ভারী বর্ষণজনিত বন্যার কবলে পড়েছেন চীনের দক্ষিণাঞ্চলের বাসিন্দারা। গত শনিবার থেকে এখন পর্যন্ত বন্যার তাণ্ডবে নিহত হয়েছেন অন্তত ২২ জন। নিখোঁজ রয়েছেন কমপক্ষে ২০ জন। চীনা সূত্রের বরাত দিয়ে সোমবার এ খবর জানিয়েছে বার্তা সংস্থা রয়টার্স।
দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের চংকিং এলাকায় ভারী বর্ষণে বিভিন্ন নদীর পানি উপচে পড়ে। মূলত এর ফলেই আকস্মিক বন্যা দেখা দেয়। বন্যার পানিতে তলিয়ে গেছে বিস্তীর্ণ ফসলি জমি।
চংকিং এলাকার বন্যা নিয়ন্ত্রণ দফতর জানিয়েছে, সেখানে বন্যায় ১ হাজার ১৯৭ জন বাস্তুচ্যুত হয়েছেন। এছাড়া ৬৬টি ঘরবাড়ি ধ্বংস হয়েছে।
পার্শ্ববর্তী সিচুয়ান প্রদেশে রোববার ভারী বর্ষণ ও ভূমিধসে চার জনের প্রাণহানি হয়েছে।
ইয়াংতাজ নদীর শাখা নদী ইয়ংগিংয়ের পানি গত ৮০ বছরের মধ্যে সবচেয়ে বেশি বেড়েছে। নদীর পানি বিপদসীমার ১ দশমিক ৪৩ মিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।
শনিবার সকাল থেকে ভারী বর্ষণে ২৬ হাজার ৯শ’ হেক্টর জমির ফসল নষ্ট হয়েছে, ২৬৬ টি বাড়ি বিধ্বস্ত এবং ১৬ হাজার মানুষ অন্যত্র আশ্রয় নিতে বাধ্য হয়েছে।
চীনে বন্যা-ভূমিধসে প্রাণহানি নতুন কিছু নয়। গত বছরের নভেম্বরে দেশটিতে বন্যায় অন্তত ২৫ জনের মৃত্যু হয়। ২০১৪ সালের জুলাইয়ে বন্যা ও বজ্রপাতে কমপক্ষে ২০ জনের মৃত্যু হয়।
২০১৩ সালের আগস্টে চীনের উত্তর-পূর্ব ও দক্ষিণাঞ্চলে কয়েক দিনের ভারী বর্ষণজনিত বন্যায় অন্তত ৯১ জনের প্রাণহানির ঘটনা ঘটে। হেইলংজিয়াং, জিলিং, লিওয়াওনিং ও গুয়াংডং প্রদেশ থেকে তখন প্রায় আট লাখ ৪০ হাজারের বেশি লোককে অন্যত্র সরিয়ে নেওয়া হয়। সূত্র: রয়টার্স।
/এমপি/








