‘কোনটা গুরুত্বপূর্ণ আর কোনটা অলিগলির উৎসব গুগলই বলে দেয়’

Send
জনি হক
প্রকাশিত : ১৮:৩৯, জুলাই ২৫, ২০২০ | সর্বশেষ আপডেট : ২০:০৫, জুলাই ২৫, ২০২০

বিশ্বের মর্যাদাসম্পন্ন সাংহাই আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবের এশিয়ান নিউ ট্যালেন্ট অ্যাওয়ার্ডের অফিসিয়াল সিলেকশনে সম্মান পেয়েছে বাংলাদেশ-ভারত যৌথ প্রযোজনা ‘মায়ার জঞ্জাল’ (ডেব্রি অব ডিজায়ার)। আজ (২৫ জুলাই) দুপুরে ছবিটির ওয়ার্ল্ড প্রিমিয়ার হয়েছে এসএফসি সাংহাই আর্ট সেন্টারে। এতে অভিনয় করেছেন অপি করিম ও কলকাতার ঋত্বিক চক্রবর্তী।
কথাসাহিত্যিক মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের দুটি ছোটগল্প অবলম্বনে ‘মায়ার জঞ্জাল’-এর চিত্রনাট্য লিখেছেন ও পরিচালনা করেছেন ‘ফড়িং’-খ্যাত ইন্দ্রনীল রায় চৌধুরী। ছবিটি প্রযোজনা করেছেন জসীম আহমেদ। সহযোগী প্রযোজক হিসেবে আছে কলকাতার ফ্লিপবুক। বাংলা ট্রিবিউনের সঙ্গে সাক্ষাৎকারে সাংহাইসহ উৎসব দুনিয়ায় বাংলাদেশের অবস্থান নিয়ে নিজের অভিজ্ঞতা তুলে ধরেছেন এই নির্মাতা-প্রযোজক।জসীম আহমেদ

বাংলা ট্রিবিউন: বিশ্বের ১৫টি উৎসব এফআইএপি’র (চলচ্চিত্র প্রযোজক সমিতির আন্তর্জাতিক ফেডারেশন) এ-গ্রেডের তালিকাভুক্ত, যেগুলো প্রতিযোগিতামূলক। সাংহাই সেগুলোরই একটি। উৎসবটির এশিয়ান নিউ ট্যালেন্ট অ্যাওয়ার্ডে জায়গা পাওয়া নিঃসন্দেহে সম্মানের। এর সুবাদে আপনাদের ছবিটির কী কী লাভ হবে?

