‘শোলে’ নয়, ধর্মেন্দ্রর প্রিয় সিনেমা ‘প্রতিজ্ঞা’!

বিনোদন ডেস্ক
১৬ আগস্ট ২০২৫, ১৪:৫০আপডেট : ১৬ আগস্ট ২০২৫, ১৭:৩৪

১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট, ভারতের স্বাধীনতা দিবসের দিনে ঠিক পঞ্চাশ বছর আগে মুক্তি পেয়েছিল ইতিহাস সৃষ্টি করা সিনেমা ‘শোলে’। এই সিনেমায় ধর্মেন্দ্র এবং অমিতাভ বচ্চন নিজেদের চিনিয়েছিলেন জাত অভিনেতা হিসেবে। সেইসাথে আইকন হয়ে ওঠা খলনায়ক গব্বর সিং-এর নাম এখনও জনপ্রিয়।

এই সিনেমা ভারত তো বটেই, পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে আলোচিত হয়েছিল। ‘শোলে’ সিনেমার পঞ্চাশ বছর পূর্তিতে স্মৃতিচারণ করেছেন অভিনেতা ধর্মেন্দ্র। কথা বলেছেন, ভারতীয় সংবাদমাধ্যম দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসের সঙ্গে। ‘শোলে’ সিনেমার একটি দৃশ্য এই অভিনেতাকে প্রশ্ন করা হয়, তিনি কি কখনও ভেবেছিলেন ‘শোলে’ তার ক্যারিয়ারের মাইলফলক হবে?

উত্তরে তিনি বলেন, ‘না, আমি ভাবিনি। আমরা ছবিটিতে কঠোর পরিশ্রম করেছিলাম। বেঙ্গালুরুতে করা সেসব শুটিংয়ের দিনগুলি ছিল ক্লান্তিকর। আশেপাশে কোনও হোটেল ছিল না। আমাদের প্রতিদিন বেঙ্গালুরু থেকে ৫০ কিলোমিটার দূরের লোকেশনে গাড়ি চালিয়ে যেতে হত। কিন্তু এটা অনেক মজার ছিল। অনেক স্মৃতি জমা আছে। হেমা (হেমা মালিনী) আমার সাথে সেখানে ছিলেন। জয়াব(জয়া বচ্চন) ছিলেন। তখন জয়া প্রেগন্যান্ট ছিলেন।’

‘সত্যকাম’ নাকি ‘শোলে’, তার পছন্দের ছবি কোনটি জিজ্ঞেস করলে উত্তরে তিনি বলেন, “১৯৭৫ সালে, ‘শোলে’র মাত্র দুই মাস আগে, আমার আরেকটি সিনেমা ‘প্রতিজ্ঞা’ মুক্তি পায়, যার কথা কেউ বলে না। আমাকে একজন ট্রাক ড্রাইভারের চরিত্রে অভিনয় করতে হয়েছিল সেই সিনেমায়। যে একজন পুলিশ অফিসারের ছদ্মবেশে অভিনয় করে। এটি ছিল বিভিন্ন স্তরবিশিষ্ট একটি চরিত্র যার মধ্যে প্রচুর আবেগ এবং নাটকীয়তা ছিল। এটি চ্যালেঞ্জিং ছিল। এই সিনেমার জন্য আমি প্রচুর ভালোবাসাও পেয়েছি।”

‘প্রতিজ্ঞা’ কি আরও বেশি প্রিয় এই অভিনেতার? অভিনেতা উত্তর দেন, “যদিও ‘সত্যকাম’ এবং ‘শোলে’ আমার প্রিয় সিনেমার মধ্যে রয়েছে, তবে আমার সর্বকালের প্রিয় সিনেমা হল ‘প্রতিজ্ঞা’। এটি ১৯৭৫ সালে ‘শোলে’র পরপরই মুক্তি পেয়েছিল, তাই এটি খুব একটা আলোচনায় ছিল না। কিন্তু আমি বলতে চাই, ‘শোলে’র সাথে প্রতিযোগিতা সত্ত্বেও ‘প্রতিজ্ঞা’ সুপার হিট ছিল।” ‘শোলে’ সিনেমায় ধর্মেন্দ্র ও অমিতাভ বচ্চন কথিত আছে, এই সিনেমায় অমিতাভ যে চরিত্রে অভিনয় করেছিলেন, ধর্মেন্দ্র সেই চরিত্রের জন্য সুপারিশ করেছিলেন নির্মাতার কাছে। এ বিষয়ে এই অভিনেতা হেসে বলেন, ‘হ্যাঁ, আমি রমেশ সিপ্পিকে বলেছিলাম। কিন্তু অবশেষে তিনি যোগ্যতার ভিত্তিতেই চরিত্র নির্বাচন করেছিলেন। তবে হ্যাঁ, পরে আমি বীরুর চরিত্রে অভিনয় করে খুব খুশি হয়েছিলাম। মনে হয়েছিলেন, চরিত্রটিই আমাকে খুঁজে নিয়েছে।’

বলা প্রয়োজন, ‘শোলে’ সিনেমাটার জাদু এমনই যে, ঠিক ৫০ বছর আগে, ১৯৭৫ সালের ১৫ই অগাস্ট মুক্তি পাওয়া এই সিনেমা নিয়ে নানা কাহিনী, বিভিন্ন স্মৃতি, পাঁচ দশক পরে এসেও মানুষের মনে গেঁথে আছে। এবং সেটা শুধু ভারতে নয়, ভারতের বাইরেও নানা দেশে।

/সিবি/
সম্পর্কিত
বিনোদন বিভাগের সর্বশেষ
সরে দাঁড়ালেন বাপ্পারাজ, নতুন সমীকরণ শিল্পী সমিতির নির্বাচনে
সরে দাঁড়ালেন বাপ্পারাজ, নতুন সমীকরণ শিল্পী সমিতির নির্বাচনে
যার কণ্ঠের বিরহে ভিজছেন ‘মায়াপাখি’র দর্শক
যার কণ্ঠের বিরহে ভিজছেন ‘মায়াপাখি’র দর্শক
তৃতীয় বিয়ের পিঁড়িতে বসতে যাচ্ছেন আমির খান
তৃতীয় বিয়ের পিঁড়িতে বসতে যাচ্ছেন আমির খান
অপুর পারফরম্যান্সে খুশি হয়ে সোনার কলস দিলেন সাগর
অপুর পারফরম্যান্সে খুশি হয়ে সোনার কলস দিলেন সাগর
গ্ল্যামার ভুলে ‘সাধুর বউ’: নাজিফা তুষির এক অবিশ্বাস্য রূপান্তরের গল্প
গ্ল্যামার ভুলে ‘সাধুর বউ’: নাজিফা তুষির এক অবিশ্বাস্য রূপান্তরের গল্প