ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী ডেভিড ক্যামেরন ব্রেক্সিট নিয়ে গণভোটের ফলের প্রেক্ষিতে পদত্যাগের ঘোষণা দেওয়ার পর আলোচনায় উঠে আসে কে হচ্ছেন পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী। ক্ষমতাসীন কনজারভেটিভ পার্টির নেতৃত্ব নিয়েও নতুন করে আলোচনার সূত্রপাত হয়। দলীয় নেতৃত্ব অর্থমন্ত্রী জর্জ অসবর্নের হাতে যেতে পারে বলে ধারণা করা হয়েছিল। তবে এমন ধারণা নাকচ করে দিয়েছেন খোদ জর্জ অসবর্ণ নিজে।
মঙ্গলবার দ্য টাইমস পত্রিকায় এক লেখায় অসবর্ন বলেন, ইইউতে থাকার পক্ষে (রিমেইন) প্রচারণা চালানোর কারণে তিনি দলের নেতৃত্ব দেয়ার জন্যে আর যোগ্য নন। গণভোটে ইইউ ছাড়ার পক্ষে ৫২ এবং থাকার পক্ষে ৪৮ শতাংশ ভোটার ভোট দেয়।
অসবর্ণ বলেন, আমি গণভোটে ইইউতে থাকার পক্ষে কঠোর প্রচারণা চালিয়েছিলাম। কারণ আমি যা বিশ্বাস করেছি তার জন্যে লড়াই করেছি। এখন ফলাফল আমি পুরোই মেনে নিয়েছি। তাই দলের জন্যে যে ঐক্য দরকার তার জন্যে আমি যোগ্য লোক নই।
দলীয় নেতা হিসেবে ক্যামেরনের উত্তরসূরীকে সম্ভবত সেপ্টেম্বরে নিয়োগ দিতে হবে। যাকে প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্বও নিতে হবে। কিন্তু এ বিষয়ে জনগণের রায় পেতে সম্ভবত সাধারণ নির্বাচন দিতে হবে।
এদিকে দলীয় নেতৃত্বের দৌড়ে সামনের সারিতে রয়েছেন লন্ডনের সাবেক মেয়র বরিস জনসন ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী থেরেসা মে। তবে জনসনের তুলনায় মে’র পক্ষে সমর্থন বেশি। টাইমসে প্রকাশিত ইউগভ জনমত জরিপে দেখা গেছে ৩১ শতাংশ মে এবং ২৪ শতাংশ জনসনের পক্ষে সমর্থন দিয়েছেন।
জনসন ইইউ ছাড়ার (লিভ) পক্ষে এবং মে না ছাড়ার পক্ষে প্রচারণা চালান। তবে জনসন প্রচারণার নেতৃত্বে থাকলেও মে’র ভূমিকা তেমন জোরালো ছিল না। সূত্র: দ্য গার্ডিয়ান, ডেইলি এক্সপ্রেস।
/এমপি/








