উদ্যোগটা নির্মাতা-অভিনেত্রী আফসানা মিমির। আর বিষয়টিও চলচ্চিত্র ও টেলিভিশন নিয়ে। তাই পুরো অনুষ্ঠানজুড়ে ছিল তারকাদের সরব উপস্থিতি। চলচ্চিত্র ও টেলিভিশন নিয়ে গবেষণা-প্রশিক্ষণের জন্য ফিল্ম ইনস্টিটিউট গড়েছেন অভিনেত্রী-নির্মাতা আফসানা মিমি। প্রতিষ্ঠানটির নাম বাংলাদেশ ফিল্ম অ্যান্ড টেলিভিশন একাডেমি (বিএফটিএ)। বুধবার রাজধানীর উত্তরায় প্রতিষ্ঠানটির কার্যালয়ে (বাড়ি ৯৪, সড়ক ১, সেক্টর ১২, উত্তরা) এর উদ্বোধন করেন তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু।
অনুষ্ঠানে এসে মিমি ও প্রতিষ্ঠানটির জন্য শুভকামনা জানিয়েছেন সাংস্কৃতিক অঙ্গনের মানুষেরা। এর মধ্যে ছিলেন ওয়াহিদা মল্লিক জলি, সাবেরী আলম, বন্যা মির্জা, আফরোজা বানু, মৌটুসী, ফ্লোরা সরকার, বদরুল আনাম সৌদ, হ্যারল্ড রশীদ চৌধুরী, হাসান শাহরিয়ার, রহমতুল্লাহ তুহিন, এ এইচ এম জুলফিকার রহমান ও কলকাতার বিখ্যাত মঞ্চ অভিনেতা পার্থ সারথী দেবসহ অনেকে।
উপস্থিত ছিলেন প্রতিষ্ঠানটির অন্যতম উপদেষ্টা সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব আলী যাকের, অধ্যাপক ও লেখক মনজুরুল ইসলাম, চলচ্চিত্রব্যক্তিত্ব আলমগীর, ডিজাইনার চন্দ্রশেখর সাহা ও নির্মাতা পিপলু আর খান।
আর বিশেষ অতিথি হিসেবে ছিলেন অভিনয়শিল্পী সুবর্ণা মুস্তাফা ও আফজাল হোসেন।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু বলেন, ‘সরকারি অর্থায়নে আমরা নতুন ফিল্ম ইনিস্টিটিউট নির্মাণ করছি। সেখানকার শিক্ষকরা যেন এখানে এসে পড়াতে পারেন, সে পথটা সুগম থাকবে। এছাড়া প্রযুক্তিগত বিনিময়ও চলবে। মূল কথা, বিনিময়ের মাধ্যমে আমাদের দেশীয় চলচ্চিত্র এগিয়ে যাবে।’
আফসানা মিমি স্মৃতিচারণ করে বলেন , ‘অনেক সময় বাবা-মা তাদের ছেলে-মেয়েদের পছন্দের বিষয় সর্মথন করেন না। মনে করেন, চলচ্চিত্র বা টেলিভিশনবিষয়ক সনদপত্র তাদের কোনও কাজে লাগবে না। আমি নিজেও পড়তে চেয়েছি। তখন এরকম একাডেমি বা ইনিস্টিটিউট পাইনি। এমনকি তখন বিশ্ববিদ্যালয়ে এ বিভাগ চালু ছিল না। এখন যারা আগ্রহী, তারা সহজেই এখানে এসে পড়তে পারবে। আর এ পরিসরে কাজ করার অনেক সুযোগ এখন তৈরি হয়েছে।’
অনুষ্ঠানে জানানো হয়, বর্তমানে অভিনয় বিষয়ে এক বছরের কোর্স চালু আছে। পরবর্তীতে চলচ্চিত্র ও টেলিভিশনসংক্রান্ত আরও কয়েকটি কোর্স যুক্ত হবে। প্রতিষ্ঠানটি সম্পর্কে সব তথ্য পাওয়া যাবে www.bfta.com.bd ঠিকানায়।
ছবি তুলেছেন সাজ্জাদ হোসেন
/এম/



