কুষ্টিয়ার কুমারখালির ছেঁউড়িয়ার লালন আখড়াবাড়িতে শেষ হলো বাউল-সাধুদের মিলনমেলা ‘লালন স্মরণোৎসব’।
শুক্রবার (২ মার্চ) দুপুরে রীতি অনুযায়ী মশলাবিহীন তরকারি, সাদা ভাত আর দই মিষ্টি দিয়ে পূর্ণ সেবা নিয়ে বাউল ফকিররা ফিরতে শুরু করেছেন যার যার গন্তব্যে। বিদায়ের আগে সাঁইজির ধামের পরিবেশ ভারী হয়ে ওঠে।
লালন সাধক রেহেনা জানালেন, লালনের এ ধামে আসলেই মনের সকল কলুষতা দূর হয়। তাই আবারও এখানে আসবেন তিনি।
লালন সাধক হৃদয় শাহ বলেন, ‘লালন সাধকরা বিশ্বাস করেন তাদের সবকিছুর অনুপ্রেরণা গুরু। গুরুকে ভজে পরমাত্মার সন্ধান করে ফিরি। সেই গুরুকে ভক্তি জানিয়ে বিদায় নেন শিষ্যরা।’
লালন মাজারের প্রধান খাদেম মহম্মদ আলী শাহ বলেন, ‘স্মরণোৎসবে যোগ দিয়ে ধন্য হয়েছেন বাউলরা। সাঁইজির আখড়াবাড়িতে ইতোমধ্যে সাধুরা তাদের নিজ নিজ গন্তব্যে রওনা দিয়েছেন।’
প্রসঙ্গত, গত ১লা মার্চ বৃহস্পতিবার লালন একাডেমি ও কুষ্টিয়া জেলা প্রশাসনের আয়োজনে ও সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের সহযোগিতায় শুরু হয় লালন স্মরণোৎসব ও গ্রামীণ মেলা। এটি ৩ মার্চ শনিবার শেষ হয়।



