X
সকল বিভাগ
সেকশনস
সকল বিভাগ

চাকরিক্ষেত্রে সুযোগ কতটুকু মাদ্রাসা শিক্ষার্থীদের

আপডেট : ১৭ জানুয়ারি ২০১৮, ১৯:৫০

মাদ্রাসা শিক্ষার্থী (ছবি- মাহমুদ হোসেন অপু/ঢাকা ট্রিবিউন) কওমি মাদ্রাসার বেশিরভাগ শিক্ষার্থীই বিশ্বাস করেন, তাদের অর্জিত শিক্ষা ইহকালের জন্য নয়, পরকালের জন্য। তাদের কর্মজীব্ন তাই ধর্মীয় শিক্ষা, ধর্মপ্রচার ও ধর্মীয় আচারের মধ্যেই সীমাবদ্ধ।
২০১১ সালে অধ্যাপক আবুল বারকাতের এক গবেষণা প্রতিবেদনে দেখা যায়, সারাদেশে কওমি মাদ্রাসার সংখ্যা ৩৯ হাজার ৬১২। এসব মাদ্রাসায় বিভিন্ন স্তরে পড়ালেখা করছে ৫২ লাখ ৪৭ হাজার ৬৬০ জন্য শিক্ষার্থী। এই বিশালসংখ্যক শিক্ষার্থীর কর্মজীব্ন যেহেতু ধর্মভিত্তিক পেশার মধ্যে সীমাবদ্ধ, তাই সাধারণ শিক্ষায় শিক্ষিত শিক্ষার্থীদের তুলনায় তাদের চাকরিক্ষেত্র অনেকটাই সংকীর্ণ। আর তাদের চাকরিক্ষেত্র সীমিত হওয়ার পেছনের মূল কারণ মূলধারার চাকরির জন্য যেসব মৌলিক দক্ষতা প্রয়োজন সেগুলো শেখানো হয় না কওমি মাদ্রাসার শিক্ষার্থীদের।
তবে মাদ্রাসা শিক্ষার দ্বিতীয় ধারা অর্থাৎ আলিয়া মাদ্রাসার শিক্ষার্থীদের ধর্মভিত্তিক শিক্ষার পাশাপাশি মূল ধারার শিক্ষাব্যবস্থার কিছু কিছু বিষয় পড়ানো হয়। ফলে কওমি মাদ্রাসার শিক্ষার্থীদের তুলনায় আলিয়া মাদ্রাসার শিক্ষার্থীদের চাকরির ক্ষেত্র খানিকটা বিস্তৃত, তবে তা মূলধারার শিক্ষার্থীদের সমান নয়।
সরকার অনুমোদিত আলিয়া মাদ্রাসার সংখ্যা প্রায় ২০ হাজার, এর মধ্যে ছয়টি মাদ্রাসা সরকারি। এসব প্রতিষ্ঠানে প্রায় ৪০ লাখ শিক্ষার্থী পড়ালেখা করছে। মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ড নির্দেশিত ও অনুমোদিত পাঠ্যক্রম ও পাঠ্যসূচি অনুসরণ করে থাকে এসব মাদ্রাসা।
অন্যদিকে, শিক্ষার্থীর সংখ্যায় এগিয়ে থাকা কওমি মাদ্রাসাগুলো নিজস্ব পাঠ্যসূচি অনুসরণ হয়ে থাকে। এদের পাঠ্যপুস্তকও নিজস্ব। এগুলোর সরকারি স্বীকৃতি নেই। এসব মাদ্রাসার বিভিন্ন ডিগ্রির মধ্যে ‘দাওরায়ে হাদিস’ ছাড়া অন্য কোনও ডিগ্রিরও সরকারি স্বীকৃতি নেই।  স্নাতকোত্তর সমমান ‘দাওরায়ে হাদিসে’র সরকারি স্বীকৃতিও মিলেছে সম্প্রতি।
এর আগে, কওমি মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা মাধ্যমিক পর্যায়ে আলিয়া মাদ্রাসা বা সাধারণ শিক্ষাব্যবস্থায় স্থানান্তরিত হয়ে আসতে পারত, যেন চাকরির বাজারে তারা সুযোগ পায়। তবে প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী এবং জুনিয়র স্কুল সার্টিফিকেট বা জুনিয়র দাখিল সার্টিফিকেট পরীক্ষা চালুর হওয়ায় পঞ্চম শ্রেণির পর থেকে কওমি মাদ্রাসার শিক্ষার্থীদের আলিয়া মাদ্রাসা বা সাধারণ শিক্ষাব্যবস্থায় স্থানান্তরিত হওয়ার সুযোগ বন্ধ হয়ে গেছে।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আরবি বিভাগের অধ্যাপক ড. আব্দুল কাদির বলছেন, কওমি মাদ্রাসার পাঠ্যসূচি সময়োপযোগী হয়ে উঠতে পারেনি। বেসরকারিভাবে পরিচালিত এসব মাদ্রাসার কর্তৃপক্ষ তাদের পাঠ্যসূচিতে সংস্কার চায়নি অথবা নিজেদের পাঠ্যসূচিতে সরকারের হস্তক্ষেপ চায়নি বলেই এই সংস্কার হয়নি বলে মনে করছেন তিনি।
