জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার ২০২০

কবির বকুলের আত্মপক্ষ সমর্থন এবং বিজ্ঞজনের প্রতিক্রিয়া

বিনোদন রিপোর্ট
২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২২, ১৯:২৩আপডেট : ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২২, ১৪:০৯

আপাতত এটুকু সুখের বিষয়, গানের আওয়াজে সরগরম হয়ে উঠলো ঘুমন্ত চলচ্চিত্র শিল্প। কারণ, এই উপমহাদেশের চলচ্চিত্রের অন্যতম অনুষঙ্গ তো সংগীতই। অনেক বছর পর জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারের সুবাদে সেই সংগীত আলোচনার শীর্ষে উঠলো।

কিছু মানুষ এটিকে নেতিবাচক দৃষ্টিতে দেখলেও মোটা দাগে বিষয়টি গঠনমূলক। আত্মপর্যালোচনাও বলা যেতে পারে। যার মধ্য দিয়ে বের হতে পারে প্লেব্যাকের কথা-সুর-সংগীত পরিচালনা, গায়কী এমনকি পুরস্কৃত করার ভুল-ত্রুটিও। এর মধ্য দিয়ে সচেতন হতে পারেন জুরি বোর্ড সদস্য ও কপিরাইট বিজ্ঞরাও। পুরো ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে পর্যবেক্ষকদের অভিমত এমনই।

তথ্য মন্ত্রণালয় কর্তৃক সদ্য ঘোষিত জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার-২০২০ আসরে শ্রেষ্ঠ গীতিকবি হিসেবে ষষ্ঠবারের মতো পুরস্কৃত হচ্ছেন কবির বকুল। একই পুরস্কার তিনি আগেও পাঁচবার অর্জন করেছেন। তবে ষষ্ঠবারের মতো জাতীয় স্বীকৃতির জন্য মনোনীত হয়ে বিতর্কের মুখোমুখি হয়েছেন তিনি। গানটি ‌‘বিশ্বসুন্দরী’ সিনেমার ‘তুই কি আমার হবিরে’।

কবির বকুলের ব্যাখ্যায় যাওয়া আগে বলা দরকার, ‘তুই কি আমার হবি রে’ গানের জন্য শুধু গীতিকবিই নন, শ্রেষ্ঠ গায়ক, গায়িকা, সুরকার ও কোরিওগ্রাফি- মোট পাঁচটি বিভাগে শ্রেষ্ঠত্বের পুরস্কার পেতে যাচ্ছে। এই গানটিতে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ‘হঠাৎ দেখা’ কবিতার ‘রাতের সব তারা আছে দিনের আলোর গভীরে’ থেকে ‘আলো’ শব্দটি বাদ দিয়ে বাকিটুকু ব্যবহার করা হয়েছে।

এই গানটির গীতিকবির বিরুদ্ধে সমালোচকদের অভিযোগ, কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কবিতা থেকে এক বা দুই লাইন তিনি নিজের বলে চালিয়ে দিয়েছেন, যা জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারের জন্য বিবেচিত হতে পারে না! এ নিয়ে এক সপ্তাহ ধরে সোশাল মিডিয়া ও সংবাদ মাধ্যমে চলছে নানা বিতর্ক। বিপরীতে একেবারেই চুপ ছিলেন অভিযুক্ত কবির বকুল। অবশেষে প্রথমবারের মতো বাংলা ট্রিবিউন-এর কাছে প্রকাশ করলেন তার আত্মপক্ষ সমর্থন।

কবির বকুল বলেন, ‘গানটি নিয়ে নানা বিতর্ক তৈরি হওয়ায় এ নিয়ে আমার ব্যাখ্যা দেওয়া জরুরি হয়ে পড়েছে।
নির্মলেন্দু গুণ লিখেছেন: ১. আমি কি ডরাই সখি, ভালোবাসা ভিখারি, বিরহে? ২. আমারও পরান যাহা চায়, তুমি তার সবই এনে দিয়েছ সাজায়ে। ৩. ভালোবেসে দেখিয়াছি মেয়েমানুষেরে, আমি তাই প্রাণে প্রাণে ভালোবাসা দেখি। বলে দেওয়ার দরকার নেই, ১ নম্বরটা মাইকেল মধুসূদন দত্তের, ২ নম্বরটা রবীন্দ্রনাথের, ৩ নম্বরটা জীবনানন্দ দাশের কবিতা থেকে অনুপ্রাণিত বা উদ্ধৃত। নির্মলেন্দু গুণ এই বিষয়ে তাঁর বইয়ে কোনও ফুটনোট ব্যবহার করেননি।’

