এক মামলায় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৩২ হাজার প্রধান শিক্ষকের পদ শূন্য হয়ে রয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতরের (ডিপিই) মহাপরিচালক আবু নূর মো. শামসুজ্জামান।
তিনি বলেন, ‘দীর্ঘদিনের এই মামলা নিষ্পত্তি হচ্ছে না। এই মামলা শেষ হলে প্রাথমিকের প্রধান শিক্ষক পদে ৩২ হাজার সহকারী শিক্ষকদের পদোন্নতি দেওয়া যাবে। একইসঙ্গে সমসংখ্যক সহকারী শিক্ষক পদে শিক্ষক নিয়োগ দেওয়া সম্ভব হবে। এই অবস্থায় শিক্ষার মানোন্নয়ন বাধাগ্রস্ত হচ্ছে।’
‘প্রাথমিক স্তরে শিক্ষায় শিক্ষার্থী-কেন্দ্রিক শিখন পদ্ধতি’ বিষয়ক এক মতবিনিময় সভায় এসব তথ্য জানান প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতরের (ডিপিই) মহাপরিচালক আবু নূর মো. শামসুজ্জামান।
সোমবার (২৯ ডিসেম্বর) ঢাকার আগারগাঁওয়ে বাংলাদেশ পর্যটন কর্পোরেশন ভবনে এই মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানটি যৌথভাবে গণসাক্ষরতা অভিযান এবং নেটজ বাংলাদেশ আয়োজন করে।
প্রসঙ্গত, দেশের সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৩২ হাজার প্রধান শিক্ষকের শূন্য পদে পদোন্নতি দেওয়া যাচ্ছে না মামলা নিষ্পত্তি না হওয়ায়। উচ্চ আদালতের মাধ্যমে এই মামলা নিষ্পত্তি হলে ৩২ হাজার প্রধান শিক্ষক পদে সহকারী শিক্ষককে পদোন্নতি দেওয়া যাবে। আর ৩২ হাজার সহকারী শিক্ষকদের পদোন্নতি দিলে নতুন করে সহকারী শিক্ষক নেতুন করে নিয়োগ দেওয়া যাবে। বিগত সরকারের সময় থেকে এখন পর্যন্ত এই মামলা ঝুলে আছে।
মহাপরিচালক বলেন, ‘বিগত কয়েক বছর ধরে এই মামলাটি নিষ্পত্তির চেষ্টা করছি। মামলা নিষ্পত্তি করা যাচ্ছে না। বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকারের সময়েও চেষ্টা করে মামলা নিষ্পত্তি করতে পারিনি।









