মিডিয়ায় বইছে নির্বাচনি হাওয়া। চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতি, অভিনয়শিল্পী সংঘের পর এবার নাট্যকার সংঘের নতুন নেতৃত্ব নির্বাচিত হলো। এতে নবগঠিত কমিটির সভাপতি হয়েছেন হারুন রশীদ ও সাধারণ সম্পাদক হয়েছেন আহসান আলমগীর।
১৮ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমিতে আয়োজিত এক সভায় নাট্যকারদের সর্বসম্মতিক্রমে ১৯ সদস্যবিশিষ্ট এই কমিটির অনুমোদন দেওয়া হয়।
২০২২-২৩ সালের জন্য গঠিত এই কমিটির অন্যরা হলেন- সহ-সভাপতি- রেজানুর রহমান, জিনাত হাকিম ও ইফফাত আরেফীন তন্বী, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক- আজম খান, স্বাধীন শাহ্ ও মহিউদ্দিন আহমেদ, সাংগঠনিক সম্পাদক- রেজাউর রহমান রিজভী, অর্থ সম্পাদক- বিদ্যুৎ রায়, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক- টুকু মজনিউল, তথ্যপ্রযুক্তি ও অনুষ্ঠান বিষয়ক সম্পাদক- দীপু হাজরা, দফতর সম্পাদক- রাজীব মণি দাস, আইন ও সমাজকল্যাণ সম্পাদক- আরিফ খান স্বাধীন, প্রশিক্ষণ ও গবেষণা সম্পাদক- অঞ্জন আইচ। কার্যকরী সদস্য- ফজলুল করিম, মেজবাহউদ্দীন সুমন, সাজিন আহমেদ বাবু ও হাসি ইকবাল।
মাসুম রেজার সভাপতিত্বে এদিন বিকাল ৪টায় জাতীয় সংগীতের মাধ্যমে শুরু হয় টেলিভিশন নাট্যকার সংঘের দ্বিবার্ষিক সাধারণ সভা। পুরো অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনার দায়িত্বে ছিলেন বিদায়ী সাধারণ সম্পাদক এজাজ মুন্না।
এরপরই ছিল সদ্য প্রয়াত টেলিভিশন নাট্যকার সংঘের সদস্য এবং উপদেষ্টা, বিশিষ্ট নাট্যজন ড. ইনামুল হকের প্রতি নাট্যকারদের শ্রদ্ধাঞ্জলি।
এরপর সম্মেলন প্রস্তুতি কমিটির আহ্বায়ক স্বাধীন শাহ সবাইকে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন এবং বিদায়ী সাধারণ সম্পাদক ও অর্থ সম্পাদক তাদের প্রতিবেদন উপস্থাপন করেন, যা সর্বসম্মতিক্রমে গৃহীত হয়। এছাড়াও সংগঠনের উন্নয়নে সদস্যরা বিভিন্ন বিষয়ে উন্মুক্ত আলোচনা করেন।
দ্বিবার্ষিক সাধারণ সভার শেষ ভাগে তিন সদস্যবিশিষ্ট নির্বাচন কমিশন নতুন কমিটি প্রস্তাব করেন। এ সময় সাধারণ সভায় উপস্থিত সংগঠনের সদস্য নাট্যকারগণ করতালির মাধ্যমে সর্বসম্মতিক্রমে নতুন কমিটিকে অনুমোদন দিয়ে স্বাগত জানান।
নবনির্বাচিত সাধারণ সম্পাদক আহসান আলমগীর বলেন, ‘আমরা নাট্যকারদের পেশাগত দক্ষতা ও জীবনমান উন্নয়নে আরও বেশি কাজ করতে চাই। আমাদের মধ্যে সম্পর্কের আরও উন্নয়ন ঘটাতে চাই। সেই লক্ষ্যেই আগামী দুই বছর কাজ করার ইচ্ছা রাখি।’
উল্লেখ্য, ১৯৯৮ সালে প্রথম এবং ২০০১ সালে দ্বিতীয়বারের মতো সম্মেলনের মাধ্যমে নাট্যকাররা একত্রিত হয়েছিলেন। কিন্তু অল্প সময়ের মধ্যে তাদের কার্যক্রম বন্ধ হয়ে যায়। অবশেষে ২০১৬ সালের ২ এপ্রিল থেকে নিয়মিত প্রতি দুই বছর অন্তর নতুন কমিটি গঠিত হচ্ছে।




