পাকিস্তানের সাবেক সেনা শাসক পারভেজ মোশাররফ মন্তব্য করেছেন, ভারত আদতে হুমকি দেওয়ার ক্ষেত্রে এগিয়ে রয়েছে। তবে তাদের নয়, পাকিস্তান সেনাবাহিনীরই ক্ষমতা রয়েছে বাস্তবে সত্যিকারের কিছু করার।
অল পাকিস্তান মুসলিম লীগের ১৬তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে সভাপতি মোশাররফ টেলিফোনে দলীয় নেতাকর্মীদের সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে এমন মন্তব্য করেন।
মোশাররফ অভিযোগ করেন, নিজ দেশে বসবাসকারী সংখ্যালঘুদের শত্রুতে পরিণত হয়েছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তিনি বলেন, ‘ভারতের এটা বোঝা উচিত যে পাকিস্তান ভুটান নয়। ভারতের মাটিতে হামলা হলেই পাকিস্তানকে দোষারোপ করাটা তাদের অভ্যাসের অংশ।’
এরআগে পাকিস্তানে সামরিক শাসনের অপরিহর্যতার পক্ষে সাফাই গাইতে গিয়ে সাবেক সেনা শাসক পারভেজ মোরাররফ মন্তব্য করেন, দেশের সমাজ ব্যবস্থার সঙ্গে মানান হয়, এমন কোনও গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা এখানে জারি করা যায়নি। সে কারণেই বারবার সেনা বাহিনীকে শাসন ক্ষমতা নিতে হয়েছে।
ওয়াশিংটন আইডিয়াস ফোরামে বৃহস্পতিবার সাক্ষাৎকার দিয়েছেন তিনি। সেই সাক্ষাৎকারের ভিত্তিতে করা এক প্রতিবেদনে সাবেক পাকিস্তানি জেনারেলের এই মন্তব্যের কথা জানায় ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি। এতে পাকিস্তানি সেনাবাহিনীর রাজনীতিতে আসা ঠেকাতে দেশের সমাজ ব্যবস্থার উপযোগী রাজনৈতিক কাঠামো গড়ে তোলার তাগিদ দেন মোশাররফ।
প্রায় এক দশক দেশ শাসন করা পারভেজ মুশাররফ ২০০৮ সালে ক্ষমতা ছাড়ার পর স্বেচ্ছা নির্বাসনে যান। চার বছর লন্ডন ও দুবাইয়ে কাটিয়ে ২০১৩ সালে নির্বাচনের আগে দেশে ফিরে বেশ কয়েকটি মামলার মুখে পড়েন তিনি। তবে অযোগ্য ঘোষিত হয়ে নির্বাচনে অংশ নিতে না পারা এবং ক্ষমতায় থাকাকালে বেলুচিস্তানের জাতীয়তাবাদী নেতা আকবার বাগতি হত্যাকাণ্ড ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেনজীর ভুট্টো হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় দায়ের মামলায় বিচার শুরুর পর ফের দেশ ছাড়েন সাবেক এই সেনাশাসক।
/বিএ/








