তুরস্কে ১০০ গোয়েন্দা কর্মকর্তা বরখাস্ত

বিদেশ ডেস্ক
১৯ জুলাই ২০১৬, ২০:৫৩আপডেট : ১৯ জুলাই ২০১৬, ২১:০৩

ব্যর্থ সেনা অভ্যুত্থানে গোয়েন্দা বিভাগের ব্যর্থতার অভিযোগে তুরস্কে ১০০ গোয়েন্দা কর্মকর্তাকে বরখাস্ত করা হয়েছে। ১৯ জুলাই মঙ্গলবার তাদের বরখাস্ত করা হয়। বরখাস্তকৃত কর্মকর্তাদের অভ্যুত্থানের পক্ষের সন্দেহভাজন হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।

এর আগে ব্যর্থ অভ্যুত্থানে জড়িত সন্দেহে প্রায় ৮ হাজার পুলিশ কর্মকর্তাকে বরখাস্ত করে তুরস্ক। বরখাস্তের পৃথক তালিকায় সেনা সদস্যরাও ছিলেন। এছাড়াও বরখাস্ত হয়েছেন তুরস্কের ২ হাজার ৭৪৫ জন বিচারকও।

এদিকে গণতন্ত্র সমুন্নত রাখা এবং ভিন্নমতের প্রতি সহনশীলতা দেখাতে তুরস্কের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী জন কেরি। এর ব্যত্যয় ঘটলে মার্কিন নেতৃত্বাধীন সামরিক জোট ন্যাটো থেকে তুরস্কের সদস্যপদ ছিনিয়ে নেওয়ারও হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেছেন তিনি। বেলজিয়ামের রাজধানী ব্রাসেলসে ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) পররাষ্ট্র নীতি বিষয়ক প্রধান ফেডেরিকা মোঘারিনি ও মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী জন কেরির যৌথ সংবাদ সম্মেলনে এ হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেন মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী।

জন কেরি ও ফেডেরিকা মোঘারিনি

মার্কিন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে বলা হয়েছে, ওই ব্যর্থ অভ্যুত্থানের বিষয়ে তুরস্ক কি প্রতিক্রিয়া দেখায় ন্যাটো তা পর্যবেক্ষণ করছে।

১৫ জুলাই ২০১৬ শুক্রবার রাতের ওই ব্যর্থ অভ্যুত্থানে সেনাবাহিনীর একাংশ ট্যাংক ও সাঁজোয়া যান নিয়ে রাস্তায় নেমেছিল। তবে নির্বাচিত প্রেসিডেন্ট রজব তাইয়্যেব এরদোয়ানের আহ্বানে লাখো মানুষ রাজপথে নেমে তাদের সেই চেষ্টা ব্যর্থ করে দেয়।

ব্যর্থ অভ্যুত্থানের পর তুরস্ক সরকার বিদ্রোহী সেনাদের মৃত্যুদণ্ডের বিধান পাসের ইঙ্গিত দেওয়ার পর যুক্তরাষ্ট্র এ হুঁশিয়ারি দিয়েছে।

ব্যর্থ সেনা অভ্যুত্থানে জড়িত সন্দেহে ইতোমধ্যে তুরস্কের ৮ হাজার পুলিশ কর্মকর্তাকে বরখাস্ত করা হয়েছে। এছাড়া দেশটির বিচার বিভাগের সদস্য ও সেনাবাহিনীর জেনারেলসহ আরও অন্তত ৬ হাজার জনকে আটক করা হয়েছে। সেনা অভ্যুত্থান চেষ্টার পর দেশটিতে গণতান্ত্রিক নীতি বজায় রাখার আহ্বান জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপীয় ইউনিয়ন।

ব্রাসেলসে যৌথ সংবাদ সম্মেলনে ইইউ’র পররাষ্ট্র নীতি বিষয়ক প্রধান ফেডেরিকা মোঘারিনি ও মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী জন কেরি প্রায় একই ভাষায় বলেন, তারা তুরস্কের নির্বাচিত সরকারের পাশে রয়েছেন। একইসঙ্গে তারা গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানের জন্য সর্বোচ্চ মান এবং আইনের শাসন সমুন্নত রাখতে তুর্কি সরকারের প্রতি আহ্বান জানান।

