থাইল্যান্ডের বন্যপ্রাণী কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে ওয়াত ফা লুয়াং তা বুয়া নামের ওই বৌদ্ধ মন্দিরের বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হবে। কাঞ্চনাবুরি প্রদেশের ওই মন্দিরে ১৩৭ টি বাঘ আটক থাকার খবর পেয়ে প্রায় এক সপ্তাহ চেষ্টা করে ৪০ টি বাঘের বাচ্চার মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়।
পুলিশ কর্নেল বেনডিথ মেয়ুংশুখুমা জানান, বাঘের বাচ্চাগুলোর বয়স এক বা দুইদিন। তবে এগুলো কতদিন আগে মারা গেছে তা এখনও স্পষ্ট নয়।
মন্দির কর্তৃপক্ষ বাঘ পাচারের অভিযোগ অস্বীকার করে বলেছে, ২০১০ সাল থেকেই তারা মৃত বাঘের শেষকৃত্য করা বন্ধ করে দিয়েছে। বরং বাঘের বাচ্চা পাচারের অভিযোগের বিরুদ্ধে প্রমাণ হিসেবেই মৃতদেহগুলো ফ্রিজে সংরক্ষণ করা হয়েছিল।
সোমবার থেকেই কর্তৃপক্ষ ১৩৭টি জ্যান্ত বাঘ ওই মন্দির থেকে স্থানান্তর শুরু করেছে।
আরও পড়ুন: থাইল্যান্ডের সেই বৌদ্ধ মন্দিরটি থেকে ৪০টি মৃত বাঘশাবক উদ্ধার
প্রসঙ্গত, ২০১৫ সালের ফেব্রুয়ারি মাসেও ওয়াত ফা লুয়াং তা বুয়া নামের ওই বৌদ্ধমন্দিরে অভিযান চালিয়েছিল বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ কর্তৃপক্ষ। তখন সেখান থেকে শিয়াল, ভালুক ও ধনেশ পাখি সরিয়ে নেয়া হয়েছিল। টাইগার টেম্পল নামের এই মন্দিরে পর্যটকেরা অর্থের বিনিময়ে বাঘসহ অন্যান্য বন্যপ্রাণী দেখতে পারতেন, ছবিও তুলতে পারতেন, এমনকি সেগুলোকে খাবারও খেতে দিতে পারতেন। তবে পুলিশি অভিযান শুরুর পর মন্দিরে সাধারণ মানুষের প্রবেশ বন্ধ রাখা হয়েছে।
সূত্র:বিবিসি
/ইউআর/








