‘উঠলো’ না বলে ‘ওঠানো হলো’ বলা যেতে পারে। অনুমান করা যাচ্ছে ফের মাঠে গড়ানোর গ্রাউন্ড তৈরির লক্ষ্যে আয়োজক প্রতিষ্ঠানটি ‘ফোক ফেস্ট’ গুঞ্জনটি বাজারে ছেড়েছে সম্প্রতি। যেখানে বলার চেষ্টা হচ্ছে, এই নভেম্বরে ফের আর্মি স্টেডিয়াম মাঠে গড়াচ্ছে দেশের তথা এই অঞ্চলের সবচেয়ে বড় লোকসংগীতের মিউজিক্যাল ইভেন্ট ‘ফোক ফেস্ট’।
সর্বশেষ ২০১৯ সালে উৎসবের পঞ্চম আসর বসে। এরপর করোনার সূত্র ও নিরাপত্তার জেরে আর অনুষ্ঠিত হয়নি। গুঞ্জন রয়েছে, টানা ৫ বছর পর ফের আয়োজিত হচ্ছে ফোক ফেস্ট। এরমধ্যে গ্রাউন্ড ওয়ার্কও শুরু করেছে আয়োজক প্রতিষ্ঠান সান ফাউন্ডেশন।
আসছে নভেম্বরের মাঝামাঝিতে শুরু হবে ফোক ফেস্ট।
উৎসব সংশ্লিষ্ট নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক কর্মকর্তা জানান, ‘স্পষ্ট করে দেওয়ার মতো কোনও তথ্য এই মুহূর্তে নেই। তবে আলোচনা চলছে যেন আবারও লোক গানের উৎসবটি ফিরিয়ে আনা যায়। সারা দেশের মানুষের কাছে খুবই জনপ্রিয় ছিল উৎসবটি। সবাই এটি উপভোগ করতে চান। সব কিছু অনুকূলে থাকলে আগের বছরগুলোর চেয়েও বড় করে এটি আয়োজনের চেষ্টা থাকবে এবার।’
এই কর্তা জানান, এবার শিল্পী তালিকাতেও থাকবে চমক। বিশ্বের নানা দেশের শিল্পীরা অংশ নেবেন। চূড়ান্ত হলে সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে বিস্তারিত জানানো হবে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কর্তার মন্তব্য ধরে আয়োজক প্রতিষ্ঠান মিডিয়াকম লিমিটেডের সিওও (চিফ অপারেটিং অফিসার) অজয় কুমার কুণ্ডুর সঙ্গেও আলাপ হয় এ বিষয়ে।
তিনি বলেন, ‘নানা কারণে মাঝের ৫ বছর এ আয়োজন করা সম্ভব হয়নি। ফের শুরুর জন্য জোর এখন চিন্তাভাবনা চলছে। হয়তো এখনও পাকাপাকি কিছুই জানাতে পারব না। তবে ফোকফেস্ট টিমের লোকেরা এ বিষয়ে কাজ করছেন। কাজের অগ্রগতি জানতে আরও কিছুদিন অপেক্ষা করতে হবে। কারণ এখানে অনেক অনুমোদনের বিষয় রয়েছে।’
উল্লেখ্য, ২০১৫ সাল থেকে অনুষ্ঠিত হওয়া এই উৎসবে এখন পর্যন্ত ১৭ দেশের ৫০০ জন শিল্পী অংশ নিয়েছেন। সর্বশেষ ২০১৯ সালের ১৪-১৬ নভেম্বর, তিন দিনব্যাপী এই আয়োজনে সংগীত পরিবেশন করেন বাংলাদেশের শাহ আলম সরকার, শফিকুল ইসলাম, মালেক কাওয়াল, ফকির শাহাবুদ্দিন, কাজল দেওয়ান, চন্দনা মজুমদার, কামরুজ্জামান রাব্বিসহ অনেকে। বিদেশিদের মধ্যে ছিলেন শেভেনেবুরেবি (জর্জিয়া), হিনা নাসরুল্লাহ (পাকিস্তান), হাবিব কইটে অ্যান্ড বামাদা (মালি), সাত্তুমা (রাশিয়া) ও জুনুন (পাকিস্তান)।