মোঘারিনি ও জন কেরি বলেন, অভ্যুত্থানে জড়িতদের বিচারের আওতায় আনতে আমাদের সমর্থন রয়েছে। কিন্তু পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে যায় এ রকম পদক্ষেপের বিষয়ে আমরা উদ্বিগ্ন এবং গণতান্ত্রিক শাসন বজায় রাখতে আমরা জোর গুরুত্বারোপ করছি।

ইইউর পররাষ্ট্র নীতি বিষয়ক প্রধান ফেডেরিকা মোঘারিনি বলেছেন, তুরস্ক যদি পুনরায় মৃত্যুদণ্ডের বিধান চালু করে তাহলে ইউরোপীয় ইউনিয়নে যোগ দিতে পারবে না দেশটি।

তিনি বলেন, আমাকে বলতে দিন...একটি বিষয় পরিষ্কার করি; মৃত্যুদণ্ডের বিধান কার্যকর করলে কোনও দেশ ইউরোপীয় ইউনিয়নের সদস্য হতে পারবে না।

তুরস্কে ১০০ গোয়েন্দা কর্মকর্তা বরখাস্ত

ইউরোপীয় ইউনিয়নের সহযোগী দেশ হিসেবে যোগ দেওয়ার পর ২০০৪ সালে তুরস্কে মৃত্যুদণ্ড বিলুপ্ত ঘোষণা করা হয়। এছাড়া ১৯৮৪ সাল থেকে এখন পর্যন্ত দেশটিতে কাউকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়নি।

ফেডেরিকা মোঘারিনি ব্রাসেলসে বলেছেন, আইনের শাসন থেকে তুরস্ককে পেছনে নিয়ে যাবে এমন পদক্ষেপ ঠেকাতে কোনও অজুহাতের তোয়াক্কা করা হবে না। বসফরাস ব্রিজ এলাকায় অভ্যুত্থান প্রচেষ্টায় যুক্ত সেনাসদস্যদের ওপর চড়াও হয় উত্তেজিত জনতা।

এরইমধ্যে তুরস্কে অভ্যুত্থান চেষ্টার সঙ্গে জড়িত সন্দেহে প্রায় ৮ হাজার পুলিশ সদস্যকে বরখাস্ত করা হয়েছে। এর আগে দেশটির সামরিক বাহিনী ও বিচার বিভাগের প্রায় ৬ হাজার সদস্যকে বরখাস্ত করা হয়। এর মধ্যে সেনাবাহিনীর কয়েকজন জেনারেলও রয়েছেন।

অভ্যুত্থান চেষ্টা নিয়ন্ত্রণের পর তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রজব তাইয়্যেব এরদোয়ান বলেছেন, রাষ্ট্রের সব স্তর থেকে ‘ভাইরাস’ ঝেড়ে ফেলা হবে। ভাইরাস বলতে তিনি অভ্যুত্থান চেষ্টার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সবাইকে বুঝিয়েছেন।

তুরস্কের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম আনাদোলু এজেন্সি জানিয়েছে, সোমবার দেশজুড়ে অভিযান চালিয়ে প্রায় ১০০ জেনারেল ও অ্যাডমিরালকে আটক করা হয়েছে।

রবিবার এক টেলিভিশন সাক্ষাৎকারে ব্যর্থ অভ্যুত্থানের জন্য ফেতুল্লাহ গুলেনের বিষয়ে মুখ খোলেন তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রজব তাইয়্যেব এরদোয়ান। তিনি বলেন,‘এর মধ্যেই আমি মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামার সঙ্গে কথা বলেছি। তাকে জানিয়েছি যাতে পেনসিলভানিয়ার সেলোরসবার্গের ৪০০ একরের বাসভবন থেকে গুলেনকে উৎখাত করে তুরস্কের হাতে তুলে দেওয়া হয়।’

রজব তাইয়্যেব এরদোয়ান বলেন,‘যে ঘটনাটি (ব্যর্থ সেনা অভ্যুত্থান চেষ্টা) ঘটেছে তা অনৈতিক ও বেআইনি। যে গোষ্ঠী এই ঘটনা ঘটিয়েছে তারা কোনোভাবেই একটি গণতান্ত্রিক দেশের সেনার প্রতিনিধিত্ব করতে পারে না।’

