হবিগঞ্জের বাহুবলের কামাইছড়ায় অস্ত্র ঠেকিয়ে টাকা ছিনতাইয়ের অভিযোগে পুলিশের পিকআপ চালকসহ ৩ জনকে গ্রেফতার করেছে ডিবি পুলিশ। এ সময় ছিনতাইকৃত ৪২ হাজার টাকা উদ্ধার করা হয়েছে। বুধবার বিকেলে এই ঘটনা ঘটে। বাহুবল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোল্লা মনির হোসেন এ তথ্য জানান।
এদিকে, গ্রেফতার পর বাহুবল মডেল থানায় হবিগঞ্জের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার শহিদুল ইসলাম, সহকারী পুলিশ সুপার (সদর দফতর) মাকসুদ মনির ও জেলা গোয়েন্দা পুলিশের ওসি মোশাররফ হোসেন পিপিএম তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করেন।
পুলিশ সূত্র জানায়, বুধবার বিকেলে শ্রীমঙ্গল-হবিগঞ্জ রোডস্থ লাকসাম স্টোরের স্বত্বাধিকারী শান্তিবাগ আবাসিক এলাকার বাসিন্দা রবিউল ইসলাম (৩০) বাহুবল থেকে কয়েক কার্টন সিগারেট নিয়ে একটি সিএনজি অটোরিশসা যোগে তার ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে ফিরছিলেন। ব্যবসায়ী রবিউলকে বহনকারী সিএনজিটি মিরপুর-শ্রীমঙ্গল রোডের কামাইছড়া পাহাড়ে রাবার বাগানের নিকট পৌঁছালে পুলিশের লোক পরিচয়ে একটি মোটরসাইকেল ও একটি সিএনজি অটোরিকশাকে বেরিকেড দিয়ে ৪জনকে জিম্মি করে, ব্যবসায়ীকে নির্জন স্থানে নিয়ে যান। সেখানে তাকে প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে নগদ ৪২ হাজার টাকা ছিনিয়ে নেন। রবিউল ইসলাম এঘটনা শ্রীমঙ্গল থানায় মামলা দায়ের করতে গেলে ঘটনাস্থল শ্রীমঙ্গলের বাইরে হওয়ায় রবিউলকে বাহুবল থানায় যাওয়ার পরামর্শ দেন ওসি। এরপর রবিউল বিকেলে বাহুবল থানায় গিয়ে মৌখিকভাবে ঘটনার বর্ণনা দেন। কিছুক্ষণ পর পুলিশের পিকআপচালক পূলক চক্রবর্তীকে থানায় ডেকে জিজ্ঞাসাবাদ করে আটক করা হয়। তার দেওয়া তথ্যমতে সন্ধ্যায় জেলা গোয়েন্দা পুলিশের একটি দল তার অন্য সহযোগী শিমুল মিয়া ও আকরামসহ বিকাশ এজেন্ট প্রদীপ দেবকে আটক করে থানায় নিয়ে আসেন। জিজ্ঞাসাবাদ শেষে প্রদীপ দেবকে সাক্ষী হিসেবে ছেড়ে দেওয়া হয়।
আরও পড়তে পারেন:
ড. ইউনূস মার্কিন সরকারের কোনও টাকা নেননি: ইউনূস সেন্টার
এদিকে রাত সাড়ে ১০টার দিকে ব্যবসায়ী রবিউল আলম বাদী হয়ে পুলিশসহ ৩ জনের বিরুদ্ধে থানায় একটি মামলা দায়ের করেছেন।
এ ব্যাপারে বাহুবল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোল্লা মনির হোসেন জানান, রাত ১১টার দিকে দায়েরকৃত মামলাটি রেকর্ড করা হয়েছে। তিনি জানান দোষীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
/এমএনএইচ/