কিন্তু আধুনিক কবিতা বা গীতিকবিতায় ক্লাসিক বা ধ্রুপদী রচনা থেকে উদ্ধৃত করে দেওয়া একটা স্বীকৃত রীতি। এমন রীতি প্রসঙ্গে বকুল বলেন, ‘এটা সত্য ও বহুল প্রচলিত। কিন্তু সেটি যখন গান হয় বা সিনেমার গান হয়, তখন সেখানে উদ্ধৃতিচিহ্ন ব্যবহার করবেন কেমন করে? কারণ, গান শোনার বিষয়, দেখা বা পড়ার নয়। রাতের সব তারা আছে দিনের আলোর গভীরে- এটা যে রবীন্দ্রনাথের লাইন তাও কি বলে দিতে হবে? যা ক্লাসিক হয়ে গেছে, আধুনিক কবিতায় তার খণ্ডাংশ ব্যবহার আধুনিক কবিরা প্রায়ই করে থাকেন।’

কবির বকুল উদাহরণ টানেন এভাবে-

কবি বিষ্ণু দে লিখেছেন, কাল রজনীতে ঝড় হয়ে গেছে রজনীগন্ধা-বনে/ বৈশাখী মেঘ মেদুর হয়েছে সুদূর গগনকোণে...।

প্রথম লাইনটা রবীন্দ্রনাথের লেখা এভাবে- এতদিন পরে প্রভাতে এসেছ/ কী জানি কী ভাবি মনে/ ঝড় হয়ে গেছে কাল রজনীতে/ রজনীগন্ধাবনে। (ক্ষণিকা, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর)

কবির বকুল তার আত্মপক্ষ সমর্থনের শেষটা করেন এভাবে, ‘বাংলা চলচ্চিত্রের গানে রবীন্দ্রনাথের কিংবা জীবনানন্দ দাশের মতো সর্বজনবিদিত পঙক্তি ব্যবহার করার পরে ফুটনোট আমি কোথায় দেবো? এটা যে গান। গাওয়া হয়েছে। বইয়ে বের হলে ফুটনোট দেয়া যেত হয়তো। কিন্তু বড় আধুনিক বাংলা ভাষার কবিরাই তো ফুটনোট দেননি। একটা স্বীকৃত রচনা পদ্ধতি নিয়ে যে কেউ কেউ এভাবে বিতর্ক করতে পারে, ভাবতে বিস্ময় লাগছে!’

সমালোচনার মুখে পড়ে কবির বকুল বিস্মিত হলেও নন্দিত গীতিকবি রফিকউজ্জামান তুলে ধরেন পুরো বিষয়টির নির্মোহ সচিত্র প্রতিবেদন। তিনি বলেন, ‘‘রবি ঠাকুর-জীবনানন্দ দাশ কিংবা এই পর্যায়ের মানুষগুলো হচ্ছে আমাদের মহাজন। আমরা তো উনাদের সৃষ্টি থেকেই অনুপ্রাণিত হবো কিংবা ধার করবো। এটা একদমই অপরাধ বা চুরির কিছু নয়। তবে হুবহু নিলে সেটাতে ইনভার্টেড কমা ব্যবহার করা উচিত। কিংবা একটা ফুটনোট হতে পারে। অন্যদের কথা কি বলবো, আমি নিজেও অনেক কবিতা থেকে অনুপ্রাণিত হয়ে অনেক গান লিখেছি। যেমন জীবনানন্দ লিখেছেন, ‘কে হায় হৃদয় খুঁড়ে বেদনা জাগাতে ভালোবাসে।’ আমি সেখান থেকে অনুপ্রাণিত হয়ে লিখেছি, ‘হাসতে গিয়েও দেখি হৃদয় খুঁড়ে আমি বেদনাকে ভালোবাসি।’ তো বিষয়টা হচ্ছে, গুরুজন বা মহাজনদের কাছ থেকে সবাই নেবে- এটাই স্বাভাবিক। এটা মোটেই অপরাধ নয়। বকুল যেটা নিয়েছে এবং যে স্বীকৃতি পাচ্ছে- সেটা নিয়ে আমার মোটেই আপত্তি নেই। বরাবরই আমার আপত্তির বিষয়টা হচ্ছে, কোথা থেকে কতটুকু নিচ্ছি এবং সেটাকে কোথায়-কীভাবে ব্যবহার করছি আমরা।’’

