উত্তরা ইউনিভার্সিটির ৯ম সমাবর্তন অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার (২৫ জানুয়ারি) বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে সমাবর্তন অনুষ্ঠিত হয়।
বিশ্ববিদ্যালয়ের আচার্য ও রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের পক্ষে তার প্রতিনিধি হিসেবে শিক্ষা উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী (প্রতিমন্ত্রীর পদমর্যাদা) অধ্যাপক ড. এম আমিনুল ইসলাম সমাবর্তন অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন।
সমাবর্তনে বক্তা হিসেবে ছিলেন গ্রামীণ ব্যাংকের চেয়ারম্যান ও নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. আবদুল হান্নান চৌধুরী। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) সদস্য অধ্যাপক ড. মো. আনোয়ার হোসেন। নবম সমাবর্তনে বক্তব্য রাখেন, ইউনিভার্সিটির উপাচার্য অধ্যাপক ড. ইয়াসমীন আরা লেখা ও ইউনিভার্সিটির উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. গৌর গোবিন্দ গোস্বামী।
সমাবর্তনে উপস্থিত সব অতিথিদের ধন্যবাদ জানান ইউনিভার্সিটির রেজিস্টার কাজী মহিউদ্দিন।
শিক্ষার্থীদের উচ্চশিক্ষা অর্জনের পাশাপাশি বিভিন্ন ধরনের সফট স্কিল, মূল্যবোধ ও ভাষা অর্জনের তাগিদ দিয়ে ড. এম আমিনুল ইসলাম বলেন, ‘গবেষণা এবং উচ্চশিক্ষার মানোন্নয়নে উত্তরা ইউনিভার্সিটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। এ বিশ্ববিদ্যালয় বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ নেতৃত্ব গঠনে দক্ষ ও যোগ্য গ্র্যাজুয়েট তৈরি করবে।’
নতুন গ্র্যাজুয়েটদের উদ্দেশে অধ্যাপক ড. মো. আনোয়ার হোসেন বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অর্জিত জ্ঞান ও দক্ষতা শুধু ব্যক্তি বা পরিবারের সমৃদ্ধির জন্য নয় বরং দেশ, জাতি তথা সমাজের উন্নয়নেও কাজ করতে হবে আপনাদের।
পরিবার ও শিক্ষকদের কাছ থেকে অর্জিত জ্ঞান, মেধা ও মনন দেশমাতৃকার কল্যাণে কাজে লাগানোর আহ্বান জানান সমাবর্তন বক্তা অধ্যাপক ড. আবদুল হান্নান চৌধুরী। তিনি বলেন, প্রচুর অধ্যবসায়, পরিশ্রম ও কাজের প্রতি ভালোবাসা থাকলে কর্মক্ষেত্রে সফলতা আসবেই।
সমাবর্তনে ডিগ্রি প্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের অভিনন্দন জানিয়ে উত্তরা ইউনিভার্সিটির উপাচার্য অধ্যাপক ড. ইয়াসমীন আরা লেখা বলেন, ‘আপনারা আগামী দিনের এ বিশ্ববিদ্যালয় ও দেশের প্রতিনিধিত্ব করবেন। তাই সততা, নৈতিকতা ও দেশপ্রেমের মন্ত্রে উজ্জীবিত হয়ে একটি আদর্শ সমাজ গঠনে ভূমিকা রাখতে হবে।
সমাবর্তন অনুষ্ঠানে ৩ হাজার ৪৯৭ জন শিক্ষার্থীকে গ্রাজুয়েশন ও পোস্ট গ্রাজুয়েশন ডিগ্রি এবং কৃতিত্বপূর্ণ ফলাফলের জন্য দুই জন শিক্ষার্থীকে চ্যান্সেলর স্বর্ণপদক ও ৩৫ জনকে শিক্ষার্থীকে ট্রাস্টি, ভিসি ও ডিন পদক দেওয়া হয়।
উত্তরা ইউনিভার্সিটির সমাবর্তনে আরও উপস্থিত ছিলেন— বিশ্ববিদ্যালয়ের বোর্ড অব ট্রাস্টিজের চেয়ারম্যান ও প্রতিষ্ঠাতা উপাচার্য অধ্যাপক ড. এম আজিজুর রহমান, বুদ্ধিজীবী, রাষ্ট্রের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা, বিভিন্ন বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের বোর্ড অব ট্রাস্টিজের সদস্য, সরকারি ও বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য, উপ-উপাচার্য, সামরিক ও বেসামরিক কর্মকর্তা, বিশ্ববিদ্যালয়টির সব অনুষদের ডিন, বিভাগীয় প্রধান, শিক্ষক-শিক্ষিকা, কর্মকর্তা-কর্মচারীরা।
বাংলাদেশের পপ সংগীত ব্যান্ড ‘ওয়ারফেজ’র মনোজ্ঞ পরিবেশনার মধ্য দিয়ে উত্তরা ইউনিভার্সিটির নবম সমাবর্তন অনুষ্ঠান শেষ হয়।









