সিলেটের দক্ষিণ সুরমার নাজিরবাজারে ট্রাক ও পিকআপ ভ্যানের সংঘর্ষে বেঁচে গেছেন শের আলী। তিনি ঠিকাদার। পিকআপ ভ্যানে করে নির্মাণশ্রমিকদের নিয়ে যাচ্ছিলেন ওসমানীনগরে।
সিলেটের এম এ জি হাসপাতালের সামনে দাঁড়িয়ে তিনি বলেন, ‘ওসমানীনগরের একটি সাইটে আজ সকালে ঢালাইয়ের কাজ ছিল। ভোরে সবাইকে একত্রে জড়ো করে মেশিনারি নিয়ে একটি পিকআপ ভাড়া নিই। পিকআপে নারী-পুরুষসহ প্রায় ৩০ জন শ্রমিক ছিলেন। আমাদের পিকআপ চালকের কোনও দোষ ছিল না। কে জানতো এভাবে সবাইকে হারাতে হবে। নিহতদের মধ্যে আমার ভাই সাহেদ আহমদও আছে।’
দুর্ঘটনার বর্ণনা দিয়ে তিনি বলেন, ‘বিপরীত দিক থেকে আসা ট্রাকটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ডান দিকে এসে আমাদের পিকআপে ধাক্কা দিয়েছিল। ধাক্কা দেওয়ার পর পরই সবাই সড়কে ছিটকে পড়ে যায়। এরপর শুরু হয় লাশের মিছিল। ঘটনাটি দেখে প্রথমে স্থানীয়রা ছুটে আসেন।’
সিলেট মহানগর থেকে পিকআপ ভ্যানে করে প্রায় ৩০ জন নারী-পুরুষ নির্মাণশ্রমিক জেলার ওসমানীনগর উপজেলার গোয়ালাবাজার যাচ্ছিলেন। সকাল সাড়ে ৫টার দিকে দক্ষিণ সুরমার নাজিরবাজার এলাকার কুতুবপুর নামক স্থানে পৌঁছালে মুনশীগঞ্জ থেকে ছেড়ে আসা সিলেটগামী বালুবাহী ট্রাকের সঙ্গে পিকআপের সংঘর্ষ হয়। এতে ১৪ জন নিহত হন। আহত হয়েছেন আরও ১১ জন।