ধারণা করা হচ্ছে, মোহাম্মদ রফিকউজ্জামান বলতে চাইছেন, কবিগুরুর এক লাইনের সঙ্গে কবির বকুলের লেখা বাকি লাইনগুলো নিয়ে মোটেই তুষ্ট নন এই গীতপণ্ডিত। তার ভাষ্যে, ‘‘কবিগুরুর এই লাইনটি মোটেই বহুল জনপ্রিয় নয়। এটা মূলত ইন্টেল্যাকচুয়াল লোকদের কাছে অনেক দামি একটা বাক্য। যে বাক্যের অর্থ অনেক কাব্যিক ও গভীর। যার অর্থ- কেউ কখনও হারিয়ে যায় না, কোথাও না কোথাও থাকেই। লক্ষ করুন, এমন একটি লাইনের পরেই শুনছি- তুই কি আমার হবি রে। এর ফলে আসলে কবিগুরুর লাইনটির অবমূল্যায়ন হয় বলে আমি মনে করি। এই যে তুই-তোকারির মতো নোংরামি ঢুকে পড়লো আমাদের গানে, এটাই আমার আফসোসের বিষয়। এই যে ‘বন্ধু তুই লোকাল বাস’- অসম্ভব নোংরা একটা গান। এগুলো আমাদের বিবেচনা করার সময় এসেছে। ফলে স্বীকৃতি পাওয়া এক বিষয় আর গানের মান রক্ষা আরেক বিষয়। বরাবরই আমার দৃষ্টি মানের দিকে, স্বীকৃতির দিকে নয়।’’

মোহাম্মদ রফিকউজ্জামানের প্রতি পাল্টা প্রশ্ন ছিল, কিন্তু এর আগে আপনি কিছু খবরে মন্তব্য করেছেন আরেকটু নেতিবাচকভাবে। বিষয়টিকে ‘নীতিসঙ্গত’ নয় বলে দাবি করেছেন। সেক্ষেত্রে একই বিষয়ে দু’রকম মন্তব্য মনে হচ্ছে কি? জবাবে এই কিংবদন্তি বললেন, আমি আমার নীতিতে একদম অটল আছি। তখনও আমি একই কথা বলেছি। অনুপ্রাণিত হয়ে আমরা যেকোনও লাইন নিতেই পারি। কিন্তু সেটাকে আমরা কোথায়-কীভাবে ব্যবহার করছি সেই বিষয়ে ভাবতে হবে। আর ন্যাশনাল অ্যাওয়ার্ড নিয়ে তো আমার আগে থেকেই কোনও আগ্রহ নেই। সেটা আমি প্রকাশ্যে ঘোষণা দিয়েছি। ফলে ওই বিষয়ে আমি অন্য কোনও মিডিয়ায় কথা বলিনি, আপনাদেরও বলছি না।’  

এই বিতর্ক নিয়ে কথা হয় বাংলাদেশ চলচ্চিত্র পুরস্কারের অন্যতম জুরি বোর্ড সদস্য মুশফিকুর রহমান গুলজারের সঙ্গে। জানতে চাওয়া হয়, এমন গান পুরস্কার পেতে পারে কিনা?