অধ্যাপক কাদির বলেন, ‘এর ফলে বছরের পর বছর ধরে এই শিক্ষাব্যবস্থায় কেউ হাত দিতে পারেনি এবং এর স্বীকৃতি মেলেনি।’
কওমি শিক্ষার্থীদের চাকরির ক্ষেত্র সীমিত
কওমি মাদ্রাসাগুলোর দর্শনের লক্ষ্য পরকাল। তাদের কোরান ও হাদিস সম্পর্কে বিস্তারিত পড়ালেখা করতে হয়, যেন তারা এই শিক্ষা দিয়ে ধর্মীয় বিধান মেনে জীবনযাপন করতে পারে এবং পরকালে জান্নাতবাসী হয়। তারা পৃথিবীর বুকে খুব সহজ-সরল জীবনযাপনে বিশ্বাসী। ফলে পৃথিবীতে সাধারণ জীবনযাপনের জন্য যে শিক্ষা ও দক্ষতা প্রয়োজন, সেগুলো কওমি মাদ্রাসার শিক্ষাব্যবস্থায় অবহেলিত।
গাজীপুরের মুন্সিপাড়া হাফিজিয়া মাদ্রাসা ও এতিমখানার অধ্যক্ষ মওলানা রফিকুল আলম বলেন, কওমি মাদ্রাসা ও সাধারণ শিক্ষাব্যবস্থার লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য সম্পূর্ণ আলাদা। যারা আল্লাহ’র কাজ করতে চায়, তারা মাদ্রাসায় পড়তে আসে।’ পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়ার নিয়ম-কানুন কিংবা কোরান শরিফ পড়তে জানা নেই যাদের, তাদের বাসায় গিয়ে এসব বিষয় শেখানোর মাধ্যমে কওমি মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা জীবিকা নির্বাহ করতে পারেন বলে জানান তিনি।
একসময় কওমি মাদ্রাসায় পড়ালেখা করেছেন আব্দুল্লাহ। পরে তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করেন। তিনি বলেন, ‘তারা (কওমি মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা) ইসলামের সেবা করতে চায় এবং ইসলামি পন্থায় জীবনযাপন করতে চায়। বিভিন্ন ধাপ পেরিয়ে তারা মাদ্রাসায় শিক্ষক হিসেবে যোগ দেন, ধর্মপ্রচারের কাজ করেন অথবা বিভিন্ন মসজিদে নামাজ পড়িয়ে থাকেন।’ কওমি মাদ্রাসায় থাকাকালে সেখানকার খুব অল্পসংখ্যক শিক্ষার্থীই আলিয়া মাদ্রাসায় যেতে চাইত বলে জানান তিনি।
জানা গেছে, কওমি মাদ্রাসায় পড়ালেখা শেষ করে খুব অল্পসংখ্যক শিক্ষার্থীই উচ্চ শিক্ষার জন্য মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোতে গিয়ে থাকেন। তাদের কেউ কেউ সেসব দেশেই থেকে যান, কেউ কেউ ফিরে আসেন দেশে। আব্দুল্লাহ বলেন, ‘কওমি মাদ্রাসার ক্ষেত্রে এ ধরনের শিক্ষার্থীদের সংখ্যা খুবই কম। কারণ কওমিতে পড়ালেখা খুব কঠিন। ফলে পূর্ণাঙ্গ আলেম হওয়াটা সহজ নয়। কওমি মাদ্রাসার শিক্ষার্থীদের বড় একটি অংশই মাধ্যমিক স্তর শেষ করার আগেই ঝরে পড়ে।’
কোরান শরিফ পড়ছে কয়েকজন মাদ্রাসা শিক্ষার্থী (ছবি- মাহমুদ হোসেন অপু/ঢাকা ট্রিবিউন) কওমি শিক্ষার্থীদের জীবিকা নির্বাহ হয় কিভাবে?
