পাবলিক পরীক্ষার সময় কোচিং খোলা রাখার আবদার জানিয়েছে কোচিং মালিকদের সংগঠন অ্যাসোসিয়েশন অব শ্যাডো এডুকেশন বাংলাদেশ (অ্যাসেব)। রবিবার (১২ জানুয়ারি) অ্যাসেব কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলন করে এই দাবি জানান তারা। পাবলিক পরীক্ষা ও ভর্তি পরীক্ষার সময় কোচিং সেন্টার বন্ধ রেখে প্রশ্ন ফাঁস বন্ধে সরকার সফল হলেও পরীক্ষার সময় কোচিং খেলা রাখতে গত বছরও আবদার জানিয়েছিল অ্যাসেব।
সংবাদ সম্মেলনে অ্যাসেব-এর আহ্বায়ক মো. ইমাদুল হক বলেছেন, ‘ছায়া শিক্ষা প্রতিষ্ঠান’ বন্ধ রাখার সাথে প্রশ্নফাঁসের সম্পর্ক নেই। ফলে আমরা বলতেই পারি প্রশ্নফাঁসের জন্য আমাদের প্রতিষ্ঠানগুলো বন্ধ রাখার কোনও যৌক্তিকতা নেই। তিনি আরও বলেন, ‘বর্তমান সরকারের হাত ধরে শিক্ষা খাতে আমরা বিভিন্ন বাধা অতিক্রম করতে পারলেও বর্তমান দশকে শিক্ষাক্ষেত্রে একটি সমস্যা আমাদের অনেক ভুগিয়েছে, সেটা হলো প্রশ্নফাঁস। বিভিন্ন ধরনের প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিভিন্ন সময়ে প্রশ্নপত্র ফাঁস হয়েছে। এই প্রশ্ন ফাঁস ঠেকাতে সরকার বিভিন্ন পদক্ষেপ নিয়েছে। তার মধ্যে সব কোচিং সেন্টার বন্ধ রাখাও একটি। যদিও প্রশ্ন তৈরি, বিতরণ, সরবরাহ কোনও প্রক্রিয়ার সঙ্গেই কোচিং সেন্টার জড়িত না।’
শিক্ষামন্ত্রী কাছে অনুরোধ জানিয়ে তিনি বলেন, ‘বৃহত্তর স্বার্থে ছায়াশিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোকে একটা সুনির্দিষ্ট নীতিমালার মধ্যে নিয়ে আসা হোক যাতে পাবলিক পরীক্ষার সময়ও বন্ধ রাখতে না হয়। এতে করে বৈষম্য কমে যাবে, শিক্ষার্থীরা ক্ষতিগ্রস্থ হবে না। মেধাবী তরুণরাও এই সেক্টরে আসতে উৎসাহিত হবে। ছায়াশিক্ষা এন্টারপ্রেনারশিপের অনেক ভাল একটা ক্ষেত্র হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।’
সংবাদ সম্মেলনে আরও ছিলেন সংগঠনটির যুগ্ম আহ্বায়ক মাহমুদুল হাসান সোহাগ, যুগ্ম আহ্বায়ক শামসেয়ারা খান ডলি, মাহবুব আরেফিন, আকমল হোসাইন, পলাশ সরকার প্রমুখ।








