মার্শে দ্যু ফিল্মে কণ্ঠশিল্পী কৃষ্ণকলির চলচ্চিত্র!

Send
বিনোদন রিপোর্ট
প্রকাশিত : ২০:২৯, জুন ১১, ২০২০ | সর্বশেষ আপডেট : ০১:১২, জুন ১২, ২০২০

কাজী কৃষ্ণকলি ইসলামগায়িকা হিসেবে অনেকেই জানেন কৃষ্ণকলিকে। তবে তারও আগে টেলিভিশনের জন্য ক্যামেরার পেছনে কাজ করে হাত পাকিয়েছেন তিনি। যা অনেকেরই অজানা।

তার কাছ থেকে এসেছে কয়েকটি ডকুমেন্টারিও। তবে গায়িকা বিশেষণের প্রতাপে সেগুলো সামনে আসেনি। এবার এলো। কারণ বিশ্বের প্রধানতম চলচ্চিত্র উৎসব কানের ৭৩তম আসরে বাণিজ্যিক শাখা ‘মার্শে দ্যু ফিল্ম’-এ অংশ নিচ্ছে তার ছবি ‘এনওসি’।
বিষয়টি বাংলা ট্রিবিউনকে নিশ্চিত করেছেন কৃষ্ণকলির স্বামী সংগীতশিল্পী অর্ক সুমন। এছাড়াও এই বিষয়ে কৃষ্ণকলির ছবি ও বায়োগ্রাফিসহ নিজেদের ওয়েবসাইটে তথ্য প্রকাশ করেছে ইন্টারন্যাশনাল ইমার্জিং ফিল্ম ট্যালেন্ট অ্যাসোসিয়েশন (আইইএফটিএ)।
তবে এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত বিষয়টি নিয়ে কৃষ্ণকলির সরাসরি কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। 
জানা গেছে, ‘এনওসি’ নামের ছবিটি এর আগে ‘ঢাকা ডক ল্যাব’ আয়োজনে স্কলারশিপ পায়। তারই অংশ হিসেবে এটি এবার জমা পড়ে বিশ্বের সবচেয়ে পুরনো ও শীর্ষস্থানীয় চলচ্চিত্র বাজার মার্শে দ্যু ফিল্মে।
কৃষ্ণকলি ছাড়াও এতে একই প্রকল্পের অংশ হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন ভুটানের নির্মাতা অরুণ ভট্টরাই। একইভাবে অন্য দেশের বিভিন্ন প্রকল্প বা উৎসব থেকে এসেছেন যুক্তরাষ্ট্র, মিশর ও ইথিওপিয়ার মোট ৬ নির্মাতা।
এদিকে জানা যায়, আগামী ২২ জুন থেকে ২৬ জুন অনলাইনে চলবে মার্শে দ্যু ফিল্মের আয়োজন। যার মূল উদ্দেশ্যই হলো- সিনেমা কেনা-বেচা। আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র শিল্প ও ফিল্ম প্রফেশনালদের সহযোগিতা করবে স্বতন্ত্র এই অনলাইন মার্কেট।
জানা যায়, পূর্ণাঙ্গ চলচ্চিত্র কিংবা পোস্ট প্রোডাকশনে থাকা ছবি ও প্রজেক্ট উপস্থাপন করার জন্য থাকছে ১৫টি ভার্চুয়াল প্রেক্ষাগৃহ। কারণ, এবার আর সরাসরি কানসৈকতে বসছে না উৎসব।
কান ডকস, কান নেক্সট, প্রডিউচার্স নেটওয়ার্ক, গোজ টু কান, ফ্যান্টাস্টিক সেভেনসহ বেশকিছু কর্মসূচি থাকছে এবারের আয়োজনে।
বাংলাদেশের উদীয়মান চলচ্চিত্রকারদের সহায়তা প্রদানের লক্ষ্যে কান চলচ্চিত্র উৎসবের ৭০তম আসরে চালু হয় ‘ঢাকা টু কান’ শীর্ষক নতুন একটি প্রকল্প। ইন্টারন্যাশনাল ফিল্ম ইনিশিয়েটিভ অব বাংলাদেশের (আইএফআইবি) এই আয়োজনে নেতৃত্ব দিচ্ছেন নির্মাতা সামিয়া জামান। তিনি সংগঠনটির সভাপতি। তাকে সহযোগিতা করছে ইন্টারন্যাশনাল ইমার্জিং ফিল্ম ট্যালেন্ট অ্যাসোসিয়েশন (আইইএফটিএ)।

কানের মার্শে দ্যু ফিল্মের (ফিল্ম কেনাবেচার বাজার) প্রডিউচার্স ওয়ার্কশপে বিশ্বের গুরুত্বপূর্ণ চলচ্চিত্র পরিচালক, চলচ্চিত্র নির্বাহী ও চলচ্চিত্র শিল্পের প্রভাববিস্তারকারী ব্যক্তিদের সঙ্গে বৈঠকের সুযোগ পাচ্ছেন এই বিভাগে যুক্ত হওয়া ছবির নির্মাতারা। এবার বাংলাদেশ থেকে সেই সুযোগটি পাচ্ছেন কৃষ্ণকলি ও তার চলচ্চিত্র ‘এনওসি’।
তবে এটি কান উৎসবের অফিসিয়াল কোনও ঘটনা নয়।

১৯৫৯ সালের কান চলচ্চিত্র উৎসবে স্বল্প পরিসরে এটি চালু হয়েছিল। অল্প সময়ে প্রযোজক, পরিবেশকদের মনোযোগের কেন্দ্রে চলে আসে এই আয়োজন। ১৯৬১ সালের ১০ মে পরিপূর্ণভাবে শুরু হয় ‘মার্শে ইন্টারন্যাশনাল দ্যু ফিল্ম’। সেই থেকে প্রতি আসরে এই বিভাগে বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তের ফিল্ম প্রফেশনালদের স্বাগত জানানো হচ্ছে। প্রেক্ষাগৃহ, টেলিভিশন, ইন্টারনেট প্ল্যাটফর্ম কিংবা অন্যান্য উৎসবে চলচ্চিত্র ও প্রামাণ্যচিত্রের পরিবেশনা স্বত্ব বেচাকেনার ব্যাপারে আলোচনার জন্য এটি এখন বিশ্বের অপরিহার্য ভেন্যু।


/এম/এমএম/

লাইভ

টপ