হবিগঞ্জের নবীগঞ্জ উপজেলার একটি বাসা থেকে রাজনা বেগম (১৯) নামে এক গৃহবধূর গলাকাটা লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ ঘটনার পর থেকে নিহতের স্বামীর সন্ধান পাওয়া যাচ্ছে না।
সোমবার (৩১ জানুয়ারি) রাত ৯টার দিকে উপজেলার সদর ইউনিয়নের রসুলগঞ্জ বাজার এলাকার সফিক মিয়ার মালিকানাধীন বাসা থেকে ওই গৃহবধূর লাশ উদ্ধার করা হয়।
নিহত রাজনা বেগম ওই ইউনিয়নের বড় আলীপুর গ্রামের জাকারিয়া মিয়ার স্ত্রী ও পশ্চিম তিমিরপুর গ্রামের মৃত আব্দুর রহিমের মেয়ে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, প্রায় ৬ মাস আগে জাকারিয়া মিয়ার সঙ্গে রাজনা বেগমের বিয়ে হয়। এরপর থেকে জাকারিয়া ও রাজনা এক সঙ্গে বসবাস করে আসছিলেন। গত ১০-১২ দিন আগে রসুলগঞ্জ বাজারের সফিক মিয়ার মালিকানাধীন একটি বাসা ভাড়া নিয়ে তারা সেখানে বসবাস করে আসছিলেন।
সোমবার (৩১ জানুয়ারি) বিকালে রাজনা বেগমের মা রাজনাকে দেখতে ওই ভাড়া বাসায় যান। এসময় তাদের বসবাসরত কক্ষের দরজা বন্ধ দেখে ডাকাডাকি করেন। এক পর্যায়ে কোনো সাড়াশব্দ না পেয়ে দরজার ফাঁক দিয়ে মেয়ের রক্তাক্ত দেহ বিছনার ওপর পড়ে থাকতে দেখেন। এসময় তার চিৎকারে আশাপাশের লোকজন এসে পুলিশকে খবর দেয়।
খবর পেয়ে নবীগঞ্জ থানার একদল পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে নিজ কক্ষের বিছনার ওপর থেকে গলাকাটা অবস্থায় রাজনা বেগমের লাশ উদ্ধার করে। এ সময় একটি রক্তমাখা বটি দা উদ্ধার করা হয়। এঘটনার পর থেকে রাজনা বেগমের স্বামী জাকারিয়া মিয়ার কোনো সন্ধান পাওয়া যাচ্ছে না।
এ প্রসঙ্গে নবীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ডালিম আহমেদ ঘটনাটি নিশ্চিত করে বলেন, লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য হবিগঞ্জ আধুনিক সদর হাসপাতালের মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে। এ ঘটনার পর নিহতের স্বামী জাকারিয়া মিয়ার খোঁজ করার চেষ্টা করা হলে জাকারিয়াকে পাওয়া যায়নি। কীভাবে ঘটনাটি ঘটেছে এনিয়ে আমরা কাজ করছি।









