আলেপ্পোর অস্ত্রবিরতি চুক্তি স্থগিত, ভয়াবহ সংঘর্ষ

বিদেশ ডেস্ক
১৪ ডিসেম্বর ২০১৬, ২০:৩৯আপডেট : ১৪ ডিসেম্বর ২০১৬, ২০:৪০
image

সংঘর্ষের মাঝেই পালাচ্ছে মানুষ সিরিয়ার আলেপ্পো নগরীতে প্রেসিডেন্ট বাশার আল-আসাদের অনুগত বাহিনী এবং বিদ্রোহীদের মধ্যে অস্ত্রবিরতি চুক্তি কার্যকর হওয়ার আগেই উভয় পক্ষে ফের প্রচণ্ড সংঘর্ষ শুরু হয়েছে। বুধবার যুক্তরাজ্যভিত্তিক মানবাধিকার পর্যবেক্ষক সংস্থা সিরিয়ান অবজারভেটরি ফর হিউম্যান রাইটস (এসওএইচআর)-এর বরাত দিয়ে এ কথা জানিয়েছে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি।

এর আগে মঙ্গলবার জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদে রাশিয়ার রাষ্ট্রদূত ভিতালি চারকিন বলেন, পূর্ব আলেপ্পোতে সামরিক অভিযান শেষ হয়েছে। তিনি আরও জানান, বিদ্রোহীরা সিরিয়ার সরকারি বাহিনীকে পূর্ব আলেপ্পো ছেড়ে চলে যাওয়ার প্রতিশ্রুতি দিলে যুদ্ধ সমাপ্তির ঘোষণা আসে।  

আলেপ্পোর অধিবাসীদের সরিয়ে নেওয়ার কাজ শুরুর কথা ছিল স্থানীয় সময় বুধবার ভোর ৫টা থেকে। কিন্তু তা শুরু হয়নি। এর কয়েক ঘণ্টা পরই শুরু হয় প্রচণ্ড গোলাগুলি। এসওএইচআর-এর মুখপাত্র রামি আবদুলরহমান বলেন, ‘ভয়ঙ্কর সংঘর্ষ চলছে, প্রচণ্ড মাত্রায় বোমা হামলা চলছে। এতে মনে হচ্ছে যুদ্ধ বিরতির সব কিছুই ভেস্তে গেছে।’

এসওএইচআর জানিয়েছে, বিদ্রোহীদের অবস্থান লক্ষ্য করে নতুন করে বিমান হামলা চালানো হচ্ছে। 

আলেপ্পোবাসীকে সরিয়ে নিতে আনা হয়েছিল বাসগুলোকে

স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা হোয়াইট হেলমেটস-এর মুখপাত্র ইব্রাহিম আবু-লেইথ জানিয়েছেন, নতুন করে সংঘর্ষ শুরু হওয়ার পর অন্তত ৪০ জন নিহত হয়েছেন।

অস্ত্রবিরতি ঘোষণার পর যুদ্ধবিধ্বস্ত অঞ্চল থেকে মানুষদের সরিয়ে নেওয়ার জন্য অনেকগুলো বাসও পৌঁছেছিল। কিন্তু বুধবার হঠাৎ করেই আবার সংঘর্ষ শুরু হয়।

সিরিয়ায় জাতিসংঘের বিশেষ প্রতিনিধি স্তেফান ডি মিস্তুরা জানিয়েছেন, বিদ্রোহী নিয়ন্ত্রিত এলাকাগুলোতে প্রায় ৫০ হাজার মানুষ আটকা পড়ে আছেন। তবে স্থানীয় সংবাদমাধ্যমে বলা হয়েছে, আটকা পড়া মানুষের সংখ্যা এক লাখেরও বেশি।

মিস্তুরা আরও বলেন, এসব অঞ্চলে অন্তত দেড় হাজার বিদ্রোহী রয়েছেন। এদের ৩০ শতাংশই জঙ্গি সংগঠন ফাতেহ আল শাম (প্রাক্তন নুসরা ফ্রন্ট)-এর সঙ্গে জড়িত।

২০১২ সাল থেকে বিদ্রোহীদের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে পূর্ব আলেপ্পো। সম্প্রতি সরকারি বাহিনী অঞ্চলটির অধিকাংশ জায়গা দখল করে নেওয়ায় বিদ্রোহীরা কোণঠাসা হয়ে পড়ে।

সূত্র: বিবিসি।  

/এসএ/ 

সম্পর্কিত
বিশ্ব অর্থনীতির সামনে দুই কঠিন পথ, নেপথ্যে ইরান যুদ্ধ ও এআই সংকট
কুয়েত ও বাহরাইনে হামলার পক্ষে যুক্তি তুলে ধরে যা বললেন আরাঘচি
ইরাকে অস্ত্র জমা দেওয়ার ঘোষণা ইরানপন্থি দুই মিলিশিয়া গোষ্ঠীর
সর্বশেষ খবর
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ
বিএসইসির চেয়ারম্যান রাশেদ মাকসুদ ও ৪ কমিশনারের পদত্যাগ
বিএসইসির চেয়ারম্যান রাশেদ মাকসুদ ও ৪ কমিশনারের পদত্যাগ
দাম বৃদ্ধির একদিন পরই লাইফলাইন গ্রাহকদের জন্য রিভিউ আবেদন
দাম বৃদ্ধির একদিন পরই লাইফলাইন গ্রাহকদের জন্য রিভিউ আবেদন
ফোনালাপ ফাঁসের পর বদলি করা হলো জেল সুপারকে
ফোনালাপ ফাঁসের পর বদলি করা হলো জেল সুপারকে
সর্বাধিক পঠিত
খাবার মুখে দেওয়ার সময় স্বাস্থ্যমন্ত্রীর চামচে ফুঁ দেওয়া লোকটি কে
খাবার মুখে দেওয়ার সময় স্বাস্থ্যমন্ত্রীর চামচে ফুঁ দেওয়া লোকটি কে
চট্টগ্রামে ৬০ কোটি টাকায় আনা জাহাজে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা, বেকায়দায় আমদানিকারক
চট্টগ্রামে ৬০ কোটি টাকায় আনা জাহাজে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা, বেকায়দায় আমদানিকারক
ইউনিটপ্রতি কত বাড়লো বিদ্যুতের দাম
ইউনিটপ্রতি কত বাড়লো বিদ্যুতের দাম
অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে প্রথম দুই ওয়ানডের দল ঘোষণা বাংলাদেশের
অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে প্রথম দুই ওয়ানডের দল ঘোষণা বাংলাদেশের
বাড়লো বিদ্যুতের দাম
বাড়লো বিদ্যুতের দাম