‘নতুন মুখের সন্ধানে’র মাধ্যমে তুলে আনা হবে দেশের চলচ্চিত্রের নতুন অভিনয়শিল্পী। আর এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সরকারের অর্থমন্ত্রীসহ আরও দুই মন্ত্রী।
অর্থমন্ত্রীকে সামনে পেয়ে তাই বিশেষ বিষয়টি তুলে ধরতে ভোলেননি চিত্রনায়ক-নির্মাতা আলমগীর।
শুধু নতুন মুখই নয়, দরকার ডিজিটাল অবকাঠামো। এর জন্য প্রয়োজন অর্থ। তাই অনুষ্ঠানে অর্থমন্ত্রীকে পেয়ে বিষয়টি তুলে ধরেন আলমগীর। শুরুটা করলেন এভাবে, ‘আমার ছোট একটি অনুরোধ আছে। অর্থমন্ত্রীর কাছ থেকে জানতে পেরেছি এবার বাজেট হয়েছে চার লাখ পঁয়ষট্টি হাজার কোটি টাকার। দেশের প্রেক্ষাগৃহগুলোকে ডিজিটাল করতে এবং আমাদের চলচ্চিত্রকে বিশ্বের দরবারে তুলে ধরতে সেখান থেকে মাত্র ২০০ কোটি টাকা দেওয়া হোক। আমরা জানি তিনি উদার।’
কতটা বরাদ্দ হবে সেটা হয়তো অন্য হিসাব। তবে অর্থমন্ত্রী বেশ মনোযোগ দিয়ে শোনেন আশির দশকের এই চিত্রনায়কের কথা।
রবিবার (১৬ সেপ্টেম্বর) রাতে বাংলাদেশ পরিচালক সমিতি আয়োজিত ‘নতুন মুখের সন্ধানে’ অনুষ্ঠানটির উদ্বোধন হয় একটি পাঁচতারকা হোটেলে।
সেখানেই প্রতিযোগিতার আনুষ্ঠানিক যাত্রায় অংশ নেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত, সংস্কৃতিমন্ত্রী আসাদুজ্জামান নূর, তথ্য প্রতিমন্ত্রী অ্যাডভোকেট তারানা হালিম, তথ্য সচিব আবদুল মালেক, সংস্কৃতি সচিব নাসির উদ্দিন আহমেদ, পরিচালক সমিতির সভাপতি মুশফিকুর রহমান গুলজারসহ চলচ্চিত্র সংশ্লিষ্ট অনেকে।
অনুষ্ঠান শেষে ‘নতুন মুখের সন্ধানে’র ওয়েবসাইটে প্রতীকী রেজিস্ট্রেশনের মধ্য দিয়ে কার্যক্রম উদ্বোধন করেন অর্থমন্ত্রী। তবে আগ্রহীদের অপেক্ষা করতে হবে আরও দু-একদিন। পরিচালক সমিতির সভাপতি মুশফিকুর রহমান গুলজার বলেন, ‘অনলাইনে কবে থেকে নাম নিবন্ধন শুরু হবে, তা আমরা শিগগিরই জানিয়ে দেবো।’
এবারের চতুর্থ আসর উৎসর্গ করা হয়েছে প্রয়াত চিত্রনায়ক মান্নাকে। এই আয়োজনের সার্বিক সহযোগিতায় আছে বাংলাদেশ চলচ্চিত্র পরিচালক সমিতি ও এফডিসি। এছাড়াও সাথে আছে এশিয়ান টিভি ও অবট্র্যাক ইভেন্টস অ্যান্ড অ্যাডভার্টাইজিং।
‘নতুন মুখের সন্ধানে’ এর আগে ১৯৮৪, ১৯৮৮ ও ১৯৯০ সালে বিএফডিসি আয়োজন করেছিল।
এর মাধ্যমেই পর্দায় এসে সবচেয়ে জনপ্রিয় হয়েছিলেন প্রয়াত নায়ক মান্না। এছাড়া অন্যান্য বছরে এসেছেন দিতি, সোহেল চৌধুরী, মিশা সওদাগর, অমিত হাসান, আমিন খানের মতো তারকারা।



