২০১৭ সালে ভারতের উত্তর প্রদেশে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া বিধানসভা নির্বাচনে অন্তত ১শ’ মুসলিমকে প্রার্থী করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে মায়াবতীর দল বহুজন সমাজবাদী পার্টি (বিএসপি)। সাম্প্রতিক এক ‘রিপোর্ট’ থেকে এমন তথ্য জানতে পেরেছে ভারতের সংবাদমাধ্যমগুলো। তবে সেই রিপোর্ট বিএসপির কোনও অভ্যন্তরীণ রিপোর্ট কিনা, তা জানা যায়নি।
টাইমস অব ইন্ডিয়ার খবরে বলা হয়েছে, দলিত-মুসলিম ভোটারদের আকৃষ্ট করার চেষ্টার অংশ হিসেবে এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সম্ভাব্য প্রার্থীদের বেশিরভাগকেই উত্তর প্রদেশের পশ্চিমাঞ্চলীয় আসনগুলোতে মনোনয়ন দেওয়ার কথা ভাবা হচ্ছে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, এরইমধ্যে সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের কাজ শুরু করে দিয়েছে বিএসপি। শনিবার বিজনোর জেলার আটটি আসনের মধ্যে পাঁচটিতেই মুসলিম প্রতিনিধি মনোনয়ন দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে তারা।
এদিকে দলিত-মুসলিম ভোটারদের কাছে টানতে মায়াবতীর চেষ্টা দেখে ক্ষমতাসীন দল সমাজবাদী পার্টি খানিকটা উদ্বেগেই পড়েছে। বিজনোর জেলার ৮টি আসনের মধ্যে চারটি আসনে মুসলিম প্রার্থী ঘোষণা করেছে দলটি। বিএসপি’র নেতা জিতেন্দ্র সাগর বলেন ‘৫টি আসনে মুসলিম প্রার্থী দেওয়ার সিদ্ধান্তটি দলের প্রধান মায়াবতী নিয়েছেন। এটি ২০১৭ সালের নির্বাচনে আমাদের দলের লক্ষ্য পূরণে সহায়তা করবে বলে আশা করা হচ্ছে।
সমাজবাদী পার্টির জেলা সভাপতি অনীল যাদব বলেন, ‘বিএসপি’র কৌশল আমাদের দলের ওপর প্রভাব ফেলবে না। আমাদের ভিত্তি খুব মজবুত। মুখ্যমন্ত্রী অখিলেশ যাদব খুব ভালো করে কাজ করে যাচ্ছেন। আগামী নির্বাচনেও আমাদের দল জয় পাবে।’
টাইমস অব ইন্ডিয়ার প্রতিবেদনে বলা হয়, বিজনোরে মুসলিম সম্প্রদায়ের প্রচুর সংখ্যক মানুষ বসবাস করেন। এখানে ১ লাখেরও বেশি মুসলিম এবং ৫০ হাজারেরও বেশি দলিত ভোট রয়েছে। গত বিধানসভা নির্বাচনে জেলার চারটি আসনে জয় পায় বিএসপি। আর বাকি চারটি আসনের মধ্যে বিজেপি ও সমাজবাদী পার্টি দুটি আসনে জয় পায়। জেলার আটটি আসনের বাকি দুটি সংরক্ষিত।
/এফইউ/বিএ/








