সেসিপ কর্মকর্তাদের বিক্ষোভ, রাজস্ব খাতে না নিলে ইএমআইএস বন্ধের হুমকি

বাংলা ট্রিবিউন রিপোর্ট
১৯ আগস্ট ২০২৪, ১৮:০৫আপডেট : ১৯ আগস্ট ২০২৪, ১৮:১৬

মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদফতর বাস্তবায়নাধীন সেকেন্ডারি এডুকেশন সেক্টর ইনভেস্টমেন্ট প্রোগ্রামের (সেসিপ) সরাসরি নিয়োগ করা ১ হাজার ১৮৭টি পদ জনবলসহ রাজস্ব খাতে স্থানান্তর করে বৈষম্য দূর করতে বিক্ষোভ করেছেন কর্মকর্তা-কর্মচারীরা।

সোমবার (১৯ আগস্ট) দুপুরে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদফতরের ভেতরে ঢুকে তারা বিক্ষোভ করেন। এক পর্যায়ে ইলেক্ট্রনিক ম্যানেজমেন্ট ইনফরমেশন সিস্টেম (ইএমআইএস) বন্ধ করে দেওয়ার হুমকি দেন তারা।

বিক্ষাভের সময় ‘আর নয় প্রকল্প, আমরা চাই রাজস্ব’ স্লোগান দিয়ে এক দফা দফা দাবি করেন মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসারসহ সেসিপ প্রকল্পে নিয়োগ পাওয়া কর্তকর্তারা।

বিক্ষোভ চলাকালে সেসিপ কর্মকর্তা-কর্মচারী কল্যাণ পরিষদ কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি ও বাড্ডা থানা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার মো. আব্দুল হাকিম বলেন, ২০০৭ সালে রাজস্ব খাতে নেওয়ার কথা ছিল। কিন্তু লুটপাটের উদ্দেশে প্রকল্পে রেখে সাত বছর ধরে মেয়াদ বৃদ্দি করা হয়েছে। রাজস্ব খাতে স্থানান্তর করলে লুটপাট করা যায় না, সে কারণেই আমাদের প্রকল্পে রাখা হয়েছে। আমরা স্থায়ী প্রকৃতির কাজ করছি। সরকারের একটি মহলের হাজার হাজার কোটি টাকা লুটপাটের উদ্দেশ্যে প্রকল্পের মেয়াদ বাড়ানো হচ্ছে, কিন্তু রাজস্ব খাতে নেওয়া হচ্ছে না। বার বার প্রকল্পের নামে দুর্নীতি হচ্ছে। ১১৮৭ জনের বাই নেমে পদ সৃষ্টি হলেও দেবো-দিচ্ছি বলে দেওয়া হচ্ছে না। বিগত সরকারের ১৬টি বছর আমরা প্রবঞ্চনার শিকার হয়েছি। এই অবস্থা থেকে আমরা মুক্তি চাচ্ছি। জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় পদ সৃষ্টির অনুমোদন দিয়েছে। কিন্তু অযৌক্তিক কারণ দেখিয়ে অর্থ বিভাগে আটকে রেখে বার বার প্রকল্পের মেয়াদ বাড়ানো হয়েছে। বলা হচ্ছে মামলার কারণে দেওয়া যাচ্ছে না। অথচ আমাদের কোনও মামলা নেই। অর্থ মন্ত্রণালয়ের শর্ত আমাদের জন্য প্রযোজ্য নয় বলে শিক্ষা মন্ত্রণালয় প্রস্তাব পাঠালেও অর্থ বিভাগ তা অনুমোদন দিচ্ছে না।

কর্মকর্তারা বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়তে শিক্ষায় বৈষম্য দূর করতে সেকেন্ডারি এডুকেশন সেক্টর ইনভেস্টমেন্ট প্রোগ্রামের (সেসিপ) সরাসরি নিয়োগপ্রাপ্ত ১ হাজার ১৮৭ জনকে রাজস্ব খাতে স্থানান্তর করে বৈষম্য দূর করার দাবি জানান।

