেট র্যাব-৯ এর সদস্যরা।
সোমবার (৩ এপ্রিল) সকাল সাড়ে ৮টা থেকে আতিয়া মহলে কাজ শুরু করে বোম্ব ডিসপোজাল ইউনিটের সদস্যরা। আর তাদেরকে সর্বাত্মক সহযোগিতা করে যাচ্ছে সিলেট র্যাব-৯ এর একটি দল। এদিকে, র্যাব ও বোমা ডিসপোজাল ইউনিটের সঙ্গে সাপোর্টিং হিসেবে কাজ করে যাচ্ছে সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশ। আতিয়া মহলের আশপাশের এলাকাগুলোতে বিদ্যুৎ ও গ্যাস সংযোগ বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, বোম্ব ডিসপোজাল ইউনিট ইতিমধ্যে পুরো আতিয়া মহল ঘুরে দেখে বিভিন্ন ধরণের বিস্ফোরকের আলামত সংগ্রহ করেছে। দুপুরের দিকে তারা ঢাকায় তাদের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে আতিয়া মহলের সার্বিক বিষয় তুলে ধরবেন। এরপর তাদের পরামর্শ অনুযায়ী কাজ শুরু করবেন।
সিলেট মহানগর পুলিশের উপ পুলিশ কমিশনার (গণমাধ্যম) জেদান আল মুসা বাংলা ট্রিবিউনকে জানান, সোমবার সকালে ঢাকা থেকে বোম্ব ডিসপোজাল ইউনিট সিলেটের আতিয়া মহল পুরোটাই ঘুরে দেখেছেন। এ সময় তারা বিভিন্ন বিস্ফোরকের বিভিন্ন আলামতও সংগ্রহ করেছেন। ডিসপোজাল ইউনিটের সঙ্গে সিলেট র্যাব-৯ এর একটি দল কাজ করে যাচ্ছে। আর পুলিশ এ দুটি বাহিনীর সঙ্গে সাপোর্টিং হিসেবে কাজ করে যাচ্ছে।
তিনি আরও জানান, ভিডিও করফারেন্সে কথা বলে পরবর্তীতে তারা কি করবেন এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবেন।
সিলেট র্যাব-৯ এর সহকারী পরিচালক (গণমাধ্যম) জেএম ইমরান জানান, বোম্ব ডিসপোজাল ইউনিটের সঙ্গে সিলেট র্যাব-৯ এর একটি দল কাজ করবে। ইতোমধ্যে র্যাবের একটি দল ঘটনাস্থলে আছে।
আতিয়া মহলসহ আশপাশে প্রথমে ডগ স্কোয়াড দিয়ে তল্লাশি করা হবে। এরপর বিস্ফোরক বিশেষজ্ঞ টিম মহলের ভেতরে প্রবেশ করবেন। আতিয়া মহলের চারপাশে পুলিশ, র্যাব, ফায়ার সার্ভিসের ফোর্স ছাড়াও সিলেট সিটি করপোরেশনের পরিচ্ছন্নতা কর্মী ও ডোম অবস্থান করছেন।
/বিএল/








