যুগ যুগ ধরেই সিনেমার পাশাপাশি সিরিজ আলাদা গ্রহণযোগ্যতা পেয়ে এসেছে। যদিও এখন সিরিজ বলতে সবাই ওয়েব সিরিজ বোঝে। কারণ ওটিটির উত্থানে ওয়েব সিরিজেরই জয়জয়কার চলছে। তবে পশ্চিমা দেশে এখনও টিভি সিরিজের দাপট অব্যাহত রয়েছে। গত দুই যুগে হলিউড থেকে অসংখ্য সিরিজ নির্মিত হয়েছে। যেগুলো সীমান্ত পেরিয়ে বিশ্বজুড়ে জনপ্রিয়তা পেয়েছে।
দর্শকের ভোট কিংবা রেটিংয়ে সেরা সিরিজের তালিকা সহজেই জানা যায় ইন্টারন্যাশনাল মুভি ডেটাবেজ বা আইএমডিবিতে গেলে। তবে এবার সমালোচকদের বিচারে একবিংশ শতাব্দীর সেরা সিরিজের তালিকা প্রস্তুত করেছে দ্য হলিউড রিপোর্টার।
তাদের এই তালিকায় ৫০টি সিরিজের জায়গা হয়েছে। তবে কাজটি করতে বেশ বেগ পেতে হয়েছে হলিউডভিত্তিক এই গণমাধ্যমকে। তাদের মতে, ‘কেবল ২০২২ সালেই বিভিন্ন মাধ্যমে প্রায় ৬০০টি শো প্রচার হয়েছে। ফলে গত ২৩ বছরের সেরা ৫০টি সিরিজ বাছাই করা খুব কঠিন ছিল। আমরা এখন টেলিভিশন কনটেন্টের শ্রেষ্ঠ সময়ে আছি, এটা দারুণ ব্যাপার। আবার একই সঙ্গে তালিকা তৈরিতে চ্যালেঞ্জিংও বটে।’
হলিউড রিপোর্টার জানায়, ১৯৯৯ সালের ৩১ ডিসেম্বরের পর যেসব সিরিজ প্রচার হয়েছে, সেগুলো তাদের বিবেচনায় ছিল। অর্থাৎ কোনও সিরিজের প্রচার যদি বিংশ শতকে শুরু হয়ে এই শতকেও চলমান থাকে, সেটাও বিবেচনাযোগ্য।
সেরার এই তালিকায় শীর্ষস্থানটি দখল করেছে ‘ম্যাড মেন’ সিরিজটি। এটি ২০০৭ থেকে ২০১৫ সাল পর্যন্ত প্রচার হয়েছে। পিরিয়ড ড্রামা ঘরানার এই সিরিজ নির্মাণ করেছেন ম্যাথিউ ওয়েইনার। এর বিভিন্ন চরিত্রে অভিনয় করেছেন জন হ্যাম, এলিজাবেথ মস, জানুয়ারি জোনস, ব্রায়ান ব্যাট, ক্রিস্টিনা হ্যানড্রিকস প্রমুখ।
তালিকায় দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে ডেভিড চেজ নির্মিত সিরিজ ‘দ্য সোপ্রানোস’। এটি প্রচার হয়েছিল ১৯৯৯ সাল থেকে ২০০৭ সাল অব্দি। তৃতীয়, চতুর্থ ও পঞ্চম স্থানে রয়েছে যথাক্রমে ‘সাকসেশন’ (২০১৮-২০২৩), ‘৩০ রক’ (২০০৬-২০১৩) ও ‘দ্য ওয়্যার’ (২০০২-২০০৮)।
তুমুল জনপ্রিয় সিরিজ ‘ব্রেকিং ব্যাড’ রয়েছে ১৬তম স্থানে। যদিও এটি আইএমডিবির রেটিংয়ে শীর্ষ সিরিজ। এটি প্রচার হয়েছে ২০০৮ থেকে ২০১৩ সাল পর্যন্ত। এছাড়া আরেকটি জনপ্রিয় সিরিজ ‘গেম অব থ্রোনস’র অবস্থান ৩০-এ। এটি ২০১১ থেকে ২০১৯ সাল পর্যন্ত প্রচার হয়েছে।
তালিকায় সর্বশেষ তথা ৫০তম স্থানে রয়েছে ‘সেক্স অ্যান্ড দ্য সিটি’ সিরিজটি। ১৯৯৮ থেকে ২০০৪ সাল পর্যন্ত এটি এইচবিও চ্যানেলে দেখানো হয়েছিল।




