শিক্ষার্থীদের নিয়ে হঠকারী সিদ্ধান্ত নেওয়ার সুযোগ নেই: শিক্ষামন্ত্রী

বাংলা ট্রিবিউন রিপোর্ট
৩০ জুন ২০২১, ২০:০০আপডেট : ৩০ জুন ২০২১, ২০:৫৫

শিক্ষার্থীদের নিয়ে হঠকারী সিদ্ধান্ত নেওয়ার সুযোগ নেই বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি। তিনি বলেন, ‘শিক্ষার্থীদের স্কুলে ফিরিয়ে নিয়ে যাওয়ার বিষয়টিতে বিজ্ঞানসম্মতভাবে সিদ্ধান্ত নিতে হবে।’ বুধবার ক্রাইম রিপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ক্র্যাব) আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে এ কথা বলেন তিনি।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘শিক্ষার্থীদের স্কুলে ফিরিয়ে নিয়ে যাওয়ার বিষয়ে বিজ্ঞানসম্মতভাবে সিদ্ধান্ত নিতে হবে। কেউ বললো, আর সেই অনুযায়ী ঢালাওভাবে সিদ্ধান্ত নিলাম সেটা হয় না। কোটি কোটি শিক্ষার্থীদের নিয়ে হঠকারী সিদ্ধান্ত নেওয়ার সুযোগ নেই। আমাদের জাতীয় পরামর্শক কমিটি রয়েছে।’

দীপু মনি বলেন, ‘মনে রাখতে হবে উন্নত বিশ্বে প্রতিটি শ্রেণিকক্ষে ২০/২৫ জনের বেশি শিক্ষার্থী থাকে না। আমাদের এখানে শিক্ষার্থীর সংখ্যা অত্যধিক বেশি। কোনোভাবেই স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার সুযোগ নেই। সে জায়গায় আমরা কিছুতেই ঝুঁকি নিতে পারি না। আরেকটি বিষয় হলো—এখন অনেকেই বলেন শিক্ষার্থীরা করোনা আক্রান্ত হয় না। শিক্ষার্থীদের মধ্যে সিমটম কম, কিন্তু বিশেষজ্ঞরা বলেন—শিক্ষার্থীরা সংক্রমণ ছড়াতে পারে। তারা যদি স্কুলে আসে, বাড়িতে গিয়ে বাবা-মা, আত্মীয়-স্বজন ও বয়স্কদের মধ্যে ছড়াতে (করোনাভাইরাস) পারে। তাদের সংক্রমিত করলে ভয়াবহ পরিস্থিতি সৃষ্টি হবে।’

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘অনেকেই বলেন—বাচ্চারা তো বাইরে ঘোরাফেরা করে, তাহলে স্কুলে কেন নয়? বাইরে যত্রতত্র ঘুরে আর স্কুলে নিয়ে ঠাসাঠাসি ও গাদাগাদি করে ক্লাস নেওয়া এক কথা নয়, অনেক তফাৎ। শিক্ষার্থীদের বাইরে যত্রতত্র ঘুরে বেড়ানোর কথা নয়। হয়তো বাবা-মা তাদের কথাটা শোনাতে পারছেন না। কিন্তু জেনেশুনে দায়িত্বশীল হয়ে এই গাদাগাদি ঠাসাঠাসির মধ্যে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে নিয়ে এসে শিক্ষার্থীদের সংক্রমিত করা এটি কোনোভাবে সচেতনতার পরিচয় হতে পারে না। এই বৈশ্বিক সমস্যার মধ্যে যতটুকু সম্ভব, তাদের সুস্থতার বিষয়টি নজর রেখে আমরা বিষয়টি দেখবার চেষ্টার করছি। এখানে কারিকুলাম সংক্ষিপ্তকরণ থেকে শুরু করে বিকল্প পদ্ধতি, বিকল্প মূল্যায়ন পদ্ধতি সবটা নিয়েই আমরা কাজ করছি।’

শিক্ষামন্ত্রী জানান, করোনা শুরুর ঠিক আগে এসএসসি (২০২০) পরীক্ষা শেষ হয়েছিল। করোনার মধ্যে খুব কষ্ট করে এসএসসির ফলাফল দিয়েছি। এইচএসসি পরীক্ষার আগে আগে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ করা হয়েছিল। জেএসসি ও এসএসসির ফলাফল দেওয়া হয়েছে। সুতরাং আমরা যা করছি বিজ্ঞানসম্মতভাবেই করছি। শিক্ষার্থীদের স্বাস্থ্যঝুঁকির বিষয়ে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়েই আমরা কাজ করছি।

 

/এসএমএ/এফএএন/এমওএফ/
সম্পর্কিত
সর্বশেষ খবর
মন্ত্রিত্ব ছাড়া দীপেন দেওয়ান লিখলেন ‘বিএনপি আমার শেষ ঠিকানা’
মন্ত্রিত্ব ছাড়া দীপেন দেওয়ান লিখলেন ‘বিএনপি আমার শেষ ঠিকানা’
গৃহবধূকে ধর্ষণ, ছাত্রদল নেতা গ্রেফতার
গৃহবধূকে ধর্ষণ, ছাত্রদল নেতা গ্রেফতার
রাতে মেট্রোরেল চলাচলের সময় বাড়ছে
রাতে মেট্রোরেল চলাচলের সময় বাড়ছে
পঞ্চগড়ে ভাগনিকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ ও মামিকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে মামলা
পঞ্চগড়ে ভাগনিকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ ও মামিকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে মামলা
সর্বাধিক পঠিত
ইউএনজিএ’র সভাপতি হিসেবে কী সুবিধা পাবেন খলিলুর রহমান, দায়িত্ব কী  
ইউএনজিএ’র সভাপতি হিসেবে কী সুবিধা পাবেন খলিলুর রহমান, দায়িত্ব কী  
করদাতাদের জন্য ‘মাস্টারপ্ল্যান’, ২০৩১ পর্যন্ত করমুক্ত আয়ের সীমা কত হচ্ছে জানুন
করদাতাদের জন্য ‘মাস্টারপ্ল্যান’, ২০৩১ পর্যন্ত করমুক্ত আয়ের সীমা কত হচ্ছে জানুন
খাবার মুখে দেওয়ার সময় স্বাস্থ্যমন্ত্রীর চামচে ফুঁ দেওয়া লোকটি কে
খাবার মুখে দেওয়ার সময় স্বাস্থ্যমন্ত্রীর চামচে ফুঁ দেওয়া লোকটি কে
ইউনিটপ্রতি কত বাড়লো বিদ্যুতের দাম
ইউনিটপ্রতি কত বাড়লো বিদ্যুতের দাম
বাড়লো বিদ্যুতের দাম
বাড়লো বিদ্যুতের দাম