ফিলিপাইনের প্রয়াত স্বৈরশাসক ফার্দিনান্দ মার্কোসকে ‘বীরোচিত’ সম্মানের সঙ্গে সমাহিত করার সরকারি সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে রাস্তায় নেমেছেন শতাধিক মানুষ। জাতীয় বীরদের সমাধিক্ষেত্রে তাকে সমাহিত করার পরিকল্পনার প্রতিবাদ জানাতে রবিবার রাজধানী ম্যানিলায় বিক্ষোভে অংশ নেন কয়েকশ মানুষ। এক প্রতিবেদনে এ খবর জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক সংবাদমাধ্য সিএনএন।
ফিলিপাইনের ‘বন্দুকভক্ত’ প্রেসিডেন্ট রদ্রিগো দুয়ার্তে নিজ শহর দাভাওয়েও এ পরিকল্পনার প্রতিবাদে বিক্ষোভ করেছেন মানবাধিকারকর্মীরা।
পরিকল্পনা অনুযায়ী, বিশেষ ব্যবস্থায় কাচের বাক্সে সংরক্ষিত ফার্দিনান্দ মার্কোস-এর দেহ আগামী মাসে ফিলিপাইনের উত্তরাঞ্চলে তার এলাকা থেকে ম্যানিলায় স্থানান্তর করা হবে। সেখানে জাতীয় বীরদের সমাধিক্ষেত্রে তাকে সমাহিত করা হবে।
ফিলিপাইনের প্রয়াত স্বৈরশাসক ফার্দিনান্দ মার্কোস ১৯৮৯ সালের ২৮ সেপ্টেম্বর তারিখে মৃত্যুবরণ করেন। মৃত্যুর পর প্রদর্শনের জন্য পারিবারিকভাবে তার মৃতদেহ সংরক্ষণ করে রাখা হয়। একইসঙ্গে পরিবারের পক্ষ থেকে তাকে জাতীয় বীরদের সমাধিক্ষেত্রে সমাহিত করার দাবি জানানো হয়।
সম্প্রতি ফিলিপাইনের ‘বন্দুকভক্ত’ প্রেসিডেন্ট রদ্রিগো দুয়ার্তে সাবেক স্বৈরশাসক মার্কোসকে বীরোচিত মর্যাদায় সমাহিত করার পরিকল্পনা করেন। এজন্য তিনি সেনাবাহিনীকে প্রস্তুতি গ্রহণেরও নির্দেশ দেন। রদ্রিগো দুয়ার্তে’র দাবি, সাবেক প্রেসিডেন্ট হিসেবে মার্কোস বীরোচিত মর্যাদায় সমাহিত হওয়ার দাবিদার। মূলত প্রেসিডেন্টের এ সিদ্ধান্তের প্রতিবাদ করছেন বিক্ষোভকারীরা।
বিক্ষোভকারীদের একজন ফিলিপাইনের সিনেটর রাইসা হনটিভেরস মার্কোসকে ‘জাতীয় বীরদের অনুশোচনাহীন শত্রু’ বলে মন্তব্য করেন। তিনি বলেন, ‘এ কাজ করলে আমরা বিশ্বে হাস্যকর জাতিতে পরিণত হব।’
/এমপি/








