বঙ্গবন্ধুর ঘনিষ্ঠ সহচর মুক্তিযোদ্ধা আজিজুর রহমানের দাফন রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় সম্পন্ন হয়েছে। মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) বিকাল ৪টায় হযরত সৈয়দ শাহ মোস্তফা (র.) টাউন ঈদগাহ মাঠে জানাজা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে তাকে শায়িত করা হয়। এর আগে মুক্তিযোদ্ধা আজিজুর রহমানকে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় গার্ড অব অনার দেওয়া হয়।
আজিজুর রহমান সাবেক গণপরিষদ সদস্য ছিলেন। তিনি একাধারে দুই বারের সংসদ সদস্য, হুইপ, বাংলাদেশ সংবিধানের অন্যতম প্রণেতা এবং বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। সর্বশেষ তিনি মৌলভীবাজারের জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ছিলেন।
জানাজার আগে তার রাজনৈতিক সহকর্মীরা বর্ণাঢ্য রাজনৈতিক জীবন নিয়ে সংক্ষিপ্ত আলোচনা করতে গিয়ে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন। জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মিছবাহুর রহমানের পরিচালনায় সংক্ষিপ্ত বক্তব্য রাখেন মৌলভীবাজার-৩ আসনের সংসদ সদস্য ও জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি নেছার আহমদ, জেলা প্রশাসক মীর নাহিদ আহসান, মরহুমের ছোট ভাই জেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ড কাউন্সিলের সাবেক কমান্ডার মো. জামাল উদ্দিন।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন পুলিশ সুপার ফারুক আহমদ, সাবেক এমপি ও জেলা বিএনপির সভাপতি এম নাসের রহমান, সাবেক এমপি অ্যাডভোকেট নওয়াব আলী আব্বাস খান, পৌর মেয়র ও জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সম্পাদক মো. ফজলুর রহমান, সদর উপজেলা চেয়ারম্যান ও জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সম্পাদক মো. কামাল হোসেন প্রমুখ।
টাউন ঈদগাহে রাষ্ট্রীয় মর্যাদা ও নামাজে জানাজা শেষে গুজারাই পারিবারিক কবরস্থানে মা বাবার পাশে তাকে সমাহিত করা হয়।
এর আগে মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) রাতে রাজধানীর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান তিনি। ঢাকা থেকে দুপুরে তার লাশ নিজবাড়ি সদর উপজেলার গুজারাইয়ে পৌঁছায়। করোনা আক্রান্ত হয়ে গত ৫ আগস্ট তিনি বিএসএমএমইউ-তে ভর্তি হন। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে তাকে এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে মৌলভীবাজার থেকে ঢাকায় পাঠানো হয়।
মন্ত্রী ও এমপিদের শোক
আজিজুর রহমানের মৃত্যুতে শোক ও তার পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন মৌলভীবাজার-১ আসনের সংসদ সদস্য ও বন, পরিবেশ ও জলবায়ু পবিবর্তন বিষয়ক মন্ত্রী মো. শাহাব উদ্দিন, মৌলভীবাজার-২ আসনের সংসদ সদস্য সাবেক ঢাকসুর ভিপি সুলতান মোহাম্মদ মনসুর আহমদ, মৌলভীবাজার-৩ আসনের সংসদ সদস্য ও জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি নেছার আহমদ, মৌলভীবাজার-৪ আসনের সংসদ সদস্য, সাবেক চিফ হুইপ উপাধ্যক্ষ ড. মো. আব্দুস শহীদ এমপিসহ জেলা প্রশাসন, জেলা স্বাস্থ্য বিভাগ, জন প্রতিনিধি, রাজনীতিবিদ, সামাজিক, পেশাজীবী, মৌলভীবাজার প্রেসক্লাব, সাংবাদিক সমিতি জেলা ইউনিট, রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতৃববৃন্দসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ।








