ডাকসু নির্বাচনের দাবিতে শিক্ষার্থীদের মিছিল, শিক্ষকদের বাধা (ভিডিও)

বাংলা ট্রিবিউন রিপোর্ট
২৯ জুলাই ২০১৭, ১৬:৪৪আপডেট : ২৯ জুলাই ২০১৭, ১৭:১৩

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেট অধিবেশনকে কেন্দ্র করে ডাকসু নির্বাচনের দাবিতে শিক্ষার্থীদের একটি মিছিলে শিক্ষকদের বাধা দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এসময় শিক্ষকদের সঙ্গে শিক্ষার্থীদের ধস্তাধস্তির ঘটনা ঘটে বলেও জানা গেছে। শনিবার বিকাল পৌনে ৪টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেট ভবনের সামনে এ ঘটনা ঘটে।

শিক্ষার্থীদের মিছিল (ছবি: সাদিক রেজার ফেসবুক থেকে নেওয়া) জানা যায়, ডাকসু নির্বাচন ছাড়া উপচার্য নির্বাচন অবৈধ, এমন স্লোগানে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা মিছিল নিয়ে সিনেট ভবনের দিকে এগোলে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টরিয়াল বডির সদস্যরা তাদের বাধা দেন। তখন তাদের সঙ্গে শিক্ষার্থীদের বাগ-বিতণ্ডা হয়।

এসময় শিক্ষার্থীদের ঠেকাতে প্রক্টরিয়াল টিম সিনেট ভবনের পূর্ব পাশের গেইটে তালা মেরে দেয়। একপর্যায়ে শিক্ষার্থীরা তালা ভেঙে ভেতরে ঢুকে সিনেট ভবন চত্বরে অবস্থান নেন। পরে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর আমজাদ হোসেন ঘটনাস্থলে এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন।

সিনেট ভবনের গেইটে শিক্ষার্থীরা (ছবি: সাদিক রেজা) এরপর শিক্ষকরা সিনেট ভবনের ভেতরে চলে গেলে শিক্ষার্থীরা ডাকসু নির্বাচনের দাবিতে সিনেট ভবন চত্বরে মানববন্ধন করেন।

প্রক্টর আমজাদ হোসেন বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘ছাত্ররা মিছিল নিয়ে গেইটে এসে গেইট ভাঙার চেষ্টা করছে, এমন খবর পেয়ে আমি ঘটনাস্থলে আসি। এসে দেখি তারা গেইট ভেঙে ফেলেছে। শিক্ষকদের সঙ্গে তাদের ধস্তাধস্তিও হয়, তবে বর্তমানে পরিস্থিতি শান্ত। এখন তারা সিনেট চত্বরে মানববন্ধন করছে। মানববন্ধন শেষে তারা চলে যাবে।’

সিনেট ভবন চত্বরে শিক্ষার্থীদের মানববন্ধন কিন্তু শিক্ষার্থীদের আন্দোলনে বাধা দেওয়া হলো কেন জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘সিনেট ভবনে বিশেষ অতিথিরা রয়েছে। তাদের নিরাপত্তার কথা চিন্তা করে বাধা দেওয়া হয়েছে।’ ধস্তাধস্তিতে কয়েকজন শিক্ষক আহত হয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি।

ডাকসু নির্বাচন ছাড়া সিনেট ও ভিসি নির্বাচন অবৈধ উল্লেখ করে আন্দোলনরত শিক্ষার্থী শামান্তা শারমিন বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘আমাদের আন্দোলনে শিক্ষকরা বাধা দিয়েছে। আমাদের লাঞ্ছিত করা হয়েছে, অনেকেই আহত হয়েছেন। কয়েকজন নারী আন্দোলনকারীকে লাঞ্ছিতও করা হয়েছে।’
 


আরও পড়ুন: ঢাবি’র সিনেট অধিবেশন বসতে বাধা নেই

/আরএআর/এমও/

সম্পর্কিত
সর্বশেষ খবর
বিশ্ব অর্থনীতির সামনে দুই কঠিন পথ, নেপথ্যে ইরান যুদ্ধ ও এআই সংকট
বিশ্ব অর্থনীতির সামনে দুই কঠিন পথ, নেপথ্যে ইরান যুদ্ধ ও এআই সংকট
এবার পল্লবীতে মিললো আরেক নারীর গলিত মরদেহ
এবার পল্লবীতে মিললো আরেক নারীর গলিত মরদেহ
নিখোঁজ ব্যবসায়ীর হাত-পা বাঁধা মরদেহ উদ্ধার
নিখোঁজ ব্যবসায়ীর হাত-পা বাঁধা মরদেহ উদ্ধার
ওপেনএআই’র নতুন বাজি ‘কোডেক্স’
ওপেনএআই’র নতুন বাজি ‘কোডেক্স’
সর্বাধিক পঠিত
ইউএনজিএ’র সভাপতি হিসেবে কী সুবিধা পাবেন খলিলুর রহমান, দায়িত্ব কী  
ইউএনজিএ’র সভাপতি হিসেবে কী সুবিধা পাবেন খলিলুর রহমান, দায়িত্ব কী  
খাবার মুখে দেওয়ার সময় স্বাস্থ্যমন্ত্রীর চামচে ফুঁ দেওয়া লোকটি কে
খাবার মুখে দেওয়ার সময় স্বাস্থ্যমন্ত্রীর চামচে ফুঁ দেওয়া লোকটি কে
চট্টগ্রামে ৬০ কোটি টাকায় আনা জাহাজে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা, বেকায়দায় আমদানিকারক
চট্টগ্রামে ৬০ কোটি টাকায় আনা জাহাজে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা, বেকায়দায় আমদানিকারক
ইউনিটপ্রতি কত বাড়লো বিদ্যুতের দাম
ইউনিটপ্রতি কত বাড়লো বিদ্যুতের দাম
অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে প্রথম দুই ওয়ানডের দল ঘোষণা বাংলাদেশের
অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে প্রথম দুই ওয়ানডের দল ঘোষণা বাংলাদেশের