গুলশানের হলি আর্টিজান বেকারির হামলাকারীরা ‘থ্রিমা’ নামের একটি নিরাপদ মেসেজিংয়ের অ্যাপ্লিকেশন (অ্যাপ) ব্যবহার করেছিল। জিম্মিদের নৃশংসভাবে হত্যা করার পর সেই ছবি আপলোড করে তা পাঠাতে ওই অ্যাপটি ব্যবহার করা বলে টাইমস অব ইন্ডিয়ার এক প্রতিবেদনে এ দাবি করা হয়। তাদের দাবি, প্রমাণ লোপাটের উদ্দেশ্যেই এই অ্যাপ ব্যবহার করা হয়েছিল। আর এতে তারা সফলও হয়েছে।
উল্লেখ্য, ‘থ্রিমা’ হলো নিরাপদ মেসেজিংয়ের একটি অ্যাপ্লিকেশন। এটি ব্যবহার করে বার্তা পাঠালে ওই অ্যাপ নিজে নিজেই তা সার্ভার থেকে মুছে ফেলতে পারে। পরিচয় গোপন রেখে এটি ব্যবহার করা যায় বলে ব্যবহারকারীকে শনাক্ত করা যায় না। আর তাই গুলশান হামলার তদন্তে ওই অ্যাপ ব্যবহারের নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে বলে আশঙ্কা করছে টাইমস অব ইন্ডিয়া। তারা বলছে, এতে ওই রাতের ফরেনসিক তথ্য পাওয়ার কাজটি কঠিন হয়ে গেছে।
টাইমস অব ইন্ডিয়া বলছে, বাংলাদেশের কর্তৃপক্ষ আক্রমণকারী ও জঙ্গি সংগঠন জেএমবির মধ্যকার সম্পর্ক বের করার চেষ্টা করছেন।
র্যাবের মহাপরিচালক (ডিজি) বেনজির আহমেদ টাইমস অব ইন্ডিয়াকে বলেন, ‘তদন্ত চলছে। প্রাথমিক তদন্তে যেটুকু জানা গেছে তা থেকে বলতে পারি, জেএমবির সঙ্গে এদের যোগসূত্র আছে।’
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, জঙ্গিদের সাহায্যকারী হিসেবে আরও ছয়জনকে খুঁজছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। গত মঙ্গলবার নাম প্রকাশ না করা দুজন সন্দেহভাজনকে জেরা করা হয়। এদের বিষয়ে কোনো তথ্য প্রকাশ করেননি কর্তৃপক্ষ। একজন হাসাপাতালে চিকিৎসাধীন। সূত্র: টাইমস অব ইন্ডিয়া, উইকিপিডিয়া
/বিএ/