তিনি বললেন, ‘জুরি বোর্ডের সদস্যরা আলাদা কাগজে ২৮টি শাখার জন্য মার্ক দেন। কে কত মার্ক দিলো তা নিয়ে আলোচনা করার সুযোগ নেই। আর আমার মতামতই যে ওপর মহলে গৃহীত হবে তাও না। অনেক সময়ই জুরিদের পছন্দের শিল্পীরা পুরস্কার পান না। কারণ, নীতিমালায় লেখাই আছে, জুরি বোর্ডের মূল্যায়নও পুনর্মূল্যায়ন হতে পারে। এবার যদি গানটির পুরস্কারের বিষয়ে বলতে বলা হয়, তাহলে বলবো, বিদেশি ছবি বা নকল কাহিনির ছবি পুরস্কার পাবে না- এ নিয়ম স্পষ্ট লেখা আছে। গানের ক্ষেত্রে কী হবে তার উল্লেখ নেই। তবে আমার ব্যক্তিগত অভিমত, কোনও পুরনো গান বা কবিতার অংশবিশেষ দিয়ে যদি নতুন ভালো কিছু সৃষ্টি হয়, তাতে কারও আপত্তি থাকার কথা নয়।’

জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার নির্বাচনে গান বাছাইয়ের জন্য কোনও নীতিমালা না থাকা নিয়ে প্রায় একই রকম কথা বললেন বাংলাদেশ ফিল্ম সেন্সর বোর্ডের ভাইস চেয়ারম্যান ও জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার জুরি মো. জসীম উদ্দিন।

তার ভাষ্য, ‘অন্যের লেখা গান বা কবিতার অংশবিশেষ ব্যবহারের ক্ষেত্রে গানের বিষয়ে স্পষ্ট নীতিমালা নেই। তবে গানটি যেহেতু সেন্সর বোর্ডের ছাড়পত্র নিয়ে মুক্তি পায়, তারপর সেটি জুরি বোর্ডে জমা পড়ে, তাই সেটি নিয়ে জুরি বোর্ডের আপত্তি না থাকাই স্বাভাবিক।’

তাহলে একজনের কবিতা বা গানের লাইন নিয়ে অন্যজনের গান তৈরি ও স্বীকৃতি পাওয়ার বিষয়ে দাফতরিক বা আইনি ব্যাখ্যাটা আসলে কেমন। এ বিষয়ে কি তবে দেশে কোনও রাষ্ট্রীয় নীতিমালা নেই? এমন প্রশ্নে বাংলাদেশ কপিরাইট বোর্ডের রেজিস্ট্রার জাফর রাজা চৌধুরী বলেন, ‘এই বিতর্ক ওঠার পর আমি নিজেও অনেক গবেষণা করেছি। এ ক্ষেত্রে গোটা বিশ্বে এখনও ব্রিটিশ কপিরাইট আইনটিকে সবাই ফলো করার চেষ্টা করেন। তো সেই আইনের ৩১ নম্বর সেকশনে আমি এই বিতর্কের একটা সুরাহা পেলাম। অধ্যায়টির নাম ইনসিডেন্টাল ইনক্লুশন। যার ব্যাখ্যা হলো, যদি ঘটনাক্রমে কোনও একটা কোথাও মিলে যায়, তবে সেটা কপিরাইট লঙ্ঘন হবে না। আনলেস যদি না সেটা ডেলিভারেটলি বা উদ্দেশ্যপ্রণোদিত না করা হয়। এখন কবির বকুল নিশ্চয়ই কবিগুরুর মানহানি করার জন্য উদ্দেশ্যপ্রণোদিত হয়ে কাজটি করেননি। এটি কবিগুরুর ওই কবিতা বা লাইনের প্রতি অতি মুগ্ধতা থেকেই তার লেখা গানটিতে যুক্ত হয়েছে বলে আমি মনে করি। তারচেয়ে বড় বিষয়, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের সৃষ্টি তো এখন পাবলিক। ওপেন ফর অল। তার কবিতার রেশ ধরে অসংখ্য গান দুই বাংলায় হয়েছে, হচ্ছে এবং হবে। এটা তো আসলে অনুপ্রেরণারই প্রতিধ্বনি। ফলে কপিরাইট আইনের বিবেচনায় কবির বকুলের এই গানটি (তুই কি আমার হবি রে) নিয়ে বিতর্কের খুব বেশি সুযোগ আছে বলে আমি মনে করি না। কপিরাইটের ভাষায় এটাকে আমরা বলি ফেয়ার ইউজ।’ 