অবস্থান কর্মসূচি পালন করা কর্মকর্তারা জানান, সরকার ও এডিবি’র  যৌথ অর্থায়নে ২০০১ থেকে ২০০৭ মেয়াদে সেকেন্ডারি এডুকেশন সেক্টর ইমপ্রুভমেন্ট প্রজেক্ট (সেসিপ), ফলোআপ প্রজেক্ট হিসাবে ২০০৭ থেকে ২০১৪ মেয়াদে সেকেন্ডারি এডুকেশন সেক্টর ডেভেলপমেন্ট প্রজেক্ট (এসইডিপি) সফলভাবে বাস্তবায়িত হয়। পরবর্তীতে এসইডিপির সব কার্যক্রমের ধারাবাহিকতায় ২০১৪ থেকে সেকেন্ডারি এডুকেশন সেক্টর ইনভেস্টমেন্ট প্রোগ্রাম (সেসিপ) বাস্তবায়িত হচ্ছে, যা সাত বার বৃদ্ধি পেয়ে ২০২৪ সালের ডিসেম্বরে শেষ হবে।

এর আগে রবিবার (১৮ আগস্ট) শিক্ষা ভবনের সামনে অবস্থান কর্মসূচি পালন করে প্রকল্প থেকে তাদের চাকরি রাজস্ব খাতে স্থানান্তরের দাবি জানান তারা।

/এসএমএ/আরআইজে/
সম্পর্কিত
তোপের মুখে অফিস ত্যাগ করলেন সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালের পরিচালক
ইসলামী ব্যাংকের চেয়ারম্যানের পদত্যাগসহ ৭ দাবিতে আজও বিক্ষোভ 
এবার রুমিন ফারহানার বিরুদ্ধে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ হেফাজতের
সর্বশেষ খবর
বিএনপির কর্মী খুন, জামায়াত নেতাসহ ১২ জনের বাড়িতে হামলা-ভাঙচুর
বিএনপির কর্মী খুন, জামায়াত নেতাসহ ১২ জনের বাড়িতে হামলা-ভাঙচুর
মন্ত্রিত্ব ছাড়া দীপেন দেওয়ান লিখলেন ‘বিএনপি আমার শেষ ঠিকানা’
মন্ত্রিত্ব ছাড়া দীপেন দেওয়ান লিখলেন ‘বিএনপি আমার শেষ ঠিকানা’
গৃহবধূকে ধর্ষণ, ছাত্রদল নেতা গ্রেফতার
গৃহবধূকে ধর্ষণ, ছাত্রদল নেতা গ্রেফতার
রাতে মেট্রোরেল চলাচলের সময় বাড়ছে
রাতে মেট্রোরেল চলাচলের সময় বাড়ছে
সর্বাধিক পঠিত
ইউএনজিএ’র সভাপতি হিসেবে কী সুবিধা পাবেন খলিলুর রহমান, দায়িত্ব কী  
ইউএনজিএ’র সভাপতি হিসেবে কী সুবিধা পাবেন খলিলুর রহমান, দায়িত্ব কী  
করদাতাদের জন্য ‘মাস্টারপ্ল্যান’, ২০৩১ পর্যন্ত করমুক্ত আয়ের সীমা কত হচ্ছে জানুন
করদাতাদের জন্য ‘মাস্টারপ্ল্যান’, ২০৩১ পর্যন্ত করমুক্ত আয়ের সীমা কত হচ্ছে জানুন
খাবার মুখে দেওয়ার সময় স্বাস্থ্যমন্ত্রীর চামচে ফুঁ দেওয়া লোকটি কে
খাবার মুখে দেওয়ার সময় স্বাস্থ্যমন্ত্রীর চামচে ফুঁ দেওয়া লোকটি কে
ইউনিটপ্রতি কত বাড়লো বিদ্যুতের দাম
ইউনিটপ্রতি কত বাড়লো বিদ্যুতের দাম
বাড়লো বিদ্যুতের দাম
বাড়লো বিদ্যুতের দাম