মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএন-এর এক খবরে বলা হয়েছে, ভারত বিতর্কিত কাশ্মির সীমান্ত অঞ্চল থেকে ১০,০০০ মানুষ সরিয়েছে। ভারতের জম্মু জেলার ম্যাজিস্ট্রেট সীমরামদীপ সিং সিএনএন-কে এই খবর দিয়েছেন।
উল্লেখ্য, ভারতীয় সেনাবাহিনীর দাবি অনুযায়ী বুধবার রাতে নিয়ন্ত্রণ রেখা পেরিয়ে ভারতের সেনারা সন্ত্রাসী ঘাঁটিগুলোতে সার্জিক্যাল স্ট্রাইক চালিয়েছে। ওই অভিযানে ৯ পাকিস্তানি সেনা ও ৩৫ থেকে ৪০ জঙ্গি নিহত হয়েছে বলে দাবি করা হয়। ঘটনার পর থেকে দুই সেনা সদস্য নিহত হওয়ার খবর নিশ্চিত করে পাকিস্তান দাবি করে আসছে এটি সার্জিক্যাল স্ট্রাইক ছিল না, সীমান্ত সংঘর্ষ বা আন্তঃসীমান্ত গোলাগুলির ঘটনা ছিল। নিয়ন্ত্রণ রেখায় ভারতের দাবিকৃত ‘সার্জিক্যাল স্ট্রাইক’-নামের অভিযান-এর দুইদিন পর শনিবার ভোরবেলায় আজাদ কাশ্মিরে দুই দেশের মধ্যে আবারও গোলাগুলি সম্পন্ন হয়। অবশ্য এতে কেউ হতাহত হয়নি।
স্ট্রেট সীমরামদীপ সিং সিএনএন-এর কাছে অভিযোগ করেছেন, কোনও রকমের উসকানি ছাড়াই দুই দফায় জম্মু-কাশ্মির সীমান্তের নিয়ন্ত্রণরেখায় গুলি চালিয়েছে পাকিস্তানি বাহিনী। জম্মু-কাশ্মির সীমান্তের নিয়ন্ত্রণরেখা এবং এর আশপাশ ঘিরে চলমান এই উত্তেজনায় ভারত-পাকিস্তান দুই দেশের সেনাপ্রধানের সুরেই যুদ্ধের আভাস পাওয়া গেছে। পাকিস্তানি সেনাপ্রধানের পক্ষ থেকে ভারতের সম্ভাব্য সব রকমের আঘাতের সমুচিত জবাব দেওয়ার হুমকির পর পাকিস্তানের সীমান্তে যুদ্ধপ্রস্তুতির আলামত, এবং এ নিয়ে সেনাপ্রধানের সন্তুষ্টির খবর পাওয়া গেছে।
ওদিকে ভারতীয় সংবাদমাধ্যমগুলো জানিয়েছে, সেনাবাহিনীর উত্তরাঞ্চলের কমান্ড (নর্দার্ন কমান্ড) পরিদর্শন করতে গিয়ে ভারতীয় সেনাপ্রধান যে সব পদক্ষেপ নিয়েছেন, সেগুলোও যুদ্ধের প্রস্তুতিকেই ইঙ্গিত করে। যখন দুই সেনাপ্রধানের এই যুদ্ধবাদী সুর বাজছে, ততক্ষণে আজাদ কাশ্মিরের নিয়ন্ত্রণ রেখায় আবারও গোলাগুলি হয়েছে। ওদিকে যুদ্ধের আতঙ্কে সীমান্তবর্তী গ্রামগুলো ফাঁকা হতে শুরু করেছে।
সীমারদীপ জানিয়েছেন, ‘সীমান্ত অঞ্চল থেকে সরিয়ে নেওয়া মানুষদের জন্য আমরা ৪৭টি ক্যাম্প বসিয়েছি’।
/বিএ/