জসীম আহমেদ: ‘মায়ার জঞ্জাল’ সেই অর্থে বাণিজ্যিক ছবি নয়। এই ধরনের আর্টপ্রধান ছবির বিনিয়োগ তুলতে আন্তর্জাতিক পরিবেশনার নিশ্চয়তা ভীষণ গুরুত্বপূর্ণ। এক্ষেত্রে শীর্ষস্থানীয় চলচ্চিত্র উৎসবের প্রতিযোগিতা বিভাগের ছবিগুলোর প্রতি এজেন্ট ও পরিবেশকদের দৃষ্টি থাকে এবং তারা যদি মনে করেন– এই ছবিটি দর্শকের কাছে পৌঁছানো প্রয়োজন, তখন তারা এর পরিবেশনার দায়িত্ব নিতে আগ্রহী হয়। যেহেতু আমাদের দুই বাংলার বাজারের অবস্থা আশার আলো দেখায় না। একের পর এক নাজুক ছবি মূলধারা থেকে পরিবেশনের কারণে মধ্যবিত্ত দর্শকরা এখন হলবিমুখ বলা চলে। সুতরাং আন্তর্জাতিক বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মে পরিবেশনা হয়ে গেলে বিনিয়োগ উঠে আসার সম্ভাবনা তৈরি হয়।
বাংলা ট্রিবিউন: সাংহাই উৎসবে এবার এশিয়ান নিউ ট্যালেন্ট অ্যাওয়ার্ডের মনোনয়নে থাকা ছবিগুলোই অফিসিয়াল সিলেকশন হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে। পুরস্কার না থাকায় কি আফসোস হচ্ছে?
জসীম আহমেদ: আমাদের ছবির কাজ এমন সময়ে শেষ হলো যখন পুরো পৃথিবী করোনার সঙ্গে যুদ্ধ করতে করতে বিপর্যস্ত। বার্লিনালের (বার্লিন উৎসব) পর প্রথম শ্রেণির প্রায় সব উৎসব বাতিল হয়েছে বা স্থগিত হয়েছে। এ অবস্থায় আমরা কিছুটা হতাশ হয়ে যাচ্ছিলাম যে, এ বছর আমাদের ছবিটা কি দর্শক পাবে না? এখানে মন খারাপ করার মতো যে প্রশ্নটি মাথায় ঘুরপাক খাচ্ছিল, এ বছর প্রদর্শন করতে না পারলে আগামী বছর ছবিটি পুরনো হয়ে যাবে। তখন দর্শকদের কাছে পৌঁছানো আরও কঠিন হয়ে পড়বে।
এমন অবস্থায় আমরা জানতে পারি, সাংহাই আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসব হচ্ছে। উৎসব কর্তৃপক্ষ বেশ কিছুদিন আগেই আমাদের কাছে পাঠানো আমন্ত্রণপত্রে জানায় যে, ভ্রমণে বিধিনিষেধ ও অন্যান্য প্রতিবন্ধকতার কারণে তারা জুরি ও অতিথি নিতে পারছেন না। তাই প্রতিযোগিতা বিভাগের কোনও ছবিকে পুরস্কার দেওয়া যাচ্ছে না। মনোনয়নে থাকা ছবিগুলোকে অফিশিয়াল সিলেকশন হিসেবে সম্মানিত করা হচ্ছে। যেকোনও পুরস্কারই সম্মানের ও অনুপ্রেরণার। বড় কথা হলো, দুর্যোগকালীন বিশ্বে উৎসবটি হচ্ছে, মানুষকে সিনেমা হলে ফিরিয়ে নেওয়ার প্রচেষ্টায়, অতএব আফসোস থাকার প্রশ্নই নেই।
একটি দৃশ্যে ঋত্বিক চক্রবর্তীবাংলা ট্রিবিউন: সাংহাইয়ে ‘মায়ার জঞ্জাল’-এর ওয়ার্ল্ড প্রিমিয়ার হলো। ছবিটি এ-গ্রেডের আর কোন কোন উৎসবে দেখা যেতে পারে? ইউরোপিয়ান প্রিমিয়ার নিশ্চয়ই তেমন কোনও আয়োজনে হবে!
জসীম আহমেদ: প্রত্যেক পরিচালক-প্রযোজক চান সর্বোচ্চ দর্শকের কাছে তাদের ছবি পৌঁছাতে। এক্ষেত্রে তারা কখনও সফল হন, কখনও হন না। আমাদেরও নিশ্চয়ই সকল গুরুত্বপূর্ণ উৎসবে অংশগ্রহণের আশা থাকাটা স্বাভাবিক। কিন্তু প্রিমিয়ার পলিসিসহ প্রতিটি উৎসবের আলাদা আলাদা নির্বাচন প্রক্রিয়ার কারণে তা হওয়ার নয়। আমাদের কাছে মনে হয়েছে, এই ছবি আরও অনেক গুরুত্বপূর্ণ উৎসবে জায়গা করে নেওয়ার দাবিদার। তবে কোভিড-১৯ প্রাদুর্ভাবের কারণে এ বছর প্রায় সকল উৎসব অনিশ্চয়তায় পড়েছে। আরও দুই-একটি উৎসব আয়োজনের চেষ্টা চলছে ইউরোপে। আমরা ইউরোপিয়ান প্রিমিয়ার ধরে রেখেছি অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ একটি উৎসবের জন্য। এটি অক্টোবরের জন্য নতুন সূচি ঠিক করা হয়েছে। আয়োজকরা আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দিলে সুখবরটা জানাতে পারবো।