কিন্তু আপনার আগের মন্তব্যের সঙ্গে কি এই মন্তব্যের মিল রয়েছে? কারণ, আগে আপনি এই বিষয়টিকে ‘জোচ্চুরি’ বলে অবিহিত করেছেন। জবাবে রাজা বললেন, ‘‘প্রথমত আমি দুঃখ প্রকাশ করছি এই খারাপ শব্দটির জন্য। কোনোভাবেই এই শব্দটি আমি অফিসিয়ালি উচ্চারণ করতে পারি না। হয় কি, কথা বলতে বলতে ক্যাজুয়ালি আমরা অনেক কথা বলি। এখন সেটাকে যদি কেউ ‘ক্যাশ’ করে, তাহলে তো নিজেকে অসহায় লাগে। তাছাড়া তখন আমাকে যেভাবে প্রশ্নটা করেছে- সেটা আমি স্পষ্ট বুঝিনি। কারণ, তখন এই ঘটনাটি সম্পর্কে আমি অবগত ছিলাম না। এমনকি এই বিষয়ে আমাদের আইনেও কিছু বলা নেই।’’ 

এদিকে একুশে পদকপ্রাপ্ত গীতিকবি মনিরুজ্জামান মনির বলেন, ‘যে বিতর্ক ওঠানো হয়েছে কবির বকুলকে নিয়ে, সেটা আমাদের হিংসার বহিঃপ্রকাশ ছাড়া আর কিছু নয়। যুগে যুগে এমন অসংখ্য সৃষ্টি হয়েছে, যেগুলো অন্যের গান, কবিতা, সাহিত্য বা বাণী থেকে অনুপ্রাণিত হয়ে। কারও দ্বারা অনুপ্রাণিত হয়ে যদি ভালো কিছু হয়, তাহলে ক্ষতিটা কোথায়? আমি নিজে তিনবার জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পেয়েছি, একুশে পদক পেয়েছি, দেশের এমন কোনও সাংস্কৃতিক সংগঠন নেই যেখান থেকে পুরস্কৃত হইনি। তো এখন যদি বলি, আমি তিনবার পেয়েছি, বকুল কেন ছয়বার পাবে! তাহলে তো বকুলের কিছু বলার থাকবে না। আমরা আসলে একে অপরকে শুভেচ্ছা জানাতে ভুলে যাচ্ছি। চলমান বিতর্কের মূল কারণই এটা।’

/এম/এমএম/এমওএফ/
সম্পর্কিত
বিনোদন বিভাগের সর্বশেষ
সরে দাঁড়ালেন বাপ্পারাজ, নতুন সমীকরণ শিল্পী সমিতির নির্বাচনে
সরে দাঁড়ালেন বাপ্পারাজ, নতুন সমীকরণ শিল্পী সমিতির নির্বাচনে
যার কণ্ঠের বিরহে ভিজছেন ‘মায়াপাখি’র দর্শক
যার কণ্ঠের বিরহে ভিজছেন ‘মায়াপাখি’র দর্শক
তৃতীয় বিয়ের পিঁড়িতে বসতে যাচ্ছেন আমির খান
তৃতীয় বিয়ের পিঁড়িতে বসতে যাচ্ছেন আমির খান
অপুর পারফরম্যান্সে খুশি হয়ে সোনার কলস দিলেন সাগর
অপুর পারফরম্যান্সে খুশি হয়ে সোনার কলস দিলেন সাগর
গ্ল্যামার ভুলে ‘সাধুর বউ’: নাজিফা তুষির এক অবিশ্বাস্য রূপান্তরের গল্প
গ্ল্যামার ভুলে ‘সাধুর বউ’: নাজিফা তুষির এক অবিশ্বাস্য রূপান্তরের গল্প