কোরবানিকে সামনে রেখে বেশি লাভের আশায় অতিযত্নে গরু পালন করেছেন হবিগঞ্জের অনেক খামারি। জেলায় সবচেয়ে বড় গরুটি পালন করেছেন বানিয়াচংয়ের শেখের মহল্লা গ্রামের গোলাম ওয়াহিদ। লাল রঙের গুরুটির নাম রাখা হয়েছে ‘রেড কিং’। ৪০ মণ ওজনের রেড কিংয়ের দাম হাকানো হচ্ছে ২০ লাখ টাকা।
গোলাম ওয়াহিদ ষাঁড়টি লালন-পালন করেছেন সাড়ে তিন বছর ধরে। নিজের খামারে অস্ট্রেলিয়ান গাভীর (শংকর) বাচ্চাকে দুধ, খৈল, ভূষি ও ঘাস খাইয়ে গরুটি পালন করেন তিনি। এবার ঈদে ষাঁড়টি বিক্রির প্রস্তুতি নিচ্ছেন ওয়াহিদ। বিশালাকৃতির ষাঁড়টি দেখার জন্য প্রতিদিনই তার বাড়িতে ভিড় করেন লোকজন।
জানা যায়, ষাঁড়টির উচ্চতা ছয় ফুট, লম্বা আট ফুট এবং বুকের মাপ সাড়ে আট ফুট। রেড কিং থেকে ৪০ মণ মাংস পাওয়া যাবে বলে আশা করেন মালিক গোলাম ওয়াহিদ।
গোলাম ওয়াহিদ বলেন, ‘দেশীয় পদ্ধতিতে খাবার দিয়ে তিন বছর ধরে গরুটি লালন পালন করছি।’
স্থানীয় রহমত আলী জানান, রেড কিংয়ের সঙ্গে অনেকেই সেলফি তুলছেন। এত বড় গরু এলাকায় আর কেউ লালন পালন করেননি ।
একই এলাকার বাসিন্দা মোস্তফা আলী জানান, যদি মালিকেরা উপযুক্ত দাম পান, তবে অনেকেই গরু পালনে আগ্রহী হয়ে উঠবেন। তখন ভারতের ওপর আর গরুর জন্য নির্ভর করতে হবে না। ওয়াহিদকে দেখে এলাকার অনেকেই গরু পালনে উৎসাহি হয়ে উঠছেন।
বানিয়াচং উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. আবুল কাশেম জানান, এই গরুটির জন্মের পর থেকে আমরা দেখভাল করে আসছি। যখনই জানানো হয়েছে, আমরা সর্বোচ্চ সেবা দিয়েছি। ধারণা করা হচ্ছে, গরুটির প্রায় ২৫ মাণ মাংস হবে।’ তিনি বলেন, ‘গরুটি মোটাতাজাকরণে কোনও ধরনের ইনজেকশন বা ভেজাল কিছু খাওয়ানো হয়নি। শুধুমাত্র দেশীয় পদ্ধতিতে মোটাতাজা করা হয়েছে। আশা করি, এর মাংস স্বাস্থ্যসম্মত হবে।