বাংলা ট্রিবিউন: আপনার পরিচালিত স্বল্পদৈর্ঘ্য ছবি ‘দাগ’ ও ‘অ্যা পেয়ার অব স্যান্ডেল’ স্বল্পপরিচিত কয়েকটি উৎসবে নির্বাচিত হয়েছিল। ছবি দুটি কানের শর্ট ফিল্ম কর্নারে অংশ নিয়েছে। এবার প্রযোজনায় এসে এ-গ্রেডের তালিকাভুক্ত উৎসবে জায়গা করে নিলেন। এই পথচলাটা কতটা কঠিন ছিল?
জসীম আহমেদ: প্রথমত, আমার আগের ছবিগুলো খুব বড় উৎসবে যায়নি। তবে শর্ট ফিল্মের কিছু গুরুত্বপূর্ণ উৎসবে গেছে, পুরস্কারও পেয়েছে। সেটিকে ওই অর্থে অর্জন বলতে রাজি নই। আর কানের শর্ট ফিল্ম কর্নারে ছবি যাওয়া কোনও অর্জনই নয়। তবে সব ছবিই কান থেকে আন্তর্জাতিক পরিবেশনা পেয়েছে। শর্ট ইন্টারন্যাশনালের মতো প্রতিষ্ঠান যারা অস্কার কোয়ালিফাই করা স্বল্পদৈর্ঘ্য ছবি পরিবেশন করে থাকে, তারা আমার এই ছবিগুলো বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মে পরিবেশন করেছে এবং আন্তর্জাতিক বাজার থেকে বিনিয়োগ তুলতে পেরেছি, এটাকে আমি অর্জন মনে করি।
দ্বিতীয়ত, কানের শর্ট ফিল্ম কর্নার থেকে প্রাপ্ত জ্ঞান, অভিজ্ঞতা ও যোগাযোগ আমাকে পূর্ণদৈর্ঘ্য কাহিনিচিত্র নির্মাণে অনুপ্রাণিত করেছে। কঠিন পথটাকে সহজ করেছে অনেকটা। তাছাড়া পরিচালক ইন্দ্রনীল রায় চৌধুরীসহ পুরো টিম নিজেদের সততা ও মেধার পূর্ণ সদ্ব্যবহার করেছেন এই ছবিতে, যার ফলে প্রযোজক হিসেবে আমার কাজ অনেকটা সহজ হয়ে গেছে।
কলকাতার শুটিংয়ে অপি করিম ও পরাণ বন্দ্যোপাধ্যায়বাংলা ট্রিবিউন: আপনি হয়তো জানেন, গত ৩ জুলাই এ-গ্রেডের তালিকাভুক্ত কার্লোভি ভ্যারি চলচ্চিত্র উৎসবের (চেক প্রজাতন্ত্র) উদ্বোধন হয়েছে ফাঁকা মিলনায়তনে। করোনাভাইরাস মহামারির কারণে শুরু হওয়া ‘নিউ নরমাল’ জীবনযাপনে উৎসবগুলোতে আগের মতো জৌলুস ফেরানো কি সম্ভব? আপনার কী মনে হয়?
জসীম আহমেদ: করোনাভাইরাস সারা পৃথিবীর মানুষকে বাধ্য করেছে অন্য মানুষ থেকে দূরত্ব বজায় রাখতে। তাই আতঙ্কিত মানুষ স্বাভাবিকভাবে গণজমায়েত এড়িয়ে চলছেন। এই অবস্থা থেকে পৃথিবী একদিন মুক্ত হবেই। মানুষ আবারও সিনেমা হলে ফিরবে আমার আশা। তখন আবারও উৎসবগুলো পরিপূর্ণ হবে দর্শকদের পদচারণায়।
বাংলা ট্রিবিউন: কান, জার্মানি, তুরস্ক, ইতালি, রটারডাম, ভারতসহ বিভিন্ন উৎসবে ঘুরেছেন আপনি। হয় সেটা নিজের স্বল্পদৈর্ঘ্য ছবি নিয়ে, নয়তো পরিবেশক খুঁজতে। তো আপনার অভিজ্ঞতা কী বলে, আন্তর্জাতিক বাজারে বাংলাদেশের চলচ্চিত্রের অবস্থান কোথায়?
