প্রয়াত আমেরিকান গায়িকা হুইটনি হাউস্টনের বর্ণাঢ্য জীবন দেখা যাবে বড় পর্দায়। হলিউডে তৈরি হচ্ছে তার বায়োপিক। এতে উঠে আসবে তার জীবনের উত্থান, খ্যাতি ও সবশেষে মাদকাসক্তি আর মৃত্যুর ট্র্যাজেডি।
ছবিটির নাম রাখা হয়েছে ‘আই ওয়ানা ড্যান্স উইথ সামবডি’। একই শিরোনামে হুইটনির একটি জনপ্রিয় গান আছে। ১৯৮৭ সালের ২ মে দ্বিতীয় অ্যালবাম ‘হুইটনি’তে এটি ছিল।
‘আই ওয়ানা ড্যান্স উইথ সামবডি’ প্রযোজনা করবেন প্যাট হাউস্টন। তিনি হুইটনির ম্যানেজার ছিলেন। সম্পর্কে তারা ননদ-ভাবী। হুইটনির জীবন ও গানের আনন্দময়, আবেগপ্রবণ ও হৃদয়ছোঁয়া উদযাপন হিসেবে বর্ণনা করছেন তিনি। একইসঙ্গে জানিয়েছেন, তারকাখ্যাতির কারণে তাকে কী মূল্য দিতে হয়েছিল তা স্পষ্ট হবে বায়োপিকে।
ছবিটি তৈরিতে সহায়তা করছেন হুইটনির দীর্ঘদিনের সংগীত প্রযোজক ও পরামর্শদাতা ক্লাইভ ডেভিস। চিত্রনাট্য তৈরি করেছেন অ্যান্থনি ম্যাককার্টেন। নিউজিল্যান্ডের এই লেখক বেশ কয়েকটি ব্যবসাসফল বায়োপিক লিখেছেন। এ তালিকায় আছে ‘বোহেমিয়ান র্যাপসোডি’ (কুইন ব্যান্ডের গায়ক ফ্রেডি মার্কারি), ‘দ্য থিওরি অব এভরিথিং’ (বিজ্ঞানী স্টিফেন হকিং), ‘ডার্কেস্ট আওয়ার’ (ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী উইনস্টন চার্চিল)।
২০১২ সালে গ্র্যামি অ্যাওয়ার্ডসের আগের রাতে যুক্তরাষ্ট্রের বেভারলি হিলস হোটেলে কোকেন সেবনের পর বাথটাবে ডুবে হুইটনি হাউস্টনের মৃত্যু হয়। তার বয়স হয়েছিল ৪৮ বছর। মাদকাসক্তির সঙ্গে দীর্ঘ সময় লড়াই করেছেন তিনি।
২৫ বছরের দীর্ঘ সংগীত ক্যারিয়ারে ছয়বার গ্র্যামি জিতেছেন হুইটনি। তার ওপর কয়েকটি প্রামাণ্যচিত্র তৈরি হয়েছে। তবে পূর্ণাঙ্গ কাহিনিচিত্র হতে যাচ্ছে এবারই প্রথম। কানাডিয়ান নারী নির্মাতা স্টেলা মেগি থাকতে পারেন পরিচালকের আসনে।
হুইটনির বিখ্যাত গানের তালিকায় আরও আছে ‘আই উইল অলওয়েজ লাভ ইউ’, ‘সেভিং অল মাই লাভ ফর ইউ’। ১৯৯২ সালে ‘দ্য বডিগার্ড’ ছবিতে একজন গায়িকার চরিত্রে অভিনয় করেন তিনি। এছাড়া আরও কয়েকটি চলচ্চিত্রে দেখা গেছে তাকে।
তথ্যসূত্র: রয়টার্স



