শিক্ষার্থীদের লাইফলং লার্নিং মেন্টালিটি রাখতে হবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা উপমন্ত্রী ব্যারিস্টার মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল। ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলোজি চিটাগাং (ইউএসটিসি) এর ৫ম সমাবর্তনে তিনি এ কথা বলেন।
রাষ্ট্রপতি ও চ্যান্সেলর মো. সাহাবুদ্দিনের প্রতিনিধি হিসেবে বুধবার (৩ মে) বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন নওফেল।
সমাবর্তন বক্তা ছিলেন,মাল্টিমিডিয়া ইউনিভার্সিটি মালয়েশিয়ার প্রেসিডেন্ট অধ্যাপক দাতো ড. মাজলিহাম মো. সুউদ।
সমাবর্তনে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ অ্যাক্রেডিটেশন কাউন্সিলের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মেজবাহউদ্দিন আহমেদ, বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি) থেকে সম্মানিত সদস্য অধ্যাপক ড. মো. সাজ্জাদ হোসেইন এবং অধ্যাপক ড. বিশ্বজিৎ চন্দ। উপস্থিতি ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. জাহাঙ্গীর আলম, উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. নওশাদ আমিন ও রেজিস্ট্রার দিলীপ বড়ুয়া।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে নওফেল বলেন, ‘এখন গতানুগতিক গ্রাজুয়েশন এবং পোস্ট গ্রাজুয়েশন করে বর্তমান প্রেক্ষাপটে পড়াশোনা শেষ এটা ভাবলে হবে না, আপনাদেরকে লাইফলং লার্নিং মেন্টালিটি রাখতে হবে। কর্মমুখী শিক্ষা নিতে হবে, প্রযুক্তি ব্যবহার শিখতে হবে এবং ভাষাগত কমিউনিকেশনে দক্ষতা অর্জন করতে হবে। তবেই আপনি নিজের জীবনে সফল হতে পারবেন এবং প্রধানমন্ত্রীর স্মার্ট বাংলাদেশের গড়ার লক্ষ্য বাস্তবায়ন করতে পারবেন। আমি এমন অনেক সফল চাকরিজীবী এবং বড় উদ্যোগ থেকে দেখেছি যারা প্রযুক্তি নিয়ে পড়াশোনা করেনি কিন্তু ব্যক্তিগত উদ্যোগে প্রযুক্তি নিয়ে জ্ঞান অর্জন করার ফলে কর্মক্ষেত্রে সফল হয়ে উঠেছে। তাই আজকে আপনাদের উদ্দেশ্যে আমার একটি উপদেশ আপনারা প্রযুক্তি বিষয়ক দক্ষতা অর্জন করুন। তবেই আপনারা ফিউচার জব মার্কেটে জন্য সবসময় প্রস্তুত থাকতে পারবেন।’
ইউএসটিসি’র এবারের সমাবর্তনের জন্য রেজিস্ট্রেশন করেন এক হাজার ৫৬৫ জন শিক্ষার্থী এবং মোট ৮৪ জন গ্রাজুয়েটকে স্বর্ণপদক দেওয়া হয়েছে।
উল্লেখ্য, জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ব্যক্তিগত চিকিৎসক ও চিকিৎসা বিজ্ঞানী জাতীয় অধ্যাপক প্রয়াত ডা. নুরুল ইসলাম ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি চিটাগাং (ইউএসটিসি) প্রতিষ্ঠিত করেন। ১৯৮৯ সালের ১৩ মে থেকে প্রথম সূচনা করে ইউএসটিসি তখন থেকে বাংলাদেশের শিক্ষা ব্যবস্থা এবং অর্থনীতিতে ভূমিকা রাখার প্রত্যয়ে কাজ করে যাচ্ছে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানটি।