এদিকে এরদোয়ানের এই দাবির পরিপ্রেক্ষিতে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী জন কেরি বলেছেন, ‘আমরা জানতাম গুলেন নিয়ে প্রশ্ন উঠবেই। আর সেই কারণেই আমরা তুরস্ক সরকারকে আমন্ত্রণ জানাচ্ছি, এই বিষয়ে আমাদের কাছে বিবেচনা সাপেক্ষ বৈধ তথ্যপ্রমাণ পাঠান। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র তা গ্রহণ করবে এবং ভালো করে পরীক্ষা করার পর যথাযোগ্য সিদ্ধান্ত নেবে।’

এর আগেও একাধিকবার গুলেনকে দেশে ফেরাতে চাইলেও তা পারেনি এরদোয়ান সরকার।

বসফরাস ব্রিজ এলাকায় অভ্যুত্থান প্রচেষ্টায় যুক্ত সেনাসদস্যদের ওপর চড়াও হয় উত্তেজিত জনতা।

১৫ জুলাই ২০১৬ শুক্রবার রাতের ওই ব্যর্থ অভ্যুত্থানে সেনাবাহিনীর একাংশ ট্যাংক ও সাঁজোয়া যান নিয়ে রাস্তায় নেমেছিল। তবে নির্বাচিত প্রেসিডেন্ট রজব তাইয়্যেব এরদোয়ানের আহ্বানে লাখো মানুষ রাজপথে নেমে তাদের সেই চেষ্টা ব্যর্থ করে দেয়। অভ্যুত্থানকারী সেনাসদস্যদের সঙ্গে রাজপথে এরদোয়ান সমর্থকদের সংঘর্ষে দু’পক্ষের ২৯০ জন নিহত হন। এর মধ্যে অভ্যুত্থানকারী সেনাসদস্য ১০৪ জন। অন্যরা পুলিশ ও বেসামরিক নাগরিক। আহত হন প্রায় দেড় হাজার মানুষ। অভ্যুত্থানে অংশ নেওয়া শীর্ষ পর্যায়ের কর্মকর্তাসহ প্রায় তিন হাজার সেনাসদস্যকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

তুরস্কের প্রধানমন্ত্রী বিনালি ইয়েলদ্রিম ১৬ জুলাই শনিবার সন্ধ্যায় বলেন, অভ্যুত্থানচেষ্টার সমাপ্তি ঘটেছে। বিদ্রোহ পরিকল্পনাকারীদের মধ্যে ২০ জন মারা গেছেন। আহত হয়েছেন ৩০ জন।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার পর সরকার সশস্ত্র বাহিনী ও বিচার বিভাগে ব্যাপক শুদ্ধি অভিযান চালায়। বরখাস্ত করা হয়েছে ৫ জন জেনারেল ও ২৯ জন কর্নেলকে। অভ্যুত্থান পরিকল্পনাকারী হিসেবে সেনাবাহিনীর তৃতীয় ডিভিশনের কমান্ডার জেনারেল এরদাল ওজতুর্ককে গ্রেফতার করা হয়েছে। এরদোয়ানের দল জাস্টিস অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট পার্টি (একে পার্টি) নির্বাচনে বিজয়ী হয়ে ২০০৩ সাল থেকে ক্ষমতায় রয়েছে। তবে ইসলামপন্থী নানা উদ্যোগের ফলে তিনি দেশটির সেনাবাহিনীর একাংশসহ ধর্মনিরপেক্ষ গোষ্ঠীর বিরাগভাজন হয়েছেন।

শুক্রবার রাতে রাজধানী আঙ্কারা ও প্রধান শহর ইস্তানবুলে প্রেসিডেন্ট এরদোয়ান সরকারের বিরুদ্ধে সেনাবাহিনীর একাংশ ট্যাংক, সাঁজোয়া যান, যুদ্ধবিমান ও হেলিকপ্টার নিয়ে অভ্যুত্থানের চেষ্টা চালায়। এরদোয়ান তখন ছিলেন রাজধানী থেকে ৬০০ কিলোমিটার দূরে ভূমধ্যসাগরের তীরবর্তী একটি অবকাশযাপন কেন্দ্রে।