কওমি শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা বলছেন, কওমি শিক্ষার্থীদের মধ্যে বিভিন্ন মসজিদে ইমাম, মুয়াজ্জিম বা খাদেম হিসেবে কিংবা বিভিন্ন মাদ্রাসায় শিক্ষক হিসেবে কাজ করার উদাহরণই বেশি। তবে ধর্মভিত্তিক এসব কাজে বেতন-ভাতা অত্যন্ত কম হওয়ায় তাদের অনেকেই আর্থিক নিশ্চয়তার জন্য ছোটখাট ব্যবসা করে থাকেন।
যেমন, একজন ইমামের কাজ পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়ানো এবং মুয়াজ্জিনের কাজ পাঁচ ওয়াক্তের নামাজের সময় আজান দেওয়া। কেবল পেশাগত নয়, ধর্মীয় দায়িত্বশীলতা থেকেও তারা এসব করে থাকেন। মসজিদের ইমাম-মুয়াজ্জিনদের বেতন-ভাতা দেওয়া হয় মূলত মসজিদের তহবিল থেকে, যা সংগৃহীত হয় স্থানীয় ধার্মিক ও প্রভাবশালী ব্যক্তিদের দান থেকে।
শহর এলাকায় মসজিদের ইমাম ও খতিবের মাসিক সম্মানী সাধারণত ৫ থেকে ১৫ হাজার টাকার মধ্যে হয়। এসব এলাকায় একজন মুয়াজ্জিনের সম্মানী মাসে সর্বোচ্চ ১০ হাজার টাকা, খাদেমের জন্য সর্বোচ্চ ৫ হাজার টাকা। অন্যদিকে, মসজিদের তহবিলে অল্প টাকা থাকে বলে গ্রাম এলাকায় ইমাম-মুয়াজ্জিনের সম্মানী আরও কম হয়ে থাকে। কোনও কোনও গ্রামে ইমামকে মাসে এক হাজার টাকাও দেওয়া হয়ে থাকে। কোথাও কোথাও আবার কেবল গ্রামবাসীর দেওয়া ধান-চাল দিয়েই সম্মানী দেওয়া হয় ইমাম-মুয়াজ্জিনকে। অবশ্য, তাদের মসজিদ কমিটির পক্ষ থেকে তিন বেলা খাবার দেওয়া হয়। আর মসজিদেই তাদের থাকার ব্যবস্থা করা হয়।
শহরাঞ্চলে বড় বড় মসজিদে জুমার নামাজ পড়িয়ে চার থেকে ২০ হাজার টাকা পর্যন্ত বাড়তি আয়ের সুযোগ থাকে খতিবদের জন্য। ফলে ইমাম-মুয়াজ্জিনদের দৈনন্দিন খরচ মেটানোর জন্য কোরান শিক্ষা দেওয়া, মিলাদ ও দোয়া মাহফিল বা ওয়াজ মাহফিল পরিচালনার কাজ করে থাকেন। মওলানা রফিকুল আলম বলেন, ‘ইমাম-মুয়াজ্জিনদের জন্য বিনামূল্যে থাকা-খাওয়ার ব্যবস্থা থাকায় তারা কোনোমতে চলতে পারেন। তাছাড়া, ইহলৌকিক জীবনে তাদের খুব একটা আগ্রহও নেই।’
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আরবি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক জহিরুল ইসলাম বলেন, ‘ইমামরা মাদ্রাসা ও মসজিদে মহানবীর (সা.) সুন্নত পরিচালনার সঙ্গে যুক্ত। ফলে তারা বেতন-ভাতা বাড়ানোর বিষয়ে উচ্চকণ্ঠ নন। কেউ কেউ লজ্জার খাতিরেও এসব নিয়ে কোনও কথা বলেন না।’
আলিয়া মাদ্রাসায় সুযোগ কিছুটা উন্মুক্ত
আলিয়া মাদ্রাসাগুলোর ডিগ্রি মূলধারার সাধারণ শিক্ষাব্যবস্থার সমতুল্য। তা সত্ত্বেও মূলধারার চাকরিগুলোতে ঢোকার ক্ষেত্রে আলিয়া মাদ্রাসার শিক্ষার্থীদেরও সমস্যার মুখে পড়তে হয়। এইচএসসি সমমান আলিম ডিগ্রি অর্জনের পরই যেন আলিয়া মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা জাতীয় জনবলে যুক্ত হতে পারে, সেই পরিকল্পনা রয়েছে সরকারের। তবে মাদ্রাসা থেকে মেডিক্যাল, ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের মতো বিশেষায়িত শিক্ষার পাশাপাশি বিভিন্ন সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে সাধারণ শিক্ষাব্যবস্থায় আসা শিক্ষার্থীর সংখ্যা এখনও অনেক কম।
আগে, দাখিল ও আলিম স্তরে শিক্ষার্থীদের ১০০ নম্বরের বাংলা ও ১০০ নম্বরের ইংরেজি পড়তে হতো। বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় বিবেচনায় দুই বিষয়েই এখন তাদের ২০০ নম্বর করে পড়তে হয় দাখিল ও আলিম স্তরে। তবে ঢাবি শিক্ষক জহিরুল ইসলাম বলছেন, ইংরেজ-বাংলায় নম্বর বাড়লেও তাদের সার্বিক পাঠ্যক্রমে তেমন কোনও সংস্কার হয়নি।
