করোনায় আক্রান্ত নার্সের জন্য অ্যানিস্টোনের চমক

Send
বিনোদন ডেস্ক
প্রকাশিত : ১৮:১৯, এপ্রিল ০৪, ২০২০ | সর্বশেষ আপডেট : ১৮:২৬, এপ্রিল ০৪, ২০২০

জেনিফার অ্যানিস্টোনকরোনাভাইরাসে আক্রান্ত একজন স্বাস্থ্যকর্মীর দিন আলোয় ভরে দিলেন আমেরিকান অভিনেত্রী জেনিফার অ্যানিস্টোন। যুক্তরাষ্ট্রের উটাহ রাজ্যের কার্ডিওভাসকুলার নার্স কিম্বাল ফেয়ারব্যাঙ্কসকে চমকে দিতে ‘জিমি কিমেল লাইভ!’ অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে হাজির হন তিনি।


আমেরিকান টিভি নিউজ চ্যানেল ফক্স নিউজ জানিয়েছে, গত ২ এপ্রিল সঞ্চালক জিমি কিমেল ঘর থেকেই লাইভ ভিডিও চ্যাটের মাধ্যমে স্বাগত জানান নার্সকে। তিনি জানান, গত সপ্তাহে হাসপাতালে দায়িত্ব পালনের কয়েকদিন পর অসুস্থ হয়ে পড়েন। চার বছর ও ১৮ মাস বয়সী দুই মেয়ে আছে তার।

নার্স কিম্বাল ফেয়ারব্যাঙ্কস বলেন, ‘মনে হচ্ছিল ট্রেনের ধাক্কা খেয়েছি! যদিও আমার মধ্যে করোনাভাইরাসের খুব কম উপসর্গ রয়েছে। তাই রোগটি দমন করা যাবে আশা করি।’

এরপর জিমি কিমেল জানান, তার জন্য একটা চমক অপেক্ষা করছে। তখন লস অ্যাঞ্জেলেসে নিজের ঘর থেকে পর্দায় হাজির হন অ্যানিস্টোন। ৫১ বছর বয়সী এই তারকা বলেন, ‘হাই হানি, তোমাকে দেখে ভালো লাগলো। শুধু বলবো, তোমার মতো যারা হাসপাতালে ও বাইরে জীবাণুটির সঙ্গে লড়ছে, ঈশ্বর সবার মঙ্গল করুন! জানি না স্বাস্থ্যঝুঁকি নিয়েই সবার এই অবদানের জন্য কীভাবে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করবো। তোমরা সত্যি অসাধারণ।’

অবাক নার্স দু’হাত বুকে আর মুখে চওড়া হাসি রেখে বললেন, ‘কী দারুণ! আপনাকে দেখে ভালো লাগছে। আমি সত্যিই কৃতজ্ঞ।’

ফেয়ারব্যাঙ্কসের শরীর কেমন জানতে চান অ্যানিস্টন। তার উত্তর, ‘আজ ঘুম থেকে ওঠার পর মনস্থির করেছি, আর অসুস্থ থাকবো না।’

কোভিড-১৯ রোগ ধরা পড়ার পর হাসপাতাল থেকে সাময়িক ছুটি দেওয়া হয়েছে ফেয়ারব্যাঙ্কসকে। তিনি এখন কোয়ারেন্টিনে আছেন। এ কারণে দুই সপ্তাহ ধরে সন্তানদের কাছে যেতে পারছেন না।

বেশিরভাগ সময় খাবার অর্ডার দিয়ে আনছেন জানাতেই অ্যানিস্টন বলেন, ‘ভালোই হলো, কেনো জানো তো? পোস্টমেটস থেকে ১০ হাজার ডলারের উপহার সনদ পাচ্ছো!’

আমেরিকান সংস্থা পোস্টমেটস বিভিন্ন রেস্তোঁরায় বানানো খাবার ও অন্যান্য পণ্য সরবরাহ করে। সঞ্চালক জিমি কিমেল যোগ করেন, ফেয়ারব্যাঙ্কসের মতো তার প্রত্যেক সহকর্মী নার্স এই গিফট কার্ড পাবেন।

অনুষ্ঠানে অ্যানিস্টোন জানান, তিন সপ্তাহ ধরে ঘরের বাইরে যাচ্ছেন না। করোনায় আমেরিকাসহ দেশে দেশে মৃত্যুর ঘটনার খবর দেখা সবচেয়ে কঠিন বিষয় তার জন্য। এজন্য শুধু সকালে ও সন্ধ্যায় সবশেষ সংবাদ দেখেন তিনি।

অ্যানিস্টোন যোগ করেছেন, থালা-বাসন ধোয়া তার প্রিয় কাজ হয়ে উঠেছে। কারণ এতে এক ঢিলে দুই পাখি মরে! অর্থাৎ প্রয়োজনীয় কাজের সঙ্গে ব্যায়াম।

/এমএম/

লাইভ

টপ