অতিরিক্ত রক্তক্ষরণের কারণেই সিলেট মহানগর ছাত্রদলের সাবেক সহ-প্রচার সম্পাদক ফয়জুর রহমান রাজুর মৃত্যু হয়েছে বলে ময়নাতদন্ত প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে। সিলেট মহানগর পুলিশের কোতোয়ালি থানার ওসি মোশারফ হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, রাজুর শরীরে অসংখ্য ধারালো অস্ত্রের আঘাত রয়েছে। তার মাথার আঘাতটি গুরুতর। অতিরিক্ত রক্তক্ষরণে তার মৃত্যু হয়েছে।
কোতোয়ালি থানার ওসি মোশারফ হোসেন জানান, রবিবার ময়নাতদন্ত শেষে রাজুর লাশ তার পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। তবে তার পরিবার থেকে এখনও থানায় কোনও অভিযোগ দেয়নি।
শনিবার (১১ আগস্ট) সিলেটে ছাত্রদলের দুই গ্রুপের সংঘর্ষে রাজু নিহত হন।
রবিবার রাজুর প্রথম জানাজা নগরের উপশহরে অনুষ্ঠিত হয়। এরপর সেখান থেকে তার লাশ মৌলভীবাজারের রাজনগর উপজেলার শাহপুর গ্রামে বিকাল সাড়ে ৩টার দিকে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে বাদ এশা দ্বিতীয় জানাজা শেষে পারিবারিক গোরস্থানে তাকে দাফন করা হবে। এর আগে দুপুর দেড়টার দিকে সিলেট ওসমানী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে রাজুর ময়নাতদন্ত শেষে তার লাশ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করে পুলিশ।
এদিকে রাজুর লাশ নিয়ে বিক্ষোভ মিছিল করেছেন ছাত্রদলের বিদ্রোহী গ্রুপের নেতাকর্মীরা। এ সময় তারা রাজুর হত্যাকারীদের দ্রুত গ্রেফতারের দাবি জানান।
সিলেট মহানগর ছাত্রদলের সাবেক যুগ্ম সম্পাদক আজিজুল হোসেন আজিজ বলেন, ‘রাজুকে কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের সদস্য আব্দুর রকিব গ্রুপের নেতাকর্মীরা পরিকল্পিতভাবে হত্যা করেছে। রাজুসহ অন্যরা জেলা ও মহানগর ছাত্রদলের কমিটি বাতিলের পক্ষে আন্দোলনসহ নানা কর্মসূচি পালন করে।’
এ বিষয়ে জানতে কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের সদস্য আব্দুর রকিবের মোবাইল ফোনে একাধিকবার যোগাযোগ করা হলেও তার ফোন বন্ধ পাওয়া যায়।
আরও পড়ুন:
সিলেটে ছাত্রদলের দুই গ্রুপের সংঘর্ষে নিহত ১








