সিলেটে বন্যার পানি নিষ্কাশন নিয়ে দুই পক্ষের সংঘর্ষের ঘটনায় থানায় মামলা করেছে পুলিশ। সংঘর্ষের সময় পুলিশের ওপর হামলার অভিযোগ এনে জালালাবাদ থানার এসআই রফিকুল ইসলাম বুধবার (১৪ জুন) রাতে অজ্ঞাত ৬০০ জনকে আসামি করে এ মামলা করেন।
এর আগে বুধবার দুপুরে সোনাতলা এলাকার প্রধান সড়কের পানি নিষ্কাশন নিয়ে দুই পক্ষের কথা কাটাকাটি হয়। এর জেরে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এ সময় ৪৪টি রাবার বুলেট এবং ১৪টি টিয়ারশেল নিক্ষেপ করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে পুলিশ ।
বৃহস্পতিবার (১৫ জুন) সন্ধ্যায় এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন জালালাবাদ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাইফুল আলম। তিনি বলেন, সোনাতলা এলাকায় প্রধান সড়কের পানি নিষ্কাশন নিয়ে দুই পক্ষের সংঘর্ষের সময় পুলিশের ওপর হামলা চালানো হয়। এতে চার পুলিশ সদস্য আহত হন। এ ঘটনায় পুলিশ বাদী হয়ে ৬০০ জনকে অজ্ঞাত আসামি করে মামলা করেছে। আসামিদের গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত আছে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সোনাতলা এলাকায় সড়ক খুঁড়ে মাটি রাস্তার পাশে রাখায় বৃষ্টির কারণে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়। ফলে বাসাবাড়িতে পানি প্রবেশ করে। বুধবার সকালে জলাবদ্ধতা নিরসনের দাবিতে স্থানীয় লোকজন সড়ক অবরোধ ও টায়ার জ্বালিয়ে বিক্ষোভ করেন। খবর পেয়ে সিসিক নির্বাচনে আওয়ামী লীগের মেয়র প্রার্থী আনোয়ারুজ্জামান চৌধুরী ঘটনাস্থলে গিয়ে সড়ক ও জনপথ বিভাগের কর্মকর্তাকে ফোন করে পানি নিষ্কাশনের অনুরোধ করেন। কিন্তু দুপুর ২টার দিকে সওজের লোকজন পানি নিষ্কাশনের জন্য সোনাতলা এলাকায় একটি রাস্তা কাটতে গেলে স্থানীয়রা বাধা দেন। বাধা দেওয়াকে কেন্দ্র করে সোনাতলা এলাকাবাসীর সঙ্গে মইয়ারচর, নয়া খুরুমখলা, নাজিরেরগাঁও ও শিমুলতলার লোকজনদের সংঘর্ষ বাধে। এতে পুলিশসহ উভয়পক্ষের ৩০ জন আহত হন। বিকালে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে পুলিশ।









