এক সময়ের শত্রু বলে বিবেচিত দেশ ভিয়েতনামের ওপর থেকে অস্ত্র নিষেধাজ্ঞা সম্পূর্ণ প্রত্যাহারের ঘোষণা দিয়েছেন ভিয়েতনাম সফররত মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা। এর মধ্য দিয়ে ভিয়েতনামে অস্ত্র বিক্রির ক্ষেত্রে যে মার্কিন প্রতিবন্ধকতা ছিল, তা দূর হবে। ওবামার ঘোষণা বাস্তবায়িত হলে ভিয়েতনামের কাছে অস্ত্র বিক্রি করতে পারবে যুক্তরাষ্ট্র।
ভিয়েতনাম সফরে দেশটির কমিউনিস্ট নেতৃবৃন্দের সঙ্গে বৈঠকে অস্ত্র বিক্রির ওপর জারি থাকা মার্কিন নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়ার ঘোষণা দেন ওবামা।
ভিয়েতনামের কাছে অস্ত্র বিক্রির ওপর যে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা রয়েছে, ওবামার সফরের সময় সেটি প্রত্যাহার করার ঘোষণা আসবে বলে প্রত্যাশা ছিল ভিয়েতনাম সরকারের। সেই প্রত্যাশায় সাড়া দিয়েই এ ঘোষণা দিলেন ওবামা। হ্যানয়ে দেশটির ঊর্ধ্বতন নেতৃবৃন্দের সঙ্গে বৈঠকে এক সময়ের বৈরি দুটি দেশের মধ্যে সাম্প্রতিক সময়ে নানান বিষয়ে সহযোগিতার হার বাড়ছে বলে উল্লেখ করে সেটিকে আরো এগিয়ে নেবার আশ্বাস দেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট।
এরআগে যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় নিরাপত্তা বিষয়ক উপ-উপদেষ্টা বেন রোডস বলেছিলেন, ‘ভিয়েতনামের ওপর থেকে অস্ত্র নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়ার বিষয়ে আলোচনা হবে। নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়া হলে ভিয়েতনাম তার প্রতিরক্ষা বাড়াতে পারবে।’ তবে হোয়াইট হাউসের পক্ষ থেকে বলা হয়েছিল, ‘ভিয়েতনামে মানবাধিকার পরিস্থিতির উন্নতি হলেই কেবল অস্ত্র নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়া হবে।’
তিনদিনের রাষ্ট্রীয় সফরে ওবামা রবিবার (২২ মে) রাতে ভিয়েতনামের রাজধানী হ্যানয়ে পৌঁছান। বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামার ভিয়েতনাম সফরের মধ্য দিয়ে যুক্তরাষ্ট্র-ভিয়েতনাম দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক জোরালো হবে বলে আশা করা হচ্ছে। ভিয়েতনাম যুদ্ধের পর তৃতীয় মার্কিন প্রেসিডেন্ট হিসেবে ওবামা ভিয়েতনাম সফরে গেছেন। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি জানিয়েছে, ওবামার এই সফরে দুই দেশের মধ্যে অস্ত্র ও বাণিজ্য বিষয়ে চুক্তি হতে পারে। সূত্র: বিবিসি।
/বিএ/








