রাজধানীর স্যার জন উইলসন স্কুলের অধ্যক্ষকে রুল বিচারাধীন থাকা অবস্থায় শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে (২০১৬-১৭ শিক্ষাবর্ষ) বর্ধিত কোনও ফি আদায় করা থেকে বিরত থাকতে অন্তর্বর্তীকালীন নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। সোমবার বিচারপতি সৈয়দ মোহাম্মদ দস্তগীর হোসেন ও বিচারপতি এ কে এম সাহিদুল হকের বেঞ্চ এক রিট আবেদনের প্রাথমিক শুনানি নিয়ে এ আদেশ দেন।
এছাড়া, স্যার জন উইলসন স্কুলকে বেসরকারি (ইংরেজি মাধ্যম) বিদ্যালয় নিবন্ধন নীতিমালা-২০০৭ এর আওতায় আনতে কেন নির্দেশ দেওয়া হবে না তাও জানতে চেয়েছে হাইকোর্ট।
শিক্ষা সচিব, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা সচিব, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদফতরের মহাপরিচালক, প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতরের মহাপরিচালক, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানটির অধ্যক্ষ ও ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারম্যানকে চার সপ্তাহের মধ্যে রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে।
রিট আবেদনের যুক্তির বিষয়ে পক্ষের আইনজীবী বলেন, গত ২১ বছর ধরে পরিচালনা পর্ষদ ছাড়াই প্রতিষ্ঠানটি চলছে। ট্রাস্ট্রি বোর্ডের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানের মালিক ভর্তি ফি, বুক ফি ও সেশন ফি নির্ধারণ ও আদায় করেছে, যা বেসরকারি (ইংরেজি মাধ্যম) বিদ্যালয় নিবন্ধন নীতিমালা-২০০৭ এর ৭, ৯, ১৭ ও ২০ ধারার পরিপন্থী।
বর্ধিত ফি ধার্যের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে ৩৩ জন অভিভাবক গত ২৫ মে এই রিট দায়ের করেন। এতে আবেদনকারীদের পক্ষে শুনানি করেন ব্যারিস্টার অনীক আর হক। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল অরবিন্দ কুমার রায়।
উল্লেখ্য, ২০১২ সালে উইলসন স্কুলে একজন শিক্ষার্থীকে স্কুলে ভর্তি হতে এক লাখ ২৭ হাজার ৭৮০ টাকা দিতে হত। চার বছরের ব্যবধানে চলতি শিক্ষাবর্ষে (২০১৬-২০১৭) তা নির্ধারণ করা হয়েছে এক লাখ ৯২ হাজার ৮ টাকা।
আরও পড়ুন: আতঙ্কে পথশিশুরা: থানায় তুলে নিয়ে গিয়ে অপরাধীর ট্যাগ!
/ইউআই/এমও/