বাংলাদেশের মাদ্রাসাগুলো থেকে একসময় হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দীর মতো বিখ্যাত নেতা এবং মোহাম্মদ খুদরত-ই-খুদার মতো বিখ্যাত বিজ্ঞানী বেরিয়ে এসেছে। সেই মাদ্রাসাগুলো এখন আর ভালো শিক্ষার্থী তৈরি করতে পারছে না।
মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা এখন আর ইসলামি শিক্ষায় নিজেদের কর্মজীবন গড়তে মনোযোগী নয়। আলিম পাস করার পর অনেক শিক্ষার্থীই এখন বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হয়ে সাধারণ শিক্ষার ধারায় চলে আসে। তবে তাদের বড় একটি অংশ আবার আরবি বা ইসলাম শিক্ষার মতো বিষয়গুলোকে প্রাধান্য দিয়ে থাকে। ধর্মীয় আচার তাদের দৈনন্দিন জীবনে বড় ভূমিকা রাখে। আবার, মাদ্রাসা থেকে পড়ালেখা করে বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হওয়া মূলধারার চাকরি ক্ষেত্রে ঢোকা অনেকের মধ্যেই সেই ধর্মীয় আচার থেকে দূরে সরে আসার ঘটনাও জানা যায়।
সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর ভর্তি পরীক্ষায় এখন আলিয়া মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা বেশ ভালো করে। বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের মধ্যেও এখন অনেকেই রয়েছেন, যারা মাদ্রাসা থেকে এসেছেন। আবার মাদ্রাসা শিক্ষার্থীদের মধ্যে যারা আলেম হতে চান, তারা ইসলামি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে ভর্তি হন এবং ধর্মমনস্ক সম্প্রদায়ের নেতৃত্বে উঠে আসেন তারা।
অনেক সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে মাদ্রাসা শিক্ষার্থীদের জন্য আরবি, আল-কোরান, দাওয়া ও হাদিস বা ফিকাহ’র মতো বিষয় রয়েছে। এসব বিষয়ে প্রতিবছর হাজার হাজার শিক্ষার্থী ডিগ্রি পাচ্ছেন।
মাদ্রাসা শিক্ষার্থীদের চাকরি ক্ষেত্র প্রসঙ্গে মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক এ কে এম সায়েফ উল্যা বলেন, সরকারি কর্ম কমিশনসহ বিভিন্ন চাকরির পরীক্ষায় তাদের শিক্ষার্থীরা ভালো করছেন। তিনি বলেন, ‘বিসিএস পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে আমাদের অনেক শিক্ষার্থী প্রশাসন বা পুলিশ ক্যাডারে যোগ দিয়েছে। আমরা এখন বিজ্ঞানে জোর দিচ্ছি, যা আইটি খাতেও বিশেষজ্ঞ জনবল তৈরিতে সহায়তা করছে।’
(ঢাকা ট্রিবিউনে মাদ্রাসা শিক্ষাব্যবস্থা নিয়ে ছয় পর্বের ধারাবাহিকের দ্বিতীয় পর্ব। তৃতীয় পর্ব পড়ুন আগামীকাল)
প্রথম পর্ব: আট কিলোমিটারে ৬৮ মাদ্রাসা!

/টিআর/
বাংলা ট্রিবিউনের সর্বশেষ
বাসের ধাক্কায় অটোরিকশার চালকসহ নিহত ২
বাসের ধাক্কায় অটোরিকশার চালকসহ নিহত ২
বাণিজ্যমন্ত্রীর অপসারণ চান বাম নেতারা
বাণিজ্যমন্ত্রীর অপসারণ চান বাম নেতারা
সুইডেনের ন্যাটো সদস্য হওয়ার পরিকল্পনায় বাধা দেবে তুরস্ক
সুইডেনের ন্যাটো সদস্য হওয়ার পরিকল্পনায় বাধা দেবে তুরস্ক
সুনামগঞ্জে বন্যা পরিস্থিতির অবনতি, পানিবন্দি হাজারও মানুষ
সুনামগঞ্জে বন্যা পরিস্থিতির অবনতি, পানিবন্দি হাজারও মানুষ
এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত
বাস্তব শিক্ষার সঙ্গে শিক্ষার্থীদের সম্পৃক্ত করার আহ্বান শিক্ষা উপমন্ত্রীর
বাস্তব শিক্ষার সঙ্গে শিক্ষার্থীদের সম্পৃক্ত করার আহ্বান শিক্ষা উপমন্ত্রীর