সাধারণত মুক্তির দিনই প্রেক্ষাগৃহগুলোতে ঢুঁ মারা শুরু করেন সিনেমার নায়ক-নায়িকা-নির্মাতাসহ পুরো টিম। তবে ‘বিশ্বসুন্দরী’ টিমের জন্য বিষয়টি আলাদা হলো।
কারণ মুক্তির দিন নয়, পরদিন সদলবলে প্রেক্ষাগৃহগুলোতে যাচ্ছেন। শুরু অবশ্য গতকাল (১১ ডিসেম্বর) করতে চেয়েছিলেন ‘বিশ্বসুন্দরী’ নির্মাতা চয়নিকা চৌধুরী। তবে পরীর আবদারে সে পরিকল্পনার কিছুটা পরিবর্তন হয়।
‘আসলে ছবিটি আমি পুরোপুরি তখনও দেখিনি। তাই মাকে (চয়নিকা চৌধুরী) বলেছিলাম, আগে ছবিটি দেখতে চাই।’ জানালেন ছবির নায়িকা পরীমনি। নায়িকার কথা রেখেছেন পরিচালক। তাই শুক্রবার সন্ধ্যায় নিজেরা বসেই পুরে ছবি শেষ করেছেন। আর দ্বিতীয় দিন বরাদ্দ রেখেছেন হলে হলে যাওয়ার জন্য।
আর সে কারণেই শনিবার সকাল থেকে স্টার সিনেপ্লেক্স, আনন্দ, শ্যামলী সিনেমা ও ব্লকবাস্টার সিনেমাসসহ বেশ কয়েকটি প্রেক্ষগৃহে ছুটছেন তারা।
দুপুর নাগাদ পরীমনি, চয়নিকা ও অভিনেতা আনন্দ খালেদসহ বেশ কয়েকজন উপস্থিত হয়েছেন বসুন্ধরা সিটিতে।
এদিকে সিয়াম আহমেদ ও পরীমনি এ ছবির কেন্দ্রীয় চরিত্রে আছেন। তাদের ভক্তদের সংখ্যাও কম নয়। আর এ কারণে গতকাল (১১ ডিসেম্বর) স্টার সিনেপ্লেক্স কর্তৃপক্ষ তিনটির জায়গায় চারটি শো করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
বিষয়টি নিয়ে ছবিটির নির্মাতা চয়নিকা চৌধুরী বলেন, ‘গতকাল আমরা পুরো শোটি দেখি। এখানে দর্শক চাপ বেশি হওয়ায় স্টার সিনেপ্লেক্সকে আরও একটি শো বেশি করার অনুরোধ করেছিলাম। তারা সেটি রেখেছে। আজ আমরা সারাদিন হলগুলোতে ঘুরব।’
‘বিশ্বসুন্দরী’ গতকাল দেশের ২৬টি প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পেয়েছে। ছবির কাহিনি, চিত্রনাট্য, সংলাপ লিখেছেন রুম্মান রশীদ খান।
বিভিন্ন চরিত্রে ছবিটিতে আরও অভিনয় করেছেন আনন্দ খালেদ, হীরা, সুজন, সীমান্তসহ অনেকে।