অভ্যুত্থানকারী সেনাসদস্যরা আঙ্কারা ও ইস্তানবুলের কৌশলগত গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনার নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নেন। তারা রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন টিআরটি দখল করে সেখান থেকে ‘গণতান্ত্রিক ও সাংবিধানিক শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনা এবং মানবাধিকার সমুন্নত রাখার’ লক্ষ্যে সামরিক অভ্যুত্থানের ঘোষণা দেন। এ ছাড়া সামরিক আইন ও সান্ধ্য আইন জারি করেন। জনগণকে ঘরে থাকতে আহ্বান জানান এবং পুরো পরিস্থিতি তাঁদের নিয়ন্ত্রণে আছে বলে দাবি করেন।

অভ্যুত্থানচেষ্টা চলার সময় যুদ্ধবিমান থেকে পার্লামেন্ট ভবনে কয়েক দফায় বোমা হামলা চালানো হয়। আঙ্কারায় পুলিশ সদর দফতরে বোমাবর্ষণ করা হলে ১৭ জন পুলিশ সদস্য মারা যান। ইস্তানবুলের বসফরাস প্রণালির ওপর একটি সেতুতে অবস্থান নিয়ে যান চলাচল বন্ধ করে দেন বিদ্রোহী সেনাসদস্যরা। ইস্তানবুলের বিমানবন্দরও দখলে নেন তাঁরা। সব আন্তর্জাতিক ফ্লাইট বন্ধ করে দেওয়া হয়। ফেসবুক, টুইটারসহ বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের ওপর নিয়ন্ত্রণ আরোপ করা হয়।

এর মধ্যে ইস্তানবুলের তাকসিম স্কয়ারে জড়ো হওয়া জনতার ওপর কয়েক দফায় গুলি ও বোমাবর্ষণ করা হয়। বিভিন্ন গণমাধ্যম কার্যালয়ে গিয়ে সম্প্রচার কার্যক্রম বন্ধ করে দেন অভ্যুত্থানকারীরা। বিভিন্ন এলাকায় এই সেনারা অবস্থান নেন। এ সময় পুলিশের সঙ্গে তাঁদের সংঘর্ষ হয়। প্রতিবেশী বুলগেরিয়ার সঙ্গে সীমান্ত বন্ধ করে দেওয়া হয়।

সেনা অভ্যুত্থান শুরু হওয়ার পর প্রথম কয়েক ঘণ্টায় পরিস্থিতি বিদ্রোহীদের নিয়ন্ত্রণে ছিল বলে মনে হচ্ছিল। তবে প্রধানমন্ত্রী বিনালি ইয়েলদ্রিম দাবি করেন, কিছু সেনাসদস্য অভ্যুত্থানের চেষ্টা করছেন, তবে পরিস্থিতি সরকারের নিয়ন্ত্রণে আছে।

অভ্যুত্থানচেষ্টা শুরু হওয়ার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই প্রেসিডেন্ট এরদোয়ান সিএনএনের তুর্কি ভাষার চ্যানেলে যোগাযোগ করেন। এ সময় তিনি নিজের মুঠোফোনের ফেসটাইটম অ্যাপের মাধ্যমে চ্যানেলে একটি ভিডিও বার্তা পাঠান। এতে তিনি জনগণকে রাস্তায় নেমে ‘গণতন্ত্রবিরোধী অভ্যুত্থান’ প্রতিরোধ করার আহ্বান জানান। এরদোয়ান বলেন, অভ্যুত্থানকারীদের রাষ্ট্রবিরোধী কর্মকাণ্ডের জন্য চড়া মূল্য দিতে হবে। দেশের নিয়ন্ত্রণ তাঁর হাতেই আছে।

