সিলেটে বিএনপির বিভাগীয় গণসমাবেশকে ঘিরে চলছে নানা ধরনের প্রস্তুতি। নেতাকর্মীদের মাঝে বইছে উৎসবের আমেজ। স্মরণকালের বড় সমাবেশ করে সরকারকে কড়া বার্তা দিতে চায় বিএনপি। আগামী ১৯ নভেম্বর সিলেটে আলিয়া মাদ্রাসা মাঠে এ সমাবেশ হবে। সমাবেশে চার লাখ মানুষের গণজমায়েত হবে বলে আশাবাদী বিএনপির নেতারা।
এরই মধ্যে সমাবেশে যারা আসবেন তাদের থাকা-খাওয়ার ব্যবস্থা করা হচ্ছে। সমাবেশ সফল করতে ছয়টি কমিটি গঠন করা হয়েছে। কয়েক সপ্তাহ ধরে বিএনপি ও সহযোগী অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীরা প্রস্তুতি বৈঠক, গণসংযোগ ও লিফলেট বিতরণ করছেন।
দলীয় সূত্রে জানা গেছে, আবাসন ব্যবস্থাপনা কমিটির আহ্বায়কের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও সিলেট সিটি করপোরেশনের মেয়র আরিফুল হক চৌধুরীকে। ব্যবস্থাপনা ও শৃঙ্খলা কমিটির আহ্বায়ক হিসেবে আছেন বিএনপির চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা খন্দকার আবদুল মুক্তাদির। প্রচার ও মিডিয়া কমিটির দায়িত্বে আছেন জেলা বিএনপির সভাপতি আবদুল কাইয়ুম চৌধুরী, অভ্যর্থনা কমিটির দায়িত্বে আছেন মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক আবদুল কাইয়ুম জালালী, আপ্যায়ন কমিটির দায়িত্বে আছেন মহানগর বিএনপির সাবেক সভাপতি নাসিম হোসাইন এবং দফতর কমিটিতে মহানগর বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক হুমায়ূন কবির শাহীনকে আহ্বায়ক করা হয়েছে।
বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেন, ‘সিলেটের সমাবেশ স্মরণকালের বড় সমাবেশ হবে। সমাবেশ সফল করতে দিনরাত কাজ করে যাচ্ছেন নেতাকর্মীরা। সমাবেশকে কেন্দ্র করে নেতাকর্মীরা বেশ উজ্জীবিত। সমাবেশ সফল করতে নেতাকর্মীদের বিভিন্ন দিক-নির্দেশনা ইতোমধ্যে দেওয়া হয়েছে। আমরা বিভিন্ন কৌশলে কাজ করে যাচ্ছি। ইতোমধ্যে সমাবেশকে কেন্দ্র করে বিভিন্ন বিষয় মাথায় রেখে ছয়টি কমিটি গঠন করা হয়েছে। সমাবেশে চার লাখ মানুষের গণজমায়েত হবে বলে আশাবাদী আমরা। সেটি মাথায় রেখে কাজ করছি আমরা।’









