সিলেটে ২০ দলীয় মেয়র প্রার্থী আরিফুল হক তার নির্বাচনি ইশতেহার ঘোষণা করেছেন। বৃহস্পতিবার (২৬ জুলাই) বিকেলে সিলেট নগরের কাজীটুলা এলাকায় তার প্রধান নির্বাচনি কার্যালয়ে এ ইশতেহার ঘোষণা করা হয়। এসময় ২০ দলীয় জোটের কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় নেতারা উপস্থিত ছিলেন।
তার ইশতেহারে স্থান পাওয়া বিষয়গুলো হলো, অত্যাধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে প্রযুক্তি নির্ভর সিলেট গড়া, সিলেটকে ওয়াইফাই জোনের আওতায় নিয়ে আসা, যানজটন নিরসন ও হকার পুনর্বাসনের জন্য তৈরি হচ্ছে স্থায়ী মার্কেট, আধুনিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় কমেছে দূষণ, বস্তিবাসীদের জন্য স্যানেটারি কক্ষের ব্যবস্থা, স্বাস্থ্য ও শিক্ষা খাতে অগ্রাধিকার, বিশুদ্ধ পানি সরবরাহ,‘ড্রিম টিম’এ শিক্ষিত বেকারদের চাকরির সুযোগ, নারীদের জন্য পৃথক ইনস্টিটিউট ও টাউন বাসের ব্যবস্থা, লার্নিং রিসোর্স সেন্টার, পিছিয়ে পড়া দক্ষিণ সুরমার জন্য থাকবে বিশেষ নজর, আগামী সিলেট গড়তে প্রয়োজনে দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনা।
এছাড়াও তিনি নির্বাচনি ইশতেহারে তার বাস্তবায়িত ৪৫টি উন্নয়ন প্রকল্প এবং ৪৭টি প্রকল্প চলমান রয়েছে বলে উল্লেখ করেছেন।
আরিফুল হক চৌধুরী ইশতেহার ঘোষণার পর আওয়ামী লীগের মেয়র প্রার্থী বদর উদ্দিন আহমদ কামরানের ঘোষিত ইশতেহারের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে সমালোচনা করে বলেন,‘আমার ভাই কামরান তার নির্বাচনি ইশতেহারে যেসব বিষয় উল্লেখ করেছেন সেগুলোর অধিকাংশই আমার মেয়াদকালীন সময় বাস্তবায়ন করেছি। আর যা তিনি করবেন সেগুলো আমার চলমান কাজের মধ্যে রয়েছে। সিলেটের উন্নয়নে তিনি ১৭ বছরে যা করতে পারেননি আমি ৩৩ মাস জেলখাটার পরও সেই সব দ্রুততার সঙ্গে সম্পন্ন করেছি।’
তিনি আরও বলেন, আমি এই সিলেট নগরের জন্য কি করেছি তা জানে এই সিলেটের মানুষ। সিলেটকে উন্নয়ন থেকে বঞ্চিত রাখার জন্য আমাকে একের পর এক মামলা দিয়ে কারাগারে বন্দি রাখা হয়। কিন্তু এই সিলেটের মানুষের দোয়া ও ভালোবাসায় আমি জেল থেকে মুক্তি পেয়েই উন্নয়নমূলক কাজে হাত দেই। আমি দায়িত্ব নেওয়ার আগে অর্থাৎ ২০১২-২০১৩ অর্থ বছরে সিটি করপোরেশনের সর্বমোটে আয় ছিল ১৭ কোটি ৩৫ লাখ টাকা। মাত্র ১ বছরের ব্যবধানে ২০১৩-২০১৪ অর্থ বছরে তা প্রায় ৩৩ কোটি ২১ লাখ টাকায় উন্নীত করেছি। ২০১৭-২০১৮ অর্থ বছরে এই আয় প্রায় ৫০ কোটি ছাড়িয়ে যায়।