এরপর থেকেই দাবার ঘুঁটি উল্টে যেতে থাকে। সাধারণ মানুষ ও এরদোয়ানের দলের সদস্য ও সমর্থকেরা রাস্তায় নেমে আসতে থাকেন। তাঁরা দেশের জাতীয় পতাকা হাতে সেনাবাহিনীর ট্যাংকের সামনে অবস্থান নিয়ে প্রতিবাদ করতে থাকেন। বিভিন্ন স্থাপনায় জাতীয় পতাকা টাঙিয়ে দেন। প্রথম দিকে সেনাসদস্যরা জনতার দিকে অস্ত্র তাক করেন এবং ফাঁকা গুলি ছোড়েন। তবে জনতার প্রতিরোধের মুখে তাঁরা পিছু হটতে থাকেন। বিভিন্ন জায়গায় জনতার সহায়তায় অভ্যুত্থানকারী সেনাসদস্যদের গ্রেফতার করে পুলিশ। এ সময় কয়েক স্থানে ট্যাংক ও সাঁজোয়া যানের ওপর উঠে অভ্যুত্থানকারীদের মারধর করে জনতা।

ইস্তানবুল ও আঙ্কারা কিছু কিছু জায়গায় অভ্যুত্থানকারী সেনাসদস্যরা নিজেদের অবস্থান সংহত করার চেষ্টা করলেও তা শেষ পর্যন্ত কাজে আসেনি। আঙ্কারায় অভ্যুত্থানকারীদের হেলিকপ্টার ও যুদ্ধবিমান ভূপাতিত করে সরকারের অনুগত বাহিনী।

পরিস্থিতি যখন প্রায় সরকারের নিয়ন্ত্রণে চলে আসে, তখন এরদোয়ান ইস্তানবুলের কামাল আতাতুর্ক বিমানবন্দরে অবতরণ করেন। এ সময় বিমানবন্দরে অবস্থানকারী সেনাসদস্যদের ঘেরাও করে জনতা। পুরো বিমানবন্দর তখন জনতার নিয়ন্ত্রণে। সেখানে সংবাদ সম্মেলন করে যুক্তরাষ্ট্রে স্বেচ্ছানির্বাসনে থাকা তুরস্কের ধর্মীয় নেতা ফেতুল্লা গুলেন এবং তাঁর অনুগত সেনা কর্মকর্তা ও সদস্যদের অভ্যুত্থানের জন্য দায়ী করেন এরদোয়ান। তিনি বলেন, এ ধরনের অভ্যুত্থান জনগণের সঙ্গে প্রতারণা। অভ্যুত্থানকারীদের চড়া মূল্য দিতে হবে।

/এমপি/

সম্পর্কিত
সর্বশেষ খবর
মন্ত্রিত্ব ছাড়া দীপেন দেওয়ান লিখলেন ‘বিএনপি আমার শেষ ঠিকানা’
মন্ত্রিত্ব ছাড়া দীপেন দেওয়ান লিখলেন ‘বিএনপি আমার শেষ ঠিকানা’
গৃহবধূকে ধর্ষণ, ছাত্রদল নেতা গ্রেফতার
গৃহবধূকে ধর্ষণ, ছাত্রদল নেতা গ্রেফতার
রাতে মেট্রোরেল চলাচলের সময় বাড়ছে
রাতে মেট্রোরেল চলাচলের সময় বাড়ছে
পঞ্চগড়ে ভাগনিকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ ও মামিকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে মামলা
পঞ্চগড়ে ভাগনিকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ ও মামিকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে মামলা
সর্বাধিক পঠিত
ইউএনজিএ’র সভাপতি হিসেবে কী সুবিধা পাবেন খলিলুর রহমান, দায়িত্ব কী  
ইউএনজিএ’র সভাপতি হিসেবে কী সুবিধা পাবেন খলিলুর রহমান, দায়িত্ব কী  
করদাতাদের জন্য ‘মাস্টারপ্ল্যান’, ২০৩১ পর্যন্ত করমুক্ত আয়ের সীমা কত হচ্ছে জানুন
করদাতাদের জন্য ‘মাস্টারপ্ল্যান’, ২০৩১ পর্যন্ত করমুক্ত আয়ের সীমা কত হচ্ছে জানুন
খাবার মুখে দেওয়ার সময় স্বাস্থ্যমন্ত্রীর চামচে ফুঁ দেওয়া লোকটি কে
খাবার মুখে দেওয়ার সময় স্বাস্থ্যমন্ত্রীর চামচে ফুঁ দেওয়া লোকটি কে
ইউনিটপ্রতি কত বাড়লো বিদ্যুতের দাম
ইউনিটপ্রতি কত বাড়লো বিদ্যুতের দাম
বাড়লো বিদ্যুতের দাম
বাড়লো বিদ্যুতের দাম