জসীম আহমেদ: আমরা হাঁটি হাঁটি পা পা করে এগোচ্ছি। বিগত বছরগুলোতে আমাদের বেশকিছু অর্জন আছে। মোস্তফা সরয়ার ফারুকী ওয়ার্ল্ড সিনেমায় ইতোমধ্যে পাকা অবস্থান তৈরি করে ফেলেছেন। রুবাইয়াত হোসেনের ছবি টরন্টোতে প্রিমিয়ারের পর ইউরোপে বিশাল পরিবেশনা পেয়েছে। কামার আহমাদ সাইমন, আবু শাহেদ ইমন, বিজন ইমতিয়াজ, আরিফুর রহমান, মাহাদী হাসান, রেজওয়ান শাহরিয়ার সুমিতসহ একঝাঁক তরুণ নির্মাতা আছেন যারা বাংলাদেশের ছবির ব্র্যান্ড পারসেপশন বদলে দিতে পারেন। আমার কাছে মনে হয়েছে, পুরোপুরি ডেডিকেশন নিয়ে এই কঠিন কাজটি করছেন তারা। গত বছর গোয়া ফিল্ম বাজারের রিকমেন্ডেড ছবির তালিকা দেখে সেই ঢেউটা আমি অনুভব করেছি।
বাংলা ট্রিবিউন: সেটা কী রকম?
জসীম আহমেদ: গোয়া ফিল্ম বাজারে প্রতিবছর দক্ষিণ এশিয়া থেকে জমা পড়া শত শত ছবির মধ্যে মাত্র ২০-২২টি ছবি রিকমেন্ডশনে রাখা হয়। এগুলো বিশ্বের বিভিন্ন উৎসবের প্রোগ্রামার, পরিবেশকসহ অনেকে দেখেন। আমাদের ‘মায়ার জঞ্জাল’ ওয়ার্কিং প্রগ্রেস প্রজেক্ট হিসেবে রিকমেন্ডেশনে ছিল সেখানে। গত বছর গোয়া ফিল্ম বাজারের রিকমেন্ডেশনে আরও ৭-৮টি ছবি ছিল বাংলাদেশের। এসব ছবি যখন ওয়ার্ল্ড সিনেমায় দৃশ্যমান হবে, যেই ঢেউটা আমি অনুভব করেছি তার শব্দ দুনিয়া শুনতে পাবে।
জসীম আহমেদবাংলা ট্রিবিউন: বিশ্বের বিভিন্ন উৎসবে বাংলাদেশের অনেক ছবি জায়গা পায় বা অংশ নেয়। এসব কম গুরুত্বপূর্ণ কিংবা একেবারেই অচেনা উৎসব নিয়ে দেশে গণমাধ্যম কিংবা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে যেরকম প্রচারণা চালানো হয় তা সামগ্রিক অর্থে নেতিবাচক প্রভাব ফেলে বলে মনে করেন?
জসীম আহমেদ: জল আর তেলের মূল্য সমান করে দেখানো কখনও ন্যায়বিচার নয়। এতে করে সত্যিকারের অর্জন চাপা পড়ে যায়। কানের মার্কেটে ইন্ডাস্ট্রি স্ক্রিনিংকে অফিসিয়াল সিলেকশনের সমান গুরুত্ব দিলে দিন শেষে ক্ষতিটা আমাদেরই। যখন আমাদের ছবি কানে অফিসিয়াল সিলেকশনে জায়গা পাবে তখন কি বলবো? হেডলাইন কি হবে, খোদার কসম এইটা আসল কান? আমরা তো আসলে এত দুর্বল নই যে, আমাদের এমন পথে হাঁটতে হবে। এক্ষেত্রে সংবাদকর্মীদের আরেকটু সতর্ক হওয়া প্রয়োজন। গুগলে গেলেই কিন্তু সব ফকফকা দেখা যায়। তাই আমার অনুরোধ, একটু সময় নিয়ে গুগল করলে দুধ আর জলের পার্থক্যের মতো সব পরিষ্কার হয়ে যাবে।
বাংলা ট্রিবিউন: তাহলে কি এ-গ্রেডের তালিকাভুক্ত উৎসব ছাড়া অন্য আয়োজনে ছবি নির্বাচিত হলে গোনায় ধরা ঠিক হবে না?
জসীম আহমেদ: ১৫-২০টি শীর্ষস্থানীয় আয়োজন ছাড়াও পৃথিবীতে আরও প্রায় অর্ধশত গুরুত্বপূর্ণ চলচ্চিত্র উৎসব আছে। সেগুলোর প্রতিযোগিতা বিভাগে যাওয়া ছবিগুলো অবদান রাখতে পারে আমাদের সিনেমার জন্য। এর মধ্যে কোনটি গোনায় ধরার মতো আর কোনটি অলিগলির আয়োজন, সেইসব তথ্য সার্চ ইঞ্জিনের মাধ্যমে মোবাইল ফোনেই মিলে যায় এই যুগে।
বাংলা ট্রিবিউন: প্রতি বছর আমরা অস্কারে ছবি পাঠাই। খবরটা ঘটা করে জানান দেওয়া হয়। গণমাধ্যমেও তা ব্যাপক প্রচারণা পায়। কিন্তু অস্কার জেতা তো দূরের কথা, আমরা কি মনোনয়ন পাওয়ার পথটুকু আজ পর্যন্ত তৈরি করতে পেরেছি?

অপি-ঋত্বিকের ‘মায়ার জঞ্জাল’, সাংহাই উৎসবে প্রিমিয়ার

জসীম আহমেদ: অস্কার বিষয়ক জ্ঞান খুবই সীমিত আমার। তবে একটা জিনিস মনে হয়েছে, আমাদের দেশের অস্কার কমিটি যেসব ছবি থেকে একটি বাছাই করে প্রতিবছর পাঠান সেগুলো দাদাসাহেব ফালকের মতো উৎসবে যাওয়ার মতো কিনা ভাবার সময় হয়েছে। গত কয়েক বছরে পাঠানো ছবির তালিকায় চোখ রাখলে দেখা যাবে, ‘ডুব’ ছাড়া অন্যগুলো না পাঠালেই ভালো হতো। এটা সম্পূর্ণ আমার ব্যক্তিগত মতামত।
আরেকটা বিষয়– খুবই গুরুত্বপূর্ণ ছবি যদি অস্কারে কোয়ালিফাই করার মতো হয় আর বাংলাদেশের অস্কার কমিটি সেই ছবিকে উপেক্ষা করে, তবুও ছবিটার যোগ্যতা থাকলে অস্কারে কোয়ালিফাই করতে পারে। এক্ষেত্রে অস্কার অ্যাফিলিয়েটেড উৎসবে পুরস্কার পেলে পথটা সহজ হয়ে যায়। আমি বিশ্বাস করি, বাংলাদেশের জন্য এমন অর্জন খুব বেশি দূরের ব্যাপার নয়।
বাংলা ট্রিবিউন: অনেক গুরু-গম্ভীর কথা হলো, শেষ করবো বাংলাদেশের দর্শকদের ‌‘মায়ার জঞ্জাল’ দেখার প্রতীক্ষা শেষ কবে হবে জানতে চেয়ে...
জসীম আহমেদ: আশা করি, বিশ্ব পরিস্থিতি অচিরেই স্বাভাবিক হবে। আমাদের দেশসহ সব দেশে স্বাভাবিক গণজমায়েতের মতো পরিস্থিতি দেখা যাবে। তখন দর্শক নিশ্চয়ই সিনেমা হলে ফিরে আসবেন। সেটা যত তাড়াতাড়ি হবে আমরা তত তাড়াতাড়ি ছবিটি মুক্তি দিতে চাই, একই দিনে বাংলাদেশ ও ভারতে।‘মায়ার জঞ্জাল’-এ অপি করিম ও ঋত্বিক

/এমএম/

লাইভ

টপ