কক্সবাজারে শুটিং জটিলতার অবসান!

বিনোদন রিপোর্ট
১০ মে ২০১৮, ২১:১৩আপডেট : ১১ মে ২০১৮, ১৬:০০

কক্সবাজার সৈকতে সাম্প্রতিক শুটিংয়ে মোশাররফ করিম ও সাবিলা নূর স্থানীয় প্রশাসনের কাছ থেকে শুটিংয়ের অনুমোদন না নেওয়া এবং অনুমোদন পাওয়ার বিষয়ে এর আগে বহু নির্মাতাকে কক্সবাজার সৈকতে বিপদে পড়তে হয়েছে। ঢাকায় ফিরে আসতে হয়েছে কিংবা কাজ না করেই অনুমতির অপেক্ষায় বসে থাকতে হয়েছে পুরো ইউনিট!
দেশের অন্যতম আকর্ষণীয় শুটিং লোকেশন কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতকে ঘিরে শুটিং সংশ্লিষ্টদের কাছে এমন অভিজ্ঞতা এখনও নিত্যনৈমিত্তিক বিষয়। শুটিংয়ের জন্য আগাম অনুমতি না নিতে পারার কারণ হিসেবে একাধিক নির্মাতা জানিয়ে আসছিলেন বিভিন্ন জটিলতার কথা। বিশেষ করে, ঢাকা থেকে কক্সবাজারের দূরত্ব। অনেক সময় শুটিং ইউনিট নিয়ে গিয়ে বসে থাকলেও প্রশাসন তাৎক্ষণিক অনুমতি দিতে পারত না। সেখানে গিয়ে অনুমতি নিয়ে পুনরায় ঢাকায় এসে শুটিংয়ের জন্য আবার যাওয়াটাও ছিলো সময় সাপেক্ষ বিষয়।  
তবে এবার এসব তিক্ত অভিজ্ঞতার ইতি ঘটতে যাচ্ছে।
১০ মে রাতে টিভি নাটক নির্মাতাদের সংগঠন ডিরেক্টরস গিল্ডের সাধারণ সম্পাদক এস এ হক অলিক এমনটাই জানান বাংলা ট্রিবিউনকে। তিনি জানান, এদিন বিকালে কক্সবাজার ডিসি অফিসে গিল্ডের পক্ষ থেকে একটি জরুরি বৈঠক হয়। সেখানে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
এরমধ্যে রয়েছে, এখন থেকে পৃথিবীর যে কোনও প্রান্তে বসে অনলাইনের মাধ্যমে গিল্ডের সদস্যরা শুটিংয়ের অনুমতি নিতে পারবেন। এরজন্য কাউকে সরাসরি কক্সবাজার যেতে হবে না। কক্সবাজার জেলা প্রশাসকের ওয়েবসাইটে গিয়ে ফরম পূরণ করে এ অনুমতি সহজেই পাওয়া যাবে।
কক্সবাজার ডিসি অফিসে আজকের (১০ মে) বৈঠকের ছবি অলিক জানান, ১০ মে বিকালে কক্সবাজার ডিসি অফিসে স্থানীয় প্রশাসনের সঙ্গে এ বৈঠকে তিনি ছাড়া আরও উপস্থিত ছিলেন গিল্ডের সহসভাপতি সৈয়দ শাকিল, প্রচার সম্পাদক পিকলু চৌধুরী, সদস্য সাখাওয়াত মানিক এবং টেলিভিশন প্রোগ্রাম প্রডিউসার অ্যাসোসিয়েশনের সহসভাপতি ও ডিরেক্টরস গিল্ডের সদস্য মোহন খান। এতে কক্সবাজার প্রশাসনের পক্ষ থেকে ছিলেন ডিসি মোহাম্মদ কামাল হোসেন, এডিসি কাজি আব্দুর রহমান, নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সাইফুল ইসলাম জয় ও পর্যটন পুলিশের অ্যাডিশনাল এসপি ফজলে রাব্বী।
বৈঠকে আরও বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত হয়। জানানো হয়, শুটিংয়ের জন্য আবেদন করার প্রেক্ষিতে সর্বোচ্চ ৭২ ঘণ্টার মধ্যে কর্তৃপক্ষ অনলাইনে অনুমোদন প্রদান করবে। প্রতিদিন শুটিং ফি বর্তমানে ১০ হাজার থেকে কমিয়ে আনা হয়েছে মাত্র ২ হাজার টাকায়।
এছাড়াও বৈঠকে সিদ্ধান্ত হয়, শুটিং লোকেশনে গিয়ে গিল্ডের আইডি কার্ড সঙ্গে রাখা নির্মাতার জন্য বাধ্যতামূলক। যে কার্ড প্রদর্শন করলে প্রশাসনের কাছ থেকে সর্বোচ্চ সহযোগিতা পাবেন নির্মাতরা।
আগামী ১৫ মে থেকে এসব সিদ্ধান্ত কার্যকর হবে বলে জানা গেছে।

/এমআই/এমএম/
সম্পর্কিত
বিনোদন বিভাগের সর্বশেষ
সরে দাঁড়ালেন বাপ্পারাজ, নতুন সমীকরণ শিল্পী সমিতির নির্বাচনে
সরে দাঁড়ালেন বাপ্পারাজ, নতুন সমীকরণ শিল্পী সমিতির নির্বাচনে
যার কণ্ঠের বিরহে ভিজছেন ‘মায়াপাখি’র দর্শক
যার কণ্ঠের বিরহে ভিজছেন ‘মায়াপাখি’র দর্শক
তৃতীয় বিয়ের পিঁড়িতে বসতে যাচ্ছেন আমির খান
তৃতীয় বিয়ের পিঁড়িতে বসতে যাচ্ছেন আমির খান
অপুর পারফরম্যান্সে খুশি হয়ে সোনার কলস দিলেন সাগর
অপুর পারফরম্যান্সে খুশি হয়ে সোনার কলস দিলেন সাগর
গ্ল্যামার ভুলে ‘সাধুর বউ’: নাজিফা তুষির এক অবিশ্বাস্য রূপান্তরের গল্প
গ্ল্যামার ভুলে ‘সাধুর বউ’: নাজিফা তুষির এক অবিশ্বাস্য রূপান্তরের গল্প