হবিগঞ্জে ৫৭ ধারায় দায়ের করা মামলার বিষয়ে সদর থানা যুবদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আরব আলী বলছেন, ‘আমার বিরুদ্ধে মামলার বিষয়টি রাজনৈতিক প্রতিহিংসা। জেল থেকে মুক্তি পাওয়ার কয়েক ঘণ্টার মধ্যে আমার ফেসবুক থেকে ষড়যন্ত্রভাবে স্ট্যাটাস দেওয়া হয়েছে। যার কিছুই আমি জানি না।’
তবে ৫৭ ধারায় মামলাকারী সদর উপজেলা শ্রমিক লীগের সদস্য সচিব জামাল মিয়া বলেন, ‘আরব আলীর সঙ্গে আমার ব্যক্তিগত কোনও শত্রুতা নেই। তার স্ট্যাটাসে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু, প্রধানমন্ত্রী ও এমপিদের নিয়ে কটূক্তি করা হয়েছে। দলের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হওয়ার কারণেই মামলা দায়ের করেছি।’
এদিকে, এই মামলার বিষয়ে পুলিশ এখনও আদালতের কোনও নির্দেশনা পায়নি বলে জানিয়েছেন হবিগঞ্জ সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইয়াছিনুল হক। শুক্রবার তিনি বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘তথ্য প্রযুক্তি আইনের ৫৭ ধারায় মামলার বিষয়ে আদালত থেকে কোনও নির্দেশনা এখনও তার হাতে আসেনি।’
জেলা যুবদল সভাপতি আজিজুর রহমান কাজল জানান, একটি তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে আরব আলী রাজনৈতিক প্রতিহিংসার শিকার হয়েছেন। জেল থেকে বের হওয়ার পর কোনও মোবাইল ফোন আরব আলীর সঙ্গে ছিল না। তাকে ষড়যন্ত্রমূলকভাবে ফাঁসানো হয়েছে শুধু রাজনৈতিক উদ্দেশে।’
হবিগঞ্জ সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইয়াছিনুল হক জানান, কিছুদিন পূর্বে আরব আলীকে ইয়াবাসহ পুলিশ গ্রেফতার করে। তার বিরুদ্ধে রাজনৈতিক বেশ কয়েকটি মামলা ছাড়াও একটি মাদক মামলা রয়েছে। তবে তথ্য প্রযুক্তি আইনের মামলার বিষয়ে আদালত থেকে কোনও নির্দেশনা এখনও পাওয়া যায়নি।
প্রসঙ্গত, বৃহস্পতিবার বিকালে সদর উপজেলা শ্রমিক লীগের নেতা জামাল মিয়া বাদী হয়ে তথ্য প্রযুক্তি আইনের ৫৭ ধারায় সদর থানা যুবদল নেতা আরব আলীর বিরুদ্ধে জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে একটি মামলা দায়ের করেন। আদালতের বিচারক শম্পা জাহান মামলাটি এফআইআর হিসেবে গণ্য করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য শায়েস্তাগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে (ওসি) নির্দেশ প্রদান করেন।
/এমও/